Category: Uncategorized

ক্ষারক কাকে বলে।‌ক্ষার ও ক্ষারকের মধ্যে পার্থক্য|ক্ষারকের বৈশিষ্ট্য

ক্ষারক কাকে বলে: প্রিয় পাঠক, আপনাদের মাঝে আমি এই আর্টিকেলটি উন্মুক্ত করে দিলাম( ক্ষারক কি?) এই সম্বন্ধ্যে। আপনারা যারা ক্ষারক এবং ক্ষারক  এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে চান,  তারা দয়া করে পুরো আর্টিকেলটি পড়ুন।আমাদের।আর্টিকেলে যা যা থাকছে,

  •  ক্ষারক কাকে বলে
  • ক্ষার কাকে বলে।
  • ক্ষারক এর বৈশিষ্ট্য।
  • ক্ষারক এর বিক্রিয়া।
  • ক্ষার ও ক্ষারক সম্পর্কিত প্রশ্ন।

ক্ষারক কাকে বলে

ক্ষারক কি: ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের অক্সাইড এবং হাইড্রোক্সাইড যা আসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি উৎপন্ন  করে তাকে ক্ষারক বলে।

এখানে ক্ষারক এর সংজ্ঞা আরো ভিন্নভাবে ফেয়া যায়,  যেমন, যে সকল পদার্থ দ্রবণে প্রোটন এইচ প্লাস গ্রহণ করে তাদেরকে ক্ষারক বলে।

ক্ষার কাকে বলে

ক্ষার কি: ধাতু ও অধাতুর নাম ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের হাইড্রোক্সাইড যৌগ যা পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে।

ক্ষারের সংজ্ঞা: যে সকল ক্ষারক পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। সকল ক্ষার দ্রবণ কটু গন্ধ মুক্ত। ধাতব আয়ন এর সাথে লঘু ক্ষারের বিক্রিয়ায় ধাতব অক্সাইড তৈরি হয়। দুর্বল ক্ষার কাকে বলে: যে সকল খাবার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাকে দুর্বল ক্ষার বা লঘু ক্ষার বলে।

ক্ষারক এর বৈশিষ্ট্য

ক্ষারক এর বৈশিষ্ট্য বলতে গেলে বলা যায়, ক্ষারক হচ্ছে সেই সকল ধাতব যৌগ কিংবা ধাতুর নেই ক্রিয়াশীল যৌগ মূলক যাদের সাথে অক্সাইড কিংবা হাইড্রো অক্সাইড যুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ আমরা বলতে পারি, CaO  , KOH , NaOH ইত্যাদি। এসকল যৌগে ধাতু বিদ্যমান যা হচ্ছে, Ca , K, Na । এই সকল ধাতুর সাথে আবার অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড হিসেবে যুক্ত আছে OH ।তাই সংজ্ঞানুসারে এই যৌগগুলোকে ক্ষারক বলতে পারি কেননা এই যৌগ গুলো এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। ক্ষারের বৈশিষ্ট্য কোন যৌগ তখনই হবে যখন ওই যৌগের সাথে হাইড্রোক্সাইড (OH) মূলক যুক্ত থাকবে। শুধু হাইড্রোক্সাইড মূলক যুক্ত থাকলেই হবে না সেই হাইড্রোক্সাইড মূলক টিকে পানিতে দ্রবীভূত হওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। সুতরাং আমরা বলতে পারি খারাপ বলতে বোঝায় সেই সকল যোগ্য কে, যাদের ধাতু কিংবা তুলনায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের সাথে পানিতে দ্রবণীয় হাইড্রোক্সাইড যুক্ত থাকে যা এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপাদন করে। উদাহরণ হিসেবে আমরা বলতে পারি, NaOH একটি ক্ষারীয় দ্রবণ। যেহেতু সোডিয়াম ধাতুর সাথে হাইড্রোক্সাইড মূলক যুক্ত আছে এবং এই হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয়। তাই এই যৌগটি কে আমরা ক্ষারীয় যৌগ বলতে পারি।  সুতরাং বুঝা গেল সকল ক্ষারই ক্ষারক কিন্তু সকল ক্ষারক ক্ষার নয়।

ক্ষারক এর বিক্রিয়া।

পাঠকদের সুবিধার্থে আমি নিচে কিছু ক্ষারকের বিক্রিয়া উল্লেখ করছি,

NaOH + H2SO4 ——– Na(SO4) +H2O

আরো পড়ুন ,

  ক্ষার ও ক্ষারক সম্পর্কিত প্রশ্ন।

১। সকল ক্ষার ক্ষারক কিন্তু সকল ক্ষারক ক্ষার নয় ?ব্যাখ্যা করো?

উত্তর:  আমরা জানি , ঋতু ও ধাতুর মত ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের অক্সাইড এবং হাইড্রোঅক্সাইড যা এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে তাকে ক্ষারক বলে । এবং ক্ষারের সংজ্ঞা হচ্ছে , ধাতু বা ঋতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের হাইড্রোঅক্সাইড যৌগ যা পানিতে প্রবণীয় তাকে ক্ষার বলে ।  উপরিউক্ত সংজ্ঞা দু’টি থেকে আমরা দেখতে পাই , কোনো ধাতব যৌগ কিংবা ধাতব যৌগমূলক তখনই ক্ষারক হবে যখন তার সাথে অক্সাইড কিংবা হাইড্রোঅক্সাইড যৌগ যুক্ত থাকবে । এবং ক্ষারের ক্ষেত্রে লক্ষ করলে দেখতে পাই , কোনো যৌগ ক্ষার হতে হলে অবশ্যই হাইড্রোঅক্সাইড মূলক যুক্ত থাকতে হবে যা দ্রবণীয় । অর্থাৎ , প্রত্যেকটি ক্ষারে যেহেতু অক্সাইড থাকে তাই এটি ক্ষারকে ক্ষারক ও বলা যেতে পারে ।  নিচের বিক্রিয়া দুইটিতে লক্ষ্য করিঃ

১. NaOH + H2SO4 ——– Na(SO4) +H2O

২. Al(OH)3 +H2O ——— Al(OH)3 ↓  উপরের

প্রথম বিক্রিয়াটিতে Na ধাতু OH যৌগমূলকের  সাথে যুক্ত  NaOH যৌগটি H2SO4 এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করছে । সংজ্ঞানুসারে NaOH ক্ষারক  হয়ে গেল । একই সাথে Na ধাতুর সাথে  OH বিদ্যমান যা পানিতে দ্রবীভূত এবং এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে , তাই এটিকে ক্ষার ও বলা যায়।

আবার , পরের বিক্রিয়াটিতে  Al( OH )3   যৌগতে OH বিদ্যমান যা সংজ্ঞানুসারে ক্ষারকের অন্তর্ভুক্ত কিন্তু Al ( OH )3   পানি দ্রবীভূত  নয় হওয়ার কারণে।সংজ্ঞানুসারে এটি ক্ষার নয় ।

তাই আমরা বলতে পারি , সকল ক্ষার ক্ষারক কিন্তু সকল ক্ষারক ক্ষার নয়।  এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের পিকচারটি দেখুন।

ক্ষারক কাকে বলে
সকল ক্ষার ক্ষারক, কিন্তু সকল ক্ষারক ক্ষারদেখুন ক্ষার ও ক্ষারকের মধ্যে পার্থক্য

আরো পড়ুন,

২। ক্ষারক কি পানিতে দ্রবীভূত?

ক্ষারক হচ্ছে একটি হাইড্রোক্সাইড এর যৌগ যা পানিতে দ্রবীভূত নয়। অর্থাৎ ক্ষারক হবে এমন যৌগ যাতে হাইড্রোক্সাইড মূলক বিদ্যমান এবং পানিতে দ্রবীভূত নয়। তাই সংজ্ঞা অনুসারে আমরা বলতে পারি ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত নয়।

৩। কোন যৌগতে হাইড্রোক্সাইড বিদ্যমান থাকলে তাকে কি আমরা ক্ষারক বলতে পারব?

কোন যৌগতে হাইড্রোক্সাইড বিদ্যমান থাকলে সেটি কখনোই ক্ষারক হবে না। ক্ষারক হতে হলে সেই যৌগটি কে পানিতে দ্রবীভূত হতে হবে।

৪। হাইড্রোক্সাইড থাকা সত্ত্বেও কোন বিক্রিয়াটি ক্ষার নয়?

নিচের বিক্রিয়াটিতে হাইড্রোক্সাইড থাকা সত্বেও এটি ক্ষার নয়:  Al(OH)3 +H2O ——— Al(OH)3 ↓

৫। এমন একটি বিক্রিয়া লেখ যেটি ক্ষার ও ক্ষারকের অন্তর্ভুক্ত?

NaOH + H2SO4 ——– Na(SO4) +H2O

আমাদের শেষ কথা, 

আশা করি আপনাদের বুঝাতে পেরেছি ক্ষার কি? ক্ষারক কি? ক্ষার কাকে বলে? ক্ষারক কাকে বলে? ক্ষার ও ক্ষারকের মধ্যে পার্থক্য, সকল ক্ষার ক্ষারক কিন্তু সকল ক্ষারক ক্ষার নয়, ক্ষার ও ক্ষারকের বিভিন্ন বিক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে।

আবার এই আর্টিকেলটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন। এই আর্টিকেল সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন।

শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন পত্র বাংলায় (সেরা ৪টি আবেদনপত্র)

আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় শিক্ষার্থীরা আজ তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম একটি বিষয়ের উপর আবেদনপত্র যা শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন পত্র । আমি এই বিষয়ের উপর সহজ তিনটি আবেদনপত্র বিভিন্ন বই থেকে এবং ইউটিউব ভিডিও ও গুগোল থেকে সংগ্রহ করে দিচ্ছি। এই আবেদনপত্রগুলো ক্লাস ফাইভ থেকে ক্লাস টেন পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থী ব্যবহার করতে পারবে। নিম্নোক্ত বিষয় সম্পর্কে যা রা সার্চ করেছে তাদের জন্য সহ এই আর্টিকেলটি লিখা হয়েছে,

  • শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন ক্লাস ৫
  • শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন ক্লাস ৮
  • শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন class 8
  • শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন class 6

চলুন কথা না বাড়িয়ে নিচ্ছে আবেদনপত্রগুলো দিয়ে দিই।পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য নিম্নোক্ত আবেদনপত্র,

শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন

  •  শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে প্রধান শিক্ষকের নিকট একটি আবেদনপত্র লিখ?

১১ জানুয়ারি , ২০১৯

বরাবর

প্রধান শিক্ষক

বাংলাদেশ ব্যাংক কলোনি উচ্চ বিদ্যালয় , চট্টগ্রাম

বিষয় : শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন ।

মহোদয়

বিনীত নিবেদন এই , আমরা আপনার বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী । আসন্ন শীতের ছুটিতে আমরা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শিক্ষাসফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছি । সেখানে গেলে আমরা পাহাড় , ঝরনা আর সবুজের মনোমুগ্ধকর পরিবেশ উপভোগ করতে পারব । এতে একঘেয়ে জীবন থেকে আমাদের মুক্তি মিলবে । দূর হবে দেহমনের ক্লান্তি ও জড়তা । আমরা প্রত্যেকেই শিক্ষাসফরের ব্যাপারে উৎসুক । শ্রেণিশিক্ষক ও অভিভাবকদের অনুমতিও নিয়েছি ।

অতএব , আপনার কাছে বিনীত প্রার্থনা , আমাদের শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করে বাধিত করবেন ।

বিনীত

সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পক্ষে

নাঈমা রহমান

রোল -১


 

এরপর আমি আরো একটি আবেদনপত্র যোগ করছি জেটি ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা বিশেষ ভাবে ব্যবহার করতে পারে। নিম্নে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির জন্য শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন পত্র বাংলায়,

শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন পত্র বাংলায়

শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন পত্র বাংলায়

  • শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করে বিদ্যালয়ের প্রধানের কাছে আবেদনপত্র?

 

তারিখ : ২১.৩.২০২০

প্রধান শিক্ষক

মানিকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় বইলছড়ি , রাঙ্গামাটি ।

 

বিষয় : শিক্ষাসফরে যাওয়ার প্রয়োজনীয় অর্থ ও অনুমতির জন্য আবেদন ।

মহাত্মন ,

বিনীত নিবেদন এই যে , আমরা আপনার স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী । আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে আমরা শিক্ষাসফরে যেতে আগ্রহী । শ্রেণিকক্ষের সীমাবদ্ধ পাঠ্যসূচির বাইরে ব্যবহারিক জীবনের জ্ঞান অর্জনের জন্য এই শিক্ষাসফর সহায়ক হবে বলে মনে করি । আমরা ইতিহাসখ্যাত কুমিল্লার ময়নামতি যেতে চাই । ময়নামতি সম্পর্কে আমরা পাঠ্যবইতে অনেক পড়েছি , বাস্তবে তা প্রত্যক্ষ করে আমাদের জানার পরিধি আরো বাড়াতে চাই ।

অতএব মহাত্মনের নিকট আমাদের বিনীত নিবেদন , আমাদের শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করলে বিশেষভাবে বাধিত হব ।

বিনীত—

বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে ,

নিরু চাকমা মনিকা মারমা ও


আরো পড়ুন,

এরপরে আমি যে আবেদনপত্র টি দিতে যাচ্ছি সেটি হচ্ছে

বিশেষত অষ্টম শেণির শিক্ষার্থীদের জন্য।আশা করি এই আবেদন পত্রটি অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে সেরা হবে। পড়ে নিন, শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন পত্র class 8

শিক্ষা সফর আবেদন পত্র

  • শিক্ষাসফরের গুরুত্ব উল্লেখ করে তোমার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে একটি আবেদনপত্র লেখো ?

৪ ঠা ফেব্রুয়ারি ২০১৮

বরাবর

প্রধান শিক্ষক

আর.কে. উচ্চ বিদ্যালয়

 

বিষয় : শিক্ষাসফরে যাওয়ার জন্যে অনুমতি প্রদানের আবেদন ।

জনাব

সবিনয় নিবেদন এই যে , আমরা আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী । আমরা ঠিক করেছি শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শিক্ষাসফরে হিমছড়িতে যাব । সেখানকার সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ করব । শিক্ষাসফরে আমরা তিন দিন থাকব বলে পরিকল্পনা করেছি । আর এ তিন দিনে আমাদের ২০ হাজার টাকা খরচ হবে । আমাদের পক্ষে এত টাকা বহন করা সম্ভব নয় । তাই আমরা আপনার সহযোগিতা কামনা করছি । আপনার অনুমতি পেলে আমরা এ টাকার অর্ধেক নিজেরা চাঁদার মাধ্যমে সংগ্রহ করব ।

অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে , আপনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করে বাধিত করবেন ।

বিনীত

অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দের পক্ষে জামিল।


শিক্ষার্থীরা উপরিউক্ত দুইটা আবেদনপত্রের মধ্যে কোনটি ভালো লেগেছে‌। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে পরীক্ষায় ব্যবহার করতে পারেন, এছাড়াও আমি নিচে আরও একটি আবেদনপত্র যোগ করছি যেটি কেবলমাত্র নবম দশম শ্রেণীর জন্য লিখা হয়েছে। নিচে দেওয়া হল, নবম-দশম শ্রেণীর জন্য শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন,

শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন পত্র

 

  • শিক্ষাসফরের গুরুত্ব উল্লেখ করে তোমার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে একটি আবেদনপত্র লেখো?

০৪.০২.২০২০

বরাবর

প্রধান শিক্ষক

অগ্রণী মাধ্যমিক বিদ্যালয় , শ্রীপুর ।

 

বিষয় : শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি প্রদানের জন্য আবেদন ।

মহোদয় ,

সবিনয় নিবেদন এই যে , আমরা আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী । দীর্ঘদিনের ক্লাস ও পরীক্ষার কারণে আমরা শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি । তাই আমরা ঠিক করেছি পাঠসহায়ক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জাতীয় জাদুঘরে শিক্ষাসফরে যাব । জাদুঘরে ভ্রমণের মধ্য দিয়ে সেখানে সংরক্ষিত ঐতিহাসিক নিদর্শনসমূহের পাশাপাশি জাতীয় ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন দেখার সুযোগ লাভ করব । বিকেলে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড – খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে ঘুরে দেখব । এ বিষয়ে আমরা শ্রেণিশিক্ষক ও অভিভাবকদের অনুমতি নিয়েছি । আপনার অনুমতি পেলে নির্দিষ্ট একটি তারিখ ঠিক করে চাঁদা উত্তোলনসহ অন্যান্য পরিকল্পনা তৈরি করব ।

অতএব , বিনীত প্রার্থনা , আমাদের শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করে আমাদের বাধিত করবেন ।

নিবেদক

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পক্ষে

মাহেরা তাবাসসুম

 

আমাদের শেষ কথা, 

আশা করি এই আর্টিকেলে আমি তোমাদের অনেকো তথ্য দিতে পেরেছি শিক্ষা সফর আবেদনপত্র সম্পর্কে। আমার দেওয়া শিক্ষা সফর আবেদন পত্র গুলো ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবে।

Read more,

  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা, সাথে পিডিএফ (পরীক্ষা ও রচনা প্রতিযোগিতার জন্য)
  2. আমাদের দেশ রচনা। এক হাজার শব্দের মধ্যে রচনা।
  3. বিবাহ বার্ষিকী ফেসবুক স্ট্যাটাস
  4. চিঠি লেখার নিয়ম বাংলায় (Rules of writing letters in Bengali)

বাংলাদেশের আয়তন কত? কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

অনেকেই প্রশ্ন করেন বর্তমানে বাংলাদেশের আয়তন কত?আসলে কেউ কেউ এই এই প্রশ্নকে অজ্ঞতা বলে বিবেচিত করেন। কিন্তু আসলেই এটা এক জটিল প্রশ্ন। বর্তমানে আমাদের দেশে নতুন করে অনেক ছিটমহল এবং দ্বীপ যুক্ত হয়েছে। তাই এখান থেকে অনেক জমি যুক্ত হয়েছে। তার করণে আসলেই কি আয়ত্ন বেড়ে গেছে? নাকি আমাদের জানামতে ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. এটাই ঠিক? আমাদের পুরো আর্টিকেল যদিও শুধুমাত্র বাংলাদেশের আয়তন নিয়ে নয়, সম্পূরক বিষয় নিয়ে। তবুও প্রথমে আমি বাংলাদেশের আয়তন কত তা সম্পর্কে তথ্য দিচ্ছি।

বাংলাদেশের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?

বাংলাদেশের প্রকৃত আয়তন হচ্ছে 1 লক্ষ 47 হাজার 570 বর্গ কিলোমিটার। তবে বর্তমানে নতুন করে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে কিছু স্মল এবং দ্বীপের সংযুক্ততা লক্ষ্য করা গেছে। এর কারণে বাংলাদেশের আয়তন খানিকটা বেড়ে গেছে। তবে বাংলাদেশের অফিশিয়াল তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইটে এখনও আগের আয়তন টি দেওয়া আছে, যা ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।

তবে বর্তমানে বাংলাদেশের আয়তন হচ্ছে ১,৪৮,৪৬০ বর্গ কিলোমিটার। এরমধ্যে ভূমি ১,৩০,১৭০ বর্গ কিলোমিটারএবং মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরীণ জলপথ হচ্ছে ১৮,২৯০ বর্গ কিলোমিটার। অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের আয়তন এর অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু এধরনের‌ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর এর আয়তন আলাদাভাবে হিসাব করা হয়। বাংলাদেশের আয়তনের চেয়ে বঙ্গোপসাগরের আয়তন দ্বিগুণ বেশি।

এখন প্রশ্ন হলো এখানে আয়তন দেখা যাচ্ছে দুইটা। কিন্তু পরীক্ষার খাতায় বাংলাদেশের আয়তন কত এটা আসলে আমাদের উত্তর কি হবে? যেহেতু বাংলাদেশ তথ্য বাতায়ন কতৃপক্ষ এখনো এ বিষয়টা কনফার্ম করেনি কিংবা বই-পুস্তক এ প্রকাশ করেনি তাই বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ লিখা শ্রেয়। আবার যদি একই প্রশ্নে এই দুইটা আয়তন একসাথে আসে তাহলে আপনি অবশ্যই আগের আয়তন টি সিলেক্ট করবেন। আর আমি যে বলেছি বাংলাদেশের বর্তমান আয়তন ১,৪৭,৪৬০ তা শুধু আপনাদেরকে জানানোর জন্য বলেছি। বিভিন্ন পরীক্ষায় আগে আয়তন টি বাদে এই আয়তন কি আসতে পারে। যদি আপনি এর আয়তনটি জানেন তাহলে আপনি অবশ্যই পাবেন। মূলকথা আপনাকে দুটো আয়তনে জানতে হবে। তবে আপনাকে পুরনো আয়তন এর দিকে বেশি গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া

অবশ্যই পড়ুন,

বাংলাদেশের আয়তন কত বর্গমাইল?

বাংলাদেশের আয়তন বর্গমাইলে করতে গেলে এর আয়তন হয় ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল। এইজন্যই বাংলাদেশকে 56 হাজার বর্গমাইলের দেশ বলা হয়।

বর্তমানের তথ্য: তবে উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান আয়তন ৫৭৩৫০ বর্গমাইল ।বাংলাদেশের মোট ভূমির পরিমাণ কে বর্গমাইলে রূপান্তর করতে গেলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৫০২৮৪ বর্গমাইল। এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জলপথের আয়তন দাঁড়ায় ৭০৬৪ বর্গমাইল।

বাংলাদেশর আয়তন কত?

বাংলাদেশের আয়তন সম্পর্কিত প্রশ্ন?

যদিও বাংলাদেশের আয়তন আগে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল না, তবে বর্তমানে নতুন কিছু ইস্যুর কারণে বাংলাদেশের আয়তন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন বড় বড় ভর্তির পরীক্ষাগুলোতে এই প্রশ্নটিই করা হয়। এর জন্য আপনাকে অবশ্যই আয়তন জানতে হবে। শুধু আয়তনে বাংলাদেশের সমগ্র বিভাগ এবং শহরগুলোর আয়তন সম্পর্কে সামান্য জ্ঞান রাখতে হবে।

অনেকেই বাংলাদেশের আয়তন সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য কিংবা প্রশ্ন খুঁজে থাকেন তাদের কথা বিবেচনা করে আমি পরীক্ষায় আসার মত কিছু প্রশ্ন তুলে ধরব।

  • বাংলাদেশের আয়তন কত?

=১৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।

  • বর্তমান বাংলাদেশের আয়তন কত?

=১৪৮,৪৬০ বর্গ কিলোমিটার।

  • রাজধানী ঢাকার আয়তন কত?

=ঢাকা মহানগরী: ২১৬১.১৮ বর্গ কিলোমিটার। ঢাকা অতি মহানগরী: ৩০৬.৩৮ বর্গ কিলোমিটার।

  • ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন কত?

=১৯৬.২২ বর্গ কিলোমিটার ‌

  • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আয়তন কত?

=২৭৭.৩৬২ বর্গ কিলোমিটার (১০৭.০৯০ বর্গমাইল)

  • রংপুর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন কত?

=২০৫.৭০ বর্গ কিলোমিটার।

  • চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আয়তন কত?

=১৬০.৯৯ বর্গ কিলোমিটার(৬২.১৬ বর্গমাইল)

  • কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আয়তন কত?

=৫২.০৪ বর্গ কিলোমিটার।

  • সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আয়তন কত?

=২৬.৫০ বর্গ কিলোমিটার।

  • বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আয়তন কত?

=৫৮ বর্গ কিলোমিটার।

  • রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আয়তন কত?

=৯৬.৭২ বর্গ কিলোমিটার।

  • খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আয়তন কত?

=১৫০.৫৬ বর্গ কিলোমিটার।

  • রংপুর বিভাগের আয়তন কত?

=১৬,৩১৭.৫৫ কিলোমিটার। ৬৩০০.২৪ বর্গ মেইল।

  • সিলেট বিভাগের আয়তন কত?

=১২৫৯৫.৯৫ বর্গ কিলোমিটার। ৪৯১২ বর্গ মাইল

  • চট্টগ্রাম বিভাগের আয়তন কত?

=২০,৫৩৯ বর্গকিলোমিটার (৭,৯৩০ বর্গমাইল)

  • রাজশাহী বিভাগের আয়তন কত?

=১৮১৭৪ বর্গ কিলোমিটার

  • খুলনা বিভাগের আয়তন কত?

=২২,২৮৫ বর্গ কিলোমিটার।

  • বরিশাল বিভাগের আয়তন কত?

=১৩৬৪৪.৮৫ বর্গ কিলোমিটার।

  • ময়মনসিংহ বিভাগের আয়তন কত?

=১০,৪৮৫ বর্গ কিলোমিটার।

আমাদের শেষ কথা,

আশা করি আমি আপনাদের বাংলাদেশের আয়তন কত এ সম্পর্রকে বিস্তারিত জানাতে পেরেছি। এছাড়াও আমি বাংলাদেশের আয়তন সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছি। আশা করি ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন।

সর্বশেষ লেখনি,