Category: এন্ড্রোয়েড স্মার্টফোন

গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস| গেমস ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট

গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস: বন্ধুরা এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের জানিয়ে দেবো কিভাবে অ্যাপস দিয়ে গেমস ডাউনলোড করবেন। তবে অতিরিক্ত টিপস হিসেবে আমি আপনাদের কয়েকটি ওয়েবসাইটের নাম বলে দেবো যেগুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই গেমস ডাউনলোড করতে পারবেন। আমাদের আর্টিকেলের যা যা থাকছেঃ

  • গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস
  • গেমস ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট
  • গুগল প্লে স্টোর গেমস ডাউনলোড
  • দ্রুত গেমস ডাউনলোড করার পদ্ধতি

উপরিউক্ত কয়েকটি বিষয় নিয়ে আমরা আমাদের এই পুরো আর্টিকেলটিতে বিস্তারিত লিখব। গেমস ডাউনলোড করার অ্যাপস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন।

গেমস ডাউনলোড

বর্তমানে তরুণ ও যুব প্রজন্মের অধিকাংশই বিভিন্ন গেমস এর সাথে সরাসরি জড়িত। এখানে জড়িত বলতে তারা এই গেমস কে খুবই পছন্দ করে এবং সব সময় খেলে। তবে গেমস খেলার জন্য আগে সে গেমস টিকেট ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিতে হয়। অনেকেই গেমস ডাউনলোড করতে বিপাকে পড়েন। অর্থাৎ যারা নতুন নতুন গেমস খেলতে পছন্দ করেন তাদের বারবার গুগলে গিয়ে সার্চ করতে হয়। আপনাদের এমন কিছু অ্যাপস এবং ওয়েবসাইট সম্পর্কে বলে দিব যা দিয়ে আপনি মাত্র কয়েক ক্লিক এ আপনার প্রয়োজন মত গেমস ডাউনলোড করতে পারবেন।

গেমস ডাউনলোড করার জন্য সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে গুগল প্লে স্টোর। যেহেতু বর্তমানে এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক তাই গেমস ডাউনলোড করার জন্য গুগল প্লে স্টোর খুবই জনপ্রিয়। এছাড়াও আপনি গুগল প্লে স্টোরে কোন গেম সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য পাবেন যা অন্য সব অ্যাপস এবং ওয়েব সাইটে পাবেন না।

ধরুন আপনি একটি বাস গেমস ডাউনলোড করতে চান। তাই আপনি গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ করলেন বাস গেমস। তারপর সেখানে আপনার সামনে অনেকগুলো গেম উপস্থাপিত হবে এবং প্রত্যেক গেমস এর রেটিং পয়েন্ট শো করবে। আপনি রেটিং পয়েন্ট এবং প্রত্যেকটি গেম সম্পর্কে লেখা রিভিউগুলো পরে আপনি সেই গেম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। যদি সেই গেম সম্পর্কে ভালো কিছু রিভিউ লেখা হয় তাহলে বুঝবেন হয়তো সেই গেমটি ভালো। এছাড়া যে গেমস গুলোর মান নিম্ন মানের তাদের রেটিং পয়েন্ট দেখলেই বোঝা যায়। সাধারণত রেটিং পয়েন্ট 3.1 এর বেশি হলে সেই গেমস থেকে মোটামুটি মানের ভালো গেমস হিসেবে ধরা যায়।

 

এছাড়াও আমরা বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্স ব্যবহার করে গেমস ডাউনলোড করতে পারি। তবে এই গেমস ডাউনলোড করার অ্যাপস গুলো অফিশিয়াল নয়। যেমন গুগল প্লে স্টোর অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের অফিশিয়াল অ্যাপস।, অ্যাপল অ্যাপ স্টোর নামক এই গেমস ডাউনলোড করার সফটওয়্যার টি অ্যাপল অপারেটিং সিস্টেমের জন্য অফিশিয়াল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমার দেয়া গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস গুলো অফিসিয়াল হবে না। তবে আপনি কোন ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাপস ডাউনলোড করতে পারবেন না এটা নিশ্চিত থাকুন।

 

এছাড়াও আরও একটি রাস্তা আছে গেমস ডাউনলোড করার জন্য। গুগল প্লে স্টোর অ্যাপ অ্যাপ স্টোর গেমস ডাউনলোড করার অ্যাপস ছাড়াও আপনি বিভিন্ন গেমস ডাউনলোড ওয়েবসাইট ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের গেমস ডাউনলোড করতে পারবেন। সেরকম কয়েকটি ওয়েবসাইটের নাম হচ্ছে apkpure.com apkmirror.com

আরো পড়ুন,

 

গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস

গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস: সবচেয়ে জনপ্রিয় গেমস ডাউনলোড করার সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত গুগল প্লে স্টোর। তবে গুগোল প্লে স্টোর ব্যতীত আরো অনেক গেম ডাউনলোড করার সফটওয়্যার রয়েছে যার সাহায্যে খুব সহজেই নিরাপত্তার সাথে গেমস ডাউনলোড করা যায়। কয়েকটি গেমস ডাউনলোড করার সফটওয়্যার সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো:

Google Play store

আমরা প্রায় কমবেশি সকলেই গুগল প্লে স্টোর সম্পর্কে জ্ঞাত। যারা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকি তারা প্রত্যেকেই জানি গুগল প্লে স্টোর কি। গুগল প্লে স্টোর কেন ব্যবহার করা হয়? গুগল প্লে স্টোরে কি কাজ করা হয়?

গুগল প্লে স্টোর মূলত একটি মোবাইল গেমস সহ বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এর ভান্ডার। এখান থেকে খুব সহজেই একজন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিতে পারে। এ যাবৎকালের সবচেয়ে নিরাপদ অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোডিং সফটওয়্যার হচ্ছে গুগল প্লে স্টোর। গুগল প্লে স্টোর এর ভেতরকার সিস্টেম গুলো রয়েছে তা সহজেই সকলের কাছে বোধগম্য। তাই আমরা গেম ডাউনলোড করার সফটওয়্যার হিসেবে গুগল প্লে স্টোরকে ব্যবহারের পরামর্শ সবার প্রথমে দিই।

Google Play store থেকে গেমস ডাউনলোড করার নিয়ম?

আমাদের কমবেশি সকলের এন্ড্রয়েড ফোনে গুগল প্লে স্টোর নামক একটি সফটওয়্যার আছে। তবে উন্নত মানের কিছু কোম্পানির ফোনে গুগল প্লে স্টোর সফটওয়্যার টি নাও থাকতে পারে । যদি প্লে স্টোর সফটওয়্যার টি না থাকে তাহলে আপনি ডাউনলোড করে নিবেন। ডাউনলোড করে ইন্সটল করার পর অ্যাপসটি ওপেন করবেন।

গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস

ওপেন করার পর এই খানে যে চারটি দেখতে পাচ্ছেন সেখানে আপনার পছন্দের অ্যাপ্লিকেশনের নাম দিয়ে সার্চ দিন এবং ইনস্টল বাটনে ক্লিক করে ইন্সটল করে নিন।

গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস

আপনি কোন গেম এর জনপ্রিয়তা সম্পর্কে জানতে চাইলে সেই গেমসের নিচের দিকে রেটিং পয়েন্ট দেখতে পারেন। সেখানে অনেক মানুষ রিভিউ লিখে থাকে সে রিভিউ গুলো পড়ে আপনি খুব সহজেই সেই গেম সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন। এছাড়া আপনি চাইলে সেই গেমটি কে শেয়ার করতে। এবং এই গুগল প্লে স্টোরে প্লে প্রটেক্ট নামক একটি ফিচার রয়েছে যার সাহায্যে কোন অ্যাপ্লিকেশনে মালওয়্যার আছে কিংবা নেই তা শনাক্ত করা যায়। এছাড়াও ই প্লায় প্রটেক্ট দিয়ে আপনার ফোনকে সেই অ্যাপ্লিকেশনের জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়।

Continue read, গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস।

Apkure

গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস
Apkpure

 

গুগল প্লে স্টোর এর পরে যে গেমস ডাউনলোড করার সফটওয়্যার টি সর্বাধিক পরিচিত সেটি হচ্ছে এই সফটওয়্যারটি। আপনি এই গেমস ডাউনলোড করার সফটওয়্যার download করে খুব সহজেই মাত্র কয়েক ক্লিকে বিভিন্ন ধরনের গেমস ডাউনলোড করতে পারবেন। উদাহরণ হিসেবে আপনি যদি কোন বাস গেম ডাউনলোড করতে চান তাহলে আপনি এই সফটওয়্যার টি ওপেন করে সার্চ বারে বাস গেম ডাউনলোড ডিজে সার্চ করবেন। আপনার পছন্দ অনুযায়ী যে কোন একটি গেম সিলেক্ট করে মাত্র দুটি ক্লিকেই আপনি ডাউনলোড করতে পারবেন। এই গেমস ডাউনলোড করার সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

Download apkpure apps

apkpure থেকে ডাউনলোড করার নিয়ম

উপরের লিংক থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করার পর ইনস্টল করে নিন। এরপর আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস থেকে এই অ্যাপস টি ওপেন করার পর সবার উপরে সার্চ বার দেখতে পাবেনন।

গেম ডাউনলোড করার সফটওয়্যার

সার্চ বারে ক্লিক করে আপনি আপনার পছন্দমত যে কোন গেম ডাউনলোড করার জন্য সার্চ করুন। দারুন আমি আবারও বাস গেম লিখে সার্চ দিলাম। সার্চ দেওয়ার পর অনেকগুলো সার্চ রেজাল্ট আপনার ডিভাইসে শো করবে। এরপর সেখানে পছন্দ মত যে কোন একটি গেম সিলেক্ট করবেন এবং সেখানে ক্লিক করবেন।

গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস

এরপর আপনি ইনস্টল লেখাতে ক্লিক করবেন গেমসটি ইনস্টল করার জন্য। এরপর অটোমেটিক এই গেমসটি আবার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডাউনলোড হয়ে যাবে। তারপর ইন্সটল করে নিলেই ব্যাস হয়ে গেল।

আরো পড়ুন,

২। Apkmirror

এটি আরেকটি জনপ্রিয় গেমস ডাউনলোড করার অ্যাপস। অধিকাংশ অ্যান্ড্রয়েড 8 এর নিচু পর্যায়ের মোবাইল ব্যবহারকারীরা এই অ্যাপসটি ব্যবহার করে থাকে। এই গেমসটি আপনার ডিভাইসে খুব বেশি একটা লোক নিবে না।apkpure এর মত এই গেমস ডাউনলোড করার অ্যাপস টিও বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

গেমস ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে প্রথমেই গেমস ডাউনলোড করার সফটওয়্যার টি ইন্সটল করে নিতে হবে । তারপর সার্চ করে আপনি আপনার পছন্দ মত যে কোন গেমস ইনস্টল করে নিতে পারবেন। এই সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

Download apkmirror for Android

Apkmirror থেকে গেমস ডাউনলোড করার নিয়ম?

প্রথমে আপনি উপরিউক্ত লিংক থেকে এই গেম ডাউনলোড করার সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিবেন। এ সফটওয়ারটি ডাউন লোড করার পর আপনার ফোনে ইন্সটল করে নিবেন এবং সেখানে ঢুকে সার্চ বারে আপনার পছন্দ মত যে কোন গেম সার্চ দিবেন।

এরপর ,”install” বাটনে ক্লিক করলে আপনার পছন্দের গেমসটি ডাউনলোড হতে শুরু করবে এবং ডাউনলোড হয়ে গেলে আপনাকে ইন্সটল করিয়ে দেওয়ার জন্য জানানো হবে। এভাবেই আপনি খুব সহজে এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে গেমস ডাউনলোড করতে পারবেন।

 

গেম ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট

গেমস ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট: ওয়েবসাইট ব্যবহার করে গেমস ডাউনলোড করার জন্য আপনি বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করবেন। কেননা এমন অনেকগুলো ফিশিং সাইট রয়েছে যারা বিনামূল্যে বিভিন্ন গেমস ডাউনলোড করার সুবিধা প্রদান করলেও তারা ঝুঁকিপূর্ণ।

এসব ঝুঁকিপূর্ণ ফিশিং সাইট গুলো আপনার ফোনের এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমকে ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে। তাই আপনি এত বড় ঝুঁকিতে না গিয়ে বিশেষ কয়েকটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করে গেমস ডাউনলোড করতে পারেন। আমার দেওয়া নিচের কয়েকটি সাইট, এগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং আপনি খুব সহজেই দ্রুততার সহিত অর্থাৎ দ্রুত গেমস ডাউনলোড করতে পারবেন।

Apkpure.com

এই ওয়েবসাইটটি আমাদের দেওয়া প্রথম অ্যাপসটির একটি ওয়েবসাইট। যাদের ফোনের রেম রম কম তারা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ডাউনলোড করতে পারেন। যারা অ্যাপস দিয়ে ডাউনলোড করার চেয়ে ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ডাউনলোড করা সুবিধাজনক মনে করেন তাহলে তারা এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে পারেন। আবার কেউ কেউ অ্যাপস দিয়ে ডাউনলোড করতে পছন্দ করে তাই তারা আমাদের দোয়া প্রথম অ্যাপস টি ইন্সটল করেন যে কোন গেমস ডাউনলোড করতে পারেন।

গেমসটি ডাউনলোড করার জন্য আপনি প্রথমে আপনার ডিভাইসের যেকোনো ব্রাউজারে প্রবেশ করে সেখানকার সার্চ বারে টাইপ করুন apkpure.com .

তারপর আপনার সামনে যে ওয়েবসাইটে আসবে তার সবার উপরে একটি সার্চ দেওয়ার অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে আপনি আপনার পছন্দ মত যে কোন গেমস এর নাম লিখে সার্চ করে ইন্সটল দিতে পারবেন।

পড়তে থাকুন, গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস।

 

apkmirror.com

এটি আমাদের দেওয়া দ্বিতীয় অ্যাপসটির একটি ওয়েবসাইট। এটি অতি জনপ্রিয় গেমস ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট যা আপনাকে স্পিক ইউর অ্যাপ্লিকেশন প্রদান করবে। এছাড়াও এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন পেইড গেমস ডিসকাউন্টে লাইসেন্স কি নিতে পারবেন ।

তবে নিশ্চিন্ত থাকুন এই গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস দিয়ে আপনি মালওয়্যার মুক্ত যেকোনো ধরনের অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে পারবেন। ঠিক যেমনভাবে আপনি গুগল প্লে স্টোর দিয়ে করে থাকেন।

এই ওয়েবসাইট কিংবা সফটওয়্যার ব্যবহার করে গেম ডাউনলোড করার অন্যতম কারণ হচ্ছে গেমসটি মোবাইলে সেভ করে রাখা। আপনাদের চাওয়া অনুযায়ী আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করেছি।

এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করে গেমস ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে আপনার ডিভাইসের যে কোন একটি ব্রাউজারের সার্চ করে টাইপ করতে হবে apkmirror.com . তারপর সেই ওয়েবসাইটে ঢুকে আপনি একটি সার্চ বার দেখতে পাবেন। সেখানে আপনি আপনার পছন্দ মত যে কোন গেমস এর নাম লিখে সার্চ করে ইনস্টল করে নিতে পারবেন।

সর্বশেষ কথা,

আশা করি আপনাদের গেম ডাউনলোড করার অ্যাপস , গেমস ডাউনলোড করার সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট দিয়ে গেমস ডাউনলোড ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পেরেছি।

আমাদের এই কনটেন্টে যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আপনাদের একটি শেয়ারই আমাকে পরবর্তী কনটেন্ট লিখার জন্য অনুপ্রাণিত করে। আর এই কন্টেন সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিতে পারেন। আসসালামু আলাইকুম।

আরো পড়ুন,

কম দামে ভালো ফোন গুলোর তালিকা। জেনে নিন

আসসালামু আলাইকুম। এই আর্টিকেলে আমি কম দামে ভালো ফোন গুলোর তালিকা নিয়ে বিশদ ভাবে আলোচনা করবো।কম দামে ভালো ফোন কে বা না চায়। যারা  পেতে চান তাদের জন্য এই আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে।

এছাড়াও যারা কম দামে ভালো গেমিং ফোন এবং vivo কম দামে ভালো ফোন কিনতে চান তাদের জন্য আজকের এই পোষ্টটি লিখা হয়েছে।

 কম দামে ফোন কিনার জন্য যা জানা জরুরীঃ

আসলে কম দামে ভালো একটা ফোন কিনা মানে এই নয় যে আমি দামি ফোন গুলোর চেয়ে ভালো কিছু কিনে ফেলছি। হ্যা ভাই এটাই বাস্তবতা। হয়তো আপনি কম টাকায় দামি ফোন গুলোর চেয়ে ভালো কিছু কিনতে পারবেন না।

কিন্তু এটা সত্য যে আপনার কম দামের ভালো ফোনটি তাদের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করতে পারবে । দামি ফোন নামেও যেমন দামি কাজেও তেমন দামি।

হয়তো কোনো কোনো কম্পানী ঠিক ভাবে সার্ভিস দিতে পারে না কিন্তু এটা মানতে হবে যে দামি ফোন গুলোতে একটা না একটা ভালো ফিচার থাকবেই।

কম দামে ভালো ফোন পাওয়া যায় কি?

হ্যা অবশ্যই। কম দামে আপনি ভালো ফোন অবশ্যই পাবেন। তবে একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে এতো ফোনের মধ্যে স্বল্প মূল্যের ভালো ফোন খোজা খুব কঠিন।

তাই আমরা সবচেয়ে কম দামে স্মার্টফোন গুলোর তালিকা প্রকাশ করতে যাচ্ছি। আসলে কম দামের যেকোন ফোনে আপনি সবগুলো ফিচার ভালো ভাবে পাবেন না।

হয়তো কোনো ফোনের র‍্যাম-রম বেশী পাবেন। আবার কোনো ফোনের ক্যামেরা কিংবা ব্যাটারী ভালো পেতে পারেন।

আবার কোনো ফোনের গেমিং ফিচার গুলো ভালো পেতে পারেন। সব মিলিয়ে আমরা কিছু ফোন এর ফিচার তুলে ধরব।

এখন আপনি যদি গেম খেলেন তাহলে গেমিং ফোন নিবেন। আর ইন্টারনেট ব্রাউজ করলে যে ফোন গুলোর র‍্যাম-রম বেশী থাকে সেই ফোন গুলো নিবেন।

তো চলুন শুরু করা যাক।

কম দামের ভালো কিছু ফোন

Infinix hot 9 play

কম দামে ভালো ফোন
Infinix hot 9 play

আমার তালিকায় এই ফোন টিকে আমি সবার আগে রাখলাম। কেনোনা এই ফোন নিয়ে সবার কৌতুহলের শেষ নেই। এমনকি আমারো কৌতুহল জাগে যে এতো এত কম দামে ভালো ফিচার ? আসলেই কি সম্ভব?

আমি খোজ নিয়ে দেখেছি। ফোন গুলো অনেকদিন যাবত খুব ভালো ভাবেই চলছে। infinix hot 9 play মোবাইল গুলো আপনি দুইটি মডেলে পবেন।

কারণ একটির র‍্যাম রম ৩/৩২ জিবি। আরেকটির র‍্যাম রম ৪/৬৪। র‍্যাম রম এর ভিন্নতার কারণে এদের দামেরও ভিন্নতা আছে। infinix hot 9 play (3/32 GB) এর অফিসিয়াল দাম ৭৯৯০ টাকা।

আর infinix hot 9 play(4/64 GB) এর অফিসিয়াল দাম ৯৯৯০ টাকা। এগুলো অফিসিয়াল বাংলাদেশী দাম। দুটি মডেলের ফোনের ব্যাটারী ও স্ক্রীন একই এবং বড় মাপের। তাছাড়া এই ফোনে ফিনগার প্রিন্ট ও আছে। নিচে কিছু ফিচার তুলে ধরা হলো।

 

  • ব্যাটারীঃ ৬০০০ এম্পিয়ার ব্যাটারী।
  • ক্যামেরাঃ ১৩ মেগ পিক্সেলস (পেছন)+ ৮ মেগাপিক্সেল (সামনে)
  • প্রোসেসরঃ octa core 1.8 GHz
  • স্ক্রিন সাইজঃ ৬.৮২ ইঞ্চি।
  • ইউএসবি, ওটিজিঃ সাপোর্টেড।
  • ফিনগার প্রিন্টঃ সাপোর্টেড।
  • নেটওয়ার্ক টাইপঃ২ জি, ৩ জি, ৪ জি।
  • এন্ড্রোয়েড ভারসনঃ এন্ড্রোয়েড 10।
  • ওজনঃ ২০৯ গ্রাম।

Techno spark 6 Air

কম দামে টেকনো ফোন

আমার তালিকায় দ্বিতীয় নাম্বার ফোন এটি। এই ফোনের দাম আগের ফোনটির দামের তুলোনায় কিছু কম। এটিও দুটি মডেলে পাওয়া যায়। তবে আমরা যে মডেন্টির র‍্যাম রাম (৩/৬৪ জিবি) সেটা নিয়ে আলোচনা করবো।

এই ফোনটির সবচেয়ে ভালো এবং চমতকার বিষয় হলো এর ডিসপ্লে অন্যান্য ফোন থেকে অনেক বড়। এই ফোন গুলোর ডিসপ্লে হচ্ছে ৭ ইঞ্চি।

সাথে রয়েছে ৩ জিবি র‍্যামের সাথে ৬৪ জিবি রম। সাধারণত ৪ জিবি র‍্যাম যুক্ত ফোন গুলোর সাথে ৬৪ জিবি ফোন মেমোরী পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি এত কম দামে ৩ জিবি র‍্যামের ফোনের সাথে ৬৪ জিবি রম পাচ্ছেন।

কম দামে ভালো ফোন বলতে এগুলোকেই বুঝায়। নিচে এই ফোন সম্পর্কে আরো কিছু ফিচার তুলে ধরা হলো। 

  • ব্যাটারীঃ ৬০০০ এম্মপিয়ার।
  • সস্ক্রিন সাইজঃ ৭ ইঞ্চি।
  • প্রোসেসরঃ ১.৮ গিগাহার্টজ (octa-core)
  • ক্যামেরাঃ১৩ + ২ মেগাপিক্সেল + al lens
  • ফিনগার প্রিন্টঃ সাপোর্টেড
  • ফেস আনলকঃ সাপোর্টেড
  • নেটওয়ার্ক টাইপঃ ২জি, ৩ জি,৪ জি।
  • এন্ড্রোয়েড ভারসনঃ এন্ড্রোয়েড 10
  • ইউএসবি ও ওটিজিঃ সাপোর্টেড
  • কালারঃ comet black, cloud white, ocean blue 

Vivo y15s

vivo কম দামে ভালো ফোন
vivo y15s

তালিকায় এই ফোনটিকে রাখার কারণ হলো এর প্রোসেসর। আপনি একে গেমিং ফোন ও বলতে

পারেন।vivo y15s ফোনটির প্রসেসর ২.৩ গিগাহার্জ যা অনেক উন্নতমানের। যেহেতু ফোনটির দাম অন্যান্য ফোনগুলোর দাম থেকে তুলোনামুলক একটু বেশী তবুও এটির ফিচার আপনাকে আকর্ষণ করবে।

এছাড়াও এর রয়েছে অতি উন্নতমানের ইউএসবি ও জিপিএস সিস্টেম এবং আছে reverse charging সিস্টেম। আরো রয়েছে সাইড মাউন্টেড ফিনগারপ্রিন্ট এবং ফোনটির ওজন অনেক কম ।

সব মিলিয়ে আমাকে ফোনটি অত্যন্ত চমচকার লেগেছে।এর দাম 10000 টাকা। নিচে ফোনটির আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার তুলে ধরা হলো।

  • ব্যাট্যারীঃ ৫০০০ এম্পিয়ার (lithiam-polymer, non removal)
  • প্রোসেসরঃ ২.৩ GHz octa core
  • রমঃ ৩২ জিবি (eMMc 5.1)
  • ক্যামেরাঃ ১৩+ 2 মেগাপিক্সেল (পেছনে) / অটোফোকাস, ৮ মেগাপিক্সেল (সামনে)
  • ডিসপ্লে সাইজঃ ৬.৫১ ইঞ্চি।
  • ওজনঃ ১৭৯ গ্রাম।
  • নেটোয়ার্ক টাইপঃ ২জি, ৩জি, ৪জি।
  • ইউএসবি ও ওটিজিঃ সাপোর্টেড
  • কালারঃ wave green, mystic blue
  • ফিনগারপ্রিন্টঃ সাপোর্টেড (side-mounted)

Read more

 

Infinix hot 11 play 

আমাদের তালিকায় আরো একটি ইনফিনিক্স ফোন নিয়ে আসলাম আমি। এটি পুরো ভিন্ন স্টাইলের একটি ফোন। আমি বলি কি কাম দামে ভালো ফোন চান ইনফিনিক্স ফোন কিনুন৷ কেনোনা এদের ফিচারগূলো এত সুন্দর তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

এর ইন্টারনাল মেমোরি মানুষকে সবার আগে নজর কাড়ে। আমি ৪ জিবি র‍্যামের ফোনে মাত্র ৬৪ জিবি ইন্টারনাল মেমোরি পাই আর ওরা ইনফিনিক্স ফোনে ৪ জিবি র‍্যামে ১২৮ জিবি রম দিয়ে বসে আছে।  

এই জন্যেই আমি ইনফিনক্স কে ব্যাতিক্রম ধর্মী ফোন বলি৷ এছাড়া infinix hot 10 er রয়েছে আকর্ষণীয় মূল্য। এর দাম ১২৯৯০ টাকা (বাংলাদেশি অফিশিয়াল)। 

এটি এরো একটি ক্ষেত্রে জনপ্রিয় সেটা হলো এর কালার। প্রায় চারটি আকর্ষণীয় রঙে পাওয়া যাচ্ছে এই ফোন। নিচে এই ফোনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফিচার তুলে ধরা হলো।(ফেসবুক)

  • ব্যাটারিঃ ৬০০০ এম্পিয়ার ব্যাটারি।
  • প্রোসেসরঃ ফোনটির প্রোসেসর ২.৩ GHz (octa-core)
  • র‍্যাম-রমঃ ফোনটির র‍্যাম ৪ জিবি রম ১২৮ জিবি।
  • ক্যামেরাঃ ফোনটির ক্যামেরা 13 মেগাপিক্সেল + (wide ai)
  • ডিসপ্লেঃ ফোনটির ডিসপ্লে সাইজ ৬.৮২ ইঞ্চি।
  • ইউএসবি ও ওটিজিঃ সাপোর্টেড
  • চার্জিং গতিঃ ১০ ওয়াট।
  • কালারঃ green,gold,blue,black

 

Samsung Galaxy M02 

আমাদের তালিকায় এই ফোনটিকে পঞ্চম স্থানে রাখলাম। samsung ফোন কম দামে পাওয়া যায় খুব কম। কিন্তু এই ফোনটি কম দামে পাওয়া যাচ্ছে তার উপর এটি একগাদা ফিচার সংযুক্ত করা আছে।

আমাকে ব্যাক্তিগতভাবে এই ফোনটি অনেক ভালো লাগে। যেহেতু এটা স্যামসাং ফোন তাই এখানে সফটওয়্যার আপডেট এর কোনো সমস্যা নাই।এই ফোনটি দুটি মডেলে পাওয়া যাচ্ছে।

একটির র‍্যাম-রম ২/৩২ জিবি আরেকটির র‍্যাম-রম হচ্ছে ৩/৩২ জিবি। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে আপনাকে ২/৩২ জিবি নেয়ার পরামর্শ দিব। যদি আপনার বাজেট বেশী থাকে তাহলে আপনি ৩/৩২ নিতে পারেন।

তবে যেহেতু আপনি কম দামে ভালো ফোন চাচ্ছেন তাই আপনার জন্য ২/৩২ নেয়াটা ভালো হবে। এর কারণ এই Samsung Galaxy M02 ফোন এর দুটো মডেলেই একই ফিচার অরদান করে।

এর ২/৩২ জিবি র‍্যাম-রমের দাম হচ্ছে ৮৫৯৯ টাকা এবং ৩/৩২ জিবি র‍্যাম রমের দাম হচ্ছে ৯৯৯৯ টাকা। নিচে এই দুটি মডেলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার দেয়া হলো।

  • ব্যাটারীঃ এই ফোনের ব্যাটারী হচ্ছে ৫০০০ এম্পিয়ার (non-removal)
  • প্রোসেসরঃ এই ফোনের প্রোসেসর ১.৩ GHz
  • ডিসপ্লেঃ এর ডিসপ্লে মোটামুটি অনেক বড় (৬.৫ ইঞ্চি)
  • ক্যামেরাঃ এর পেছনের ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেল + ২ মেগাপিক্সেল। এবং পেছনের ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল।
  • ইউএসবি ও জিপিএসঃ সাপোর্টেড।
  • এন্ড্রোয়েড ভারসনঃ এটি এন্ড্রোয়েড ভারসন 10 দ্বারা তৈরি। (one UI 2.0)

দূর্ভাগ্যজনকভাবে এই ফোনটিতে কোনো ফিনগারপ্রিন্ট নেই। কিন্তু এটাতে ফেস লক আছে।

  • কালারঃ এই ফোনটি চারটি আকর্ষণীয় রঙে পাওয়া যাচ্ছে। যথাক্রমে, black gray, blue, red

Oppo A12 

আমাদের তালিকায় আমরা এই oppo ফোনকে রাখলাম। oppo কম দামে ভালো ফোন খুজতে গেলে ঘুরে ফিরে আপনি এটাকেই পাবেন।

যদিও এটা ২০২০ সালের তৈরিকৃত মডেল। এর আগে এই ফোনের দাম ছিলো ১৯৯০ টাকা ছিলো। কিন্তু এখন তা পরিবর্তন করে ৯৯৯০ টাকায় আনা হয়েছে।

তবে এই ফোনের নতুন এক মডেল বের হয়েছে যার র‍্যাম-রম ৪/৬৪ জিবি এবং এর দাম ১৩৯৯০ টাকা, যা অনেক। আমি যে ফোনের কথা বলছি সেটা হচ্ছে ৩/৩২ জিবি র‍্যাম-রম ওয়ালা ফোন।

আমি আবারো বলছি এটির দাম বর্তমানে ৯৯৯০ টাকা।ফোনটিতে রয়েছে ফিনগারপ্রিন্ট, ভালো মানের প্রোসেসর যা কম দামের অন্য কোনো ফোনে নেই।

এর চিপসেট হলো ১২ ন্যানোমিটার। বুঝতেই পারছেন এর প্রোসেসর তাহলে কতো ভালো হবে। নিচে এই ফোনের বিস্তারিত ফিচার তুলে ধরা হলোঃ

  • প্রোসেসরঃ এ ফোনের প্রোসেসর ২.৩ GHz (octa-core)
  • র‍্যাম-রমঃ (২/৩২) আর (৪/৬৪) জিবি
  • ব্যাটারীঃ এই ফোনের ব্যাটারী হচ্ছে ৪২৩০ এম্পিয়ার (non-removal)
  • ডিসপ্লেঃ এই ফোনের ডিসপ্লে সাইজঃ ৬.২২ ইঞ্চি
  • নেটওয়ার্ক টাইপঃ ফোনটিতে সাপোর্ট করে ২জি, ৩জি,৪জি।
  • এন্ড্রোয়েড ভারসনঃ এন্ড্রোয়েড ৯.০ (ColorOs 6.1)
  • ইউএসবি ও ওটিজিঃ সাপোর্টেড।
  • ক্যামেরাঃ সামনের ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল এবং পেছনের ক্যামেরা ১৩+ ২ মেগাপিক্সেল।
  • ফোনের ওজনঃ এর ওজন ১৬৫ গ্রাম।

 

 গেমিং এর জন্য কাম দামে ভালো ফোন পাওয়া যায়?

অবশ্যই আপনি কম দামে ভালো ফোন কিনতে পারবেন। গেমিং ফোন হলে তো কথাই নাই। গেম খেলতে আমাদের অনেক স্টোরেজ এর দরকার হয়। তাই অধিকাংশ ছেলে মেয়ে বেশি র‍্যাম- রম এর ফোন কিনতে চায়।

আবার স্বভাবত বেশী র‍্যাম-রমের ফোনগুলোর দাম বেশী হয়। যেহেতু ছেলে মেয়েরা ইনকাম করতে পারে না তাই তাদের কম দামে ভালো গেমিং ফোন কিনতে হয়।

আজকে চমকপ্রদ কয়েকটি ফোন তুলে ধরবো এবং একটি কম্পানীর নাম বলবো যাদের থেকে কম দামে গেমিং ফোন কিনা যেতে পারে।

আরোও পড়ুন।

কোন ফোন গেমিং এর জন্য ভালো? 

গেমিং এর জন্য আমি সবসময় রিয়েলমি ও রেডমি ফোনের নাম বলবো। কেনোনা এদের প্রোসেসর এবং র‍্যাম-রম সবসময় বেশি থাকে এবং দামেও অনেক সাশ্রয়ী।

গেমিং এর জন্য আপনি realme 5i, realme c12,realme narzo 10, oppo A15s, samsung galaxy M02s ইত্যাদি কিনবেন অবশ্যই। এগুলো কম দামের অনেক ভালো মানের ফোন।

গেমিং এর জন্য আমি সবচেয়ে বেশী পছন্দ করি walton primo H9 ফোনটিকে। আপনি হয়তো ভাবছেন ওয়াল্টন ফোন আবার গেমিং এর জন্য, এটা কেমন কথা? ভাই আমি ওয়ালটন এক্সপেরিএন্সড।

ওদের সার্ভিস অনেক ভালো। আপনি ফোন কেনার সময় ফিচার না দেখে ফোন কিনলে তো ওরকম হবে। আমার দেখা কম দামে সবচেয়ে ভালো ফোন হচ্ছে এটি Walton primo H9।(ইউটিউব)

চলুন তালিকা নিয়ে বিস্তারিত বলি।

 

Walton primo H9

 

আমি আগেই বলেছি এটি আমার দেখা সবচেয়ে ভালো এবং কম দামের গেমিং ফোন। এজন্য আমি তালিকায় এটিকে প্রথম স্থানে রাখলাম।এর প্রকৃত দাম ৯৭৯৯ টাকা।

এর র‍্যাম হচ্ছে ৪ জিবি এবং রম হচ্ছে ৬৪ জিবি। আসল কৌতুহল এখানেই। মাত্র এই টাকাতেই এতো ভালো মানের ফোন পাওয়া যাচ্ছে।

আসলেই তাই, আপনার ফোন কেনার বাজেট কম থাকলে আপনি এই ফোনটি অবশ্যই কিনবেন। নিচে এর সম্পর্রকে বিস্তারিত দেয়া হলো।

  • প্রোসেসরঃ এর প্রোসেসর হচ্ছে 1.8 GHz Octa-Core, ARM Cortex-A53। এর সাথে রয়েছে MediaTek’s Helio A20 চিপসেট। (অসাধারণ)
  • ব্যাটারীঃ এর ব্যাটারি হচ্ছে ৪০০০ এম্পিয়ার।
  • ক্যামেরাঃ এর পিছনের ক্যামেরা হচ্ছে ১৩ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা। সামনে আছে ৮ মেগাপিক্সেল এর full hd ক্যামেরা।
  • ফোনটিতে ফিনগারপ্রিন্ট আছে সহ।

Realme 5i

 

আমাদের গেমিং ফোনের তালিকায় এটাকে আমরা দ্বিতীয় স্থানে রাখলাম। এটি অনেক দিন ধরে ভালো সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। এর দাম বর্তমানে ১২৯৯০ টাকা। নিচে এর কিছু ফিচার দেয়া হলোঃ

  • প্রোসেসরঃ Octa-core (2.0 GHz) এবং সাথে আছে Qualcomm Snapdragon 665 (11 nm). এর চিপসেট।
  • লস্টোরেজঃ র‍্যাম ৪ জিবি রম ৬৪ জিবি।
  • ব্যাটারীঃ ফোনটির রয়েছে ৬০০০ এম্পিয়ার ব্যাটারী
  • ক্যামেরাঃ পিছন ক্যামেরা হিসেবে রয়েছে চারটি ক্যামেরা ১২+৮+২+২ মেগাপিক্সেল। এবং সামন ক্যামেরা হিসেবে রয়েছে ৮ মেগা পিক্সেলের একটি ক্যামেরা।
  • ডিসপ্লেঃ এর ডিসপ্লে ৬.৫২ ইঞ্চি।

আমাদের শেষ কথা,

কম দামে ভালো ফোন, কম দামে সেরা ফোন ,vivo কম দামে ভালো ফোন, কম দামে ভালো গেমিং ফোন , কম দামে ভালো ফোন ২০২১ এর পোষ্টটি কেমন লাগলো? কোনো তথ্য ভুল হলে দয়া করে জানাবেন।ভালো থাকবেন।

 

আমি কিভাবে ইউটিউবে ভিডিও ডাউনলোড করব?(সহজ ৬ টি পদ্ধতি)

ইউটুবে ভিডিও ডাউনলোড নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন।আজকের এই পুরো আর্টিকেল জুড়ে আমি আপনাদের অনেক কয়েকটি টিপস দিব ।যার মাধ্যমে আপনি ইউটিউব এর যেকোনো ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। how to download youtube video in pc (bangla) এবং জেনে নিন মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার পদ্ধতি।

সাধারণত ইউটিউব অফিশিয়াল ভিডিওগুলোকে ডাউনলোড করার সুবিধা দেয় না। যার ফলে আমরা আমাদের পছন্দের ভিডিও গুলোও মাঝে মাঝে ডাউনলোড করতে পারিনা।

এ ছাড়াও অনেকে ইউটিউবে ভিডিও ডাউনলোড অ্যাপস খুঁজে থাকে। কেউ কেউ হয়তো কাঙ্ক্ষিত অ্যাপস খুঁজে পায়। তবে আমার মতে অধিকাংশই ইউটুবে ভিডিও ডাউনলোড আপ্প খুঁজে পায়না।

আপনি কি চিন্তা করছেন এই পোস্ট পড়ে আমি ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করতে পাবো কিনা। ভাই আপনাকে বলছি কোন চিন্তা করবেন না। আমি শুধু ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোডার সফটওয়্যার আপনাদের দিবনা। সেই সাথে অতিরিক্ত টিপস হিসেবে অন্তত তিনটি ওয়েবসাইট সম্পর্কে বলব যেগুলো দিয়ে মাত্র কয়েক ক্লিকে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। এখন আসি অন্য কথায়।

ইউটিউবে অফিশিয়াল ভিডিও ডাউনলোড করা যায় না কেন?

অনেকেই বলেন ইউটিউব কেন অফিশিয়াল ভিডিও ডাউনলোড করতে দেয় না? ফোনের ইউটিউব সফটওয়্যার দিয়ে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করা যায় না কেন? ইত্যাদি ইত্যাদি। আসলে এখানে ইউটিউব তার প্রাইভেসি রক্ষার্থে অফিশিয়াল ভিডিও গুলো ডাউনলোড করার সুবিধা দেয় না।

এখানে অফিসিয়াল ভিডিও বলতে যে ভিডিওটা ইউনিক অর্থাৎ কোন কতৃপক্ষ যখন প্রথম কোন একটা ভিডিও আপলোড দেয় কোন ট্রেন্ডিং বিষয় সম্পর্কে তাহলে সেটা হয়ে যায় অফিশিয়াল ভিডিও। ইউটিউব চ্যানেলের মালিকেরাই এসব ভিডিও কি অফিশিয়াল করে আপলোড দেয়। যাতে তাদের এই ইউনিক কাজকর্ম চুরি হতে না পারে।

ইউটিউব যদিও এসব ভিডিও ডাউনলোড করার সুবিধা দিত তাহলে খুব সহজেই মানুষ এসব ভিডিও ডাউনলোড করে নিজের নামে প্রচার করতে পারতো। এবং বলতে পারত যে এই ভিডিও আমি তৈরি করেছি, পুরো কৃতিত্ব আমার। তাই ইউটিউব কর্তৃপক্ষ চ্যানেলের সিকিউরিটি সাথে এবং তাদের প্রাইভেসি অনুযায়ী অফিশিয়াল ভিডিওগুলোকে ডাউনলোড করতে দেয় না।

তবে দুনিয়াতে এক্সপার্ট লোকের সংখ্যাও কম নয়। তারা অলরেডি এসব ভিডিও ডাউনলোড করার টুল বের করে ফেলেছে। তারাই অংশ হিসেবে আমরা বিভিন্ন ইউটিউব ডাউনলোডার সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন ডাউনলোডের ওয়েবসাইট দেখে থাকি। যেগুলো দিয়ে খুব সহজেই আমরা যেকোনো ধরনের অফিশিয়াল কিংবা non-official ভিডিও সহজেই ডাউনলোড করতে পারি।

ইউটুবে ভিডিও ডাউনলোড।

আমি প্রথমে অতিরিক্ত টিপস হিসেবে যে তিনটি ওয়েবসাইট দিতে চেয়েছিলাম সেগুলোই আগে বলছি। এর কারণ হচ্ছে কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড দিয়ে তারপর ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার চেয়ে ওয়েবসাইটে গিয়ে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করা খুব সহজ এবং খুব কম সময়ের দরকার হয়। নিচে তিনটি ওয়েবসাইটের নাম দেওয়া হল।

BTclud.com

আমাদের তালিকার প্রথম ওয়েবসাইট হচ্ছে এটি। আমার মতে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ ওয়েবসাইট হচ্ছে এটি। এ ওয়েবসাইটটিতে ডাউনলোড করা এত সহজ যে একজন অশিক্ষিত মানুষ ভুলক্রমে ডাউনলোড করে ফেলবে। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো যে এই ওয়েবসাইটটি সম্পূর্ণ ফ্রিতে ডাউনলোড সুবিধা প্রদান করে থাকে এবং এই ওয়েবসাইটটিতে গুগল এডসেন্সের এড ব্যবহার করা হয়। আমরা জানি এডসেন্সের এড থেকে মুক্তি পাওয়া খুব সোজা। তার অ্যাডসেন্স বাদে অন্যান্য ব্যবহার করলে আপনাকে খুব বেগ পেতে হবে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কিভাবে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবেন তা জানার আগে আগে জেনে নিন ওয়েবসাইটের ফিচার সম্পর্কে।

  • সম্পূর্ন ফ্রীতে ডাউনলোড করার সুবিধা।
  • বিভিন্ন পিকচার ভিডিও ডাউনলোড করার সুবিধা।
  • সাময়িকভাবে এড দেখার যন্ত্রনা খুবই কম এই ওয়েবসাইটে। অর্থাৎ এই ওয়েবসাইট এড দেখায় না বললেই চলে।
  • অডিও‌ বা 3gp ডাউনলোড করার সুবিধা দেয় এই ওয়েবসাইট।
  • আপনি চাইলে এই ওয়েবসাইটটি দিয়ে ইউটিউব এর পুরো একটি প্লেলিস্টের সব ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।
  • সহজে ব্যবহারযোগ্য।
  • দ্রুত ডাউনলোডিং স্পিড।
  • এখন আসি কিভাবে Btclud.com থেকে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবেন ?

। প্রথমে ইউটিউব অ্যাপস কিংবা ইউটিউব এর ওয়েবসাইটে আপনার পছন্দের ভিডিও তে গিয়ে ঢুকুন। তারপর সেখানে ভিডিও নিচের শেয়ার বাটন এ ক্লিক করুন। শেয়ার বাটন এ ক্লিক করার পর শেয়ার হওয়ার অপশন আসবে। সেখানে সবার উপরে বাম পাশে কোনায় কপি লিনক নামে একটি অপশন থাকবে। সেখানে ক্লিক করে ভিডিও লিংকটি কপি করে নিন।

। এরপর আপনি আপনার মোবাইলের যে কোন ব্রাউজার এ গিয়ে সার্চ বারে টাইপ করুন btclod.com । এরপর আপনার ব্রাউজারে একটি ইন্টারফেস ওপেন হবে যা দেখতে অনেকটা নিচের স্ক্রীনশটএর মত।

ইউটিউবে ভিডিও ডাউনলোড

উপরের স্ক্রিনশট টিতে যে ফাকা বক্সে দেখা যাচ্ছে সেখানে আপনার কপিকৃত লিংকটা পেস্ট করুন। এবং লিংক পেস্ট করার পর সার্চ বাটনে ক্লিক করুন। দেখবেন অটোমেটিক সেই ভিডিও আপনার মোবাইল বা ডেস্কটপ ইন্টারফেস এর সামনে হাজির হয়ে গেল। এখানে আপনাকে ভিডিওটি কনভার্ট করার মত অতিরিক্ত কাজটি করতে হবে না। লিংক দিয়ে সার্চ দেওয়ার পর অটোমেটিক সেই ভিডিওটি অডিও-ভিডিও হিসেবে কনভার্ট হয়ে আপনার সামনে আসবে। তো সার্চ বাটন এ ক্লিক দেওয়ার পর নিচের মত একটি ইন্টারফেস দেখাবে।

ইউটিউবে ভিডিও ডাউনলোড

এখান থেকে আপনি যেকোন ভিডিও পিক্সএল সিলেক্ট করতে পারবেন কিংবা অডিও বা mp3 সিলেক্ট করতে পারবেন। সিলেক্ট করে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলেই নিচের মত আরো একটি ইন্টারফেস দেখাবে।

ইউটিউবে ভিডিও ডাউনলোড

এখান থেকে “download now” এ ক্লিক করলেই আপনার পছন্দের ভিডিওটি ডাউনলোড হতে শুরু করবে। তো এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মাত্র তিনটি ক্লিক দিয়েই আপনি একটি ভিডিও ডাউনলোড করতে পারছেন।

আরো পড়ুন,

YT1S.COM

এটি বর্তমান সময়কার একটি জনপ্রিয় ডাউনলোড ওয়েবসাইট। তবে বিশেষভাবে এটিকে ইউটিউব এবং ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। অধিকাংশ youtube-video-downloader ওয়েবসাইট ইংরেজি হওয়া সত্বেও এই ওয়েবসাইটটি বাংলা ভার্সন প্রদান করে। যার ফলে যে কোন বাঙালি সেখানে গিয়ে খুব সহজেই ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

এই ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ ফ্রিতে ডাউনলোড করার সুবিধা প্রদান করে। যেহেতু ফ্রিতে ডাউনলোড করার সুবিধা দেয় তাই এখানে খুব বেশি পরিমাণে এড দেখায়। তবে চিন্তা করবেন না আমি আপনাদের একটা পদ্ধতি বলে দেব যার ফলে আপনি খুব সহজেই এবং খুব দ্রুত ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। আগে বলি এই ওয়েবসাইটটিতে ডাউনলোড করার সুবিধা গুলো কি কি?

  • এটি সম্পূর্ন ফ্রিতে ডাউনলোড সুবিধা প্রদান করে
  • সকল ধরনের ভিডিও ফরমেট সহ মোট চার ধরনের অডিও ফরমেট ডাউনলোড করার সুবিধা দেয়।
  • এই ওয়েবসাইটটি স্মুথ ডাউনলোড স্পিড দেয়।
  • মাত্র তিনটি ক্লিকেই একটি ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করা যায়।
  • ডাউনলোডকৃত ভিডিও বা অডিও ফাইল সরাসরি মেমোরিতে নিতে পারবেন।
  • ইউটিউব ভিডিওগুলোকে 3gp এবং অডিও তে রূপান্তরিত করে ডাউনলোড করা যায়।
  • এ ডাউনলোড ওয়েবসাইট ব্যবহার করে যত খুশি ততবার যেকোনো ধরনের ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করা যায়।

Yt1s.com থেকে কিভাবে ভিডিও ডাউনলোড করবেন?

১। প্রথমে ইউটিউব অ্যাপস কিংবা ইউটিউব এর ওয়েবসাইটে আপনার পছন্দের ভিডিও তে গিয়ে ঢুকুন। তারপর সেখানে ভিডিও নিচের শেয়ার বাটন এ ক্লিক করুন। শেয়ার বাটন এ ক্লিক করার পর শেয়ার হওয়ার অপশন আসবে। সেখানে সবার উপরে বাম পাশে কোনায় কপি লিনক নামে একটি অপশন থাকবে। সেখানে ক্লিক করে ভিডিও লিংকটি কপি করে নিন।

২। এরপর আপনার ফোন কিংবা ডেক্সটপ এর যেকোন ব্রাউজারে ঢুকতে হবে। ব্রাউজার এ ঢুকে সার্চ বারে টাইপ করুন yt1s.com । এরপর সেই ওয়েবসাইটে ঢুকে নিচের মত একটি স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

ইউটিউবে ভিডিও ডাউনলোড

ওয়েব সাইটে ঢোকার পর আপনার কপিকৃত লিংকটা যথাস্থানে paste করুন এবং convert লেখাটিতে চাপ দিন। এরপর আপনি আরেকটি ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। নিচে দেখুন,

ইউটিউবে ভিডিও ডাউনলোড

এখানে আপনাকে কিছু অপশন দিচ্ছে ভিডিও কনভার্ট করার জন্য। আপনি যদি ভিডিও টাকে mp4a না রেখে বিভিন্ন pixel এ নিতে চান কিংবা অডিও করে নিতে চান তাহলে mp4 video তে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর সেখানে পছন্দমত বিভিন্ন পিক্সএল থেকে একটি সিলেক্ট করে নিন। মনে রাখবেন mp4 ভিডিও তে ক্লিক দেওয়ার পর আপনাকে এই ওয়েবসাইট থেকে অন্য ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। আপনাকে অন্য ওয়েবসাইটে নিয়ে গেলে বুঝবেন যে আপনাকে অ্যাড দেখানো হচ্ছে। তাই সাথে সাথে ব্যাক বাটন এ ক্লিক করে আবার পূর্বের ওয়েবসাইট এ ফিরে আসবেন। এ ব্যাপারটি ঘটতে পারে প্রায় সব ক্ষেত্রেই। আপনি যখন প্রথমে লিংক পেস্ট করে কনভার্ট এ ক্লিক দিবেন তখনো আপনাকে অন্য ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। যখন ঐ কোন ওয়েবসাইটে নিয়ে যাবে আপনাকে তখন এই ব্যাক বাটন এ ক্লিক করে ফিরে আসবেন।

এরপর পছন্দমত পিক্সএল সিলেট করার get link ক্লিক করুন। আগের মতো এবারেও আপনাকে অন্য এক সাইটে নিয়ে যেতে পারে। তাই বিভ্রান্ত হবেন না আপনাকে কোন ওয়েবসাইটে নিয়ে গেলে সাথে সাথে ব্যাক বাটন এ ক্লিক করে পূর্বের ওয়েবসাইটে ফিরে আসবেন অর্থাৎ yt1s.com এ । get link এ ক্লিক করার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন এরপর আপনি দেখতে পাবেন কাঙ্খিত ডাউনলোড অপশন।

ইউটিউবে ভিডিও ডাউনলোড

এখানে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করলেই আপনি আপনার পছন্দের ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

Y2META.COM

এই ওয়েবসাইটটি এসপেশালি ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। আগের ওয়েবসাইটটির মতো এটিও বাংলা ভার্সনে তৈরি। এই ওয়েবসাইটটি একদম সাদামাটা ডিজাইন এবং যে কেউ খুব সহজে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবে।

আগের ওয়েবসাইটটির তুলনায় এই ওয়েবসাইটটিতে খুব সহজে ডাউনলোড করা গেলেও আগের তুলনায় এটি খুব বেশি এড দেখায়। তবুও এর তুলনামূলক কিছু ফিচার রয়েছে। নিচে কিছু ফিচারঃ আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো।

  • বিশেষভাবে সাধারণ লোকেদের জন্য মানসম্মত ডিজাইনে তৈরি করা ওয়েবসাইট এটি।
  • এটিতে ডাউনলোড করার জন্য কোন নিবন্ধন এর প্রয়োজন হয় না।
  • আগের ওয়েবসাইটটির মত এটিতে ভিডিওকে কনভার্ট করতে হয়না। অটোমেটিক কনভার্ট হয়ে আপনার সামনে বিভিন্ন পিক্সএল এ চলে আসবে।
  • স্মুথ ডাউনলোড স্পিড

Y2meta.com ডাউনলোডের ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবেন?

। আগের নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে আপনার পছন্দের ইউটিউব ভিডিওর লিংকটি কপি করতে হবে। সেজন্য অবশ্যই আপনাকে ব্রাউজার কিংবা ইউটিউব অ্যাপস ব্যবহার করতে হবে।

। পছন্দ ইউটিউব ভিডিওর লিংক কপি করার পর যে কোন একটি ব্রাউজার এ ঢুকে সার্চ বারে উপরি-উক্ত ওয়েবসাইটের লিংক টাইপ করুন এবং সেখানে প্রবেশ করুন। প্রবেশ করলে আপনি নিচের মত একটি ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।

ইউটুবে ভিডিও ডাউনলোড

এখানে আপনি আপনার পছন্দের ইউটিউব ভিডিওর লিংকটি পেস্ট করুন এবং ডান পাশে তীর চিহ্ন বাটনটিতে ক্লিক করুন। এরপর অটোমেটিক বিভিন্ন পিক্সএল এ ভিডিওটি রূপান্তরিত হয়ে আপনার সামনে আসবে। নিচে ইন্টারফেসটি দেখুন।

ইউটুবে ভিডিও ডাউনলোড

এরপর এখানে আপনি আপনার পছন্দের যেকোন পিক্সেলের ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। আপনি যেই পিকচারের ভিডিও ডাউনলোড করতে চান সেই পিক্সেলের ডানপাশের ডাউনলোড লেখাটিতে ক্লিক করুন। জেনে রাখবেন আগের মত এই ওয়েবসাইটটিতে আপনাকে অ্যাড শো করার জন্য অন্য ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। তাই বিভ্রান্ত না হয়ে, সামান্য একটু কষ্ট করে ব্যাক বাটন এ ক্লিক করলেই হয়ে যাবে।

ডাউনলোড লেখাটিতে ক্লিক করলে নিচের মত একটি পেজ আসবে।

এখান থেকে আবার ডাউনলোড লেখাটিতে ক্লিক করলেই আপনি আপনার ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

সফটওয়্যার দিয়ে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড।

আমাদের কথামত আমরা আপনাদের অতিরিক্ত টিপস হিসেবে তিনটি ওয়েবসাইট এর ঠিকানা বলে দিয়েছি। এখন আমি আমার মূল পোস্টের বিষয়বস্তু অনুযায়ী তিনটি সফটওয়্যারের নাম বলে দেব যেগুলো দিয়ে আপনি খুব সহজেই বিভিন্ন পিক্সেল এর ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড দিতে পারবেন। এই সফটওয়্যার গুলো মূলত ডিজাইন করা হয়েছে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য। তবে শুধু ইউটিউব ভিডিও যে এই ডাউনলোডার সফটওয়্যার গুলো দিয়ে ডাউনলোড করা যায় তা নয় বরং সব ধরনের ব্লক ওয়েবসাইট থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার সুবিধা প্রদান করে এই ডাউনলোডার সফটওয়্যার গুলো।

Snaptube Video Downloader

আমাদের তালিকার প্রথম ডাউনলোডার সফটওয়্যার হচ্ছে এটি। উল্লেখ্য যে আমাদের পরিচিত ভিটমেট ডাউনলোড সফটওয়্যার থেকেও এটি বেশি কার্যকরী। এটি ভিটমেট ডাউনলোডার সফটওয়্যার থেকে তুলনামূলক কম অ্যাড শো করে থাকে। নিচে এই স্নাপটিউব ভিডিও ডাউনলোডার অ্যাপ এর কিছু ফিচার তুলে ধরা হলো:

  • অতি সাধারন মানের ডিজাইন
  • আনলিমিটেড ডাউনলোড স্পিড
  • এড যন্ত্রণা খুবই কম
  • সব ধরনের ব্লক ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করার সুবিধা।
  • ইউটিউব ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম টুইটারসহ সব ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ডাউনলোড করার সুবিধা।
  • যেহেতু এটি একটি ব্রাউজার হিসেবে কাজ করে তাই এটির মাধ্যমে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইটে ঢুকে সেখানকার ভিডিও ডাউনলোড করা যায়।

Snaptube দিয়ে কিভাবে ভিডিও ডাউনলোড করবেন?

Snaptube দিয়ে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য এই সফটওয়ার টি আপনার ডিভাইসে ইনস্টল করা থাওতে হবে।কিন্তু যদি না থাকে তাহলে এই এপ্স টি ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিতে হবে।তবে দুঃখের বিষয় এই যে স্নাপ্টিউব এপ্স গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যায় না।

এই এপ্স টি অনেকের কাছে বিশ্বাস যোগ্য নাও হতে পারে।তবে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বলছি যে আমি এই এপ্স টি দীর্ঘদি যাবত ব্যবহার করে আসছি।আমার কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি এখনো।

আপনারা যারা snaptube ডাউনলোড করতে চান তারা এই লেখায় ক্লিক করুন।Download Snaptube 

ডাউনলোড করার পর ইনস্টল করে নিন। তারপর নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করুন।

১। যেহেতু আপনি ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবেন তাই আপনাকে খুব বেশী কিছু করতে হবে না। আগে এপ্সটি খুলে যে ইন্টারফেসটি দেখতে পাবেন তা নিচে,

 

এখানে স্কিনশট অনুযায়ী বামপাশের উপরের দিকে ইউটিউব এর লোগো দেখতে পাচ্ছেন। সেখানে ক্লিক করে আপনি ইউটিউব এ যেতে পারেন এবং সেখান থেকে আপনি সার্চ করে আপনার পছন্দের ভিডিও ডাউনলোড করতে পারেন।

অথবা ইউটিউবে গিয়ে আপনার পছন্দের ভিডিওর লিংক কপি করে এখানে যে সার্চ বার আছে সেখানে পেস্ট করে কাঙ্কিত স্থানে পৌছাতে পারেন। তবে সেই ভিডিও তে ঢুকার পর বাম পাশে নিচে একটি হলুদ রংয়ের ডাউনলোড বাটন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করে আপনি আপনার ইচ্ছামতো যেকোনো পিক্সএল এ ভিডিওটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

আরো পড়ুন

Vidmate VIDEO DOWNLOADER

এটিকে আমাদের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রাখলাম তুলনামূলক ফিচার কম থাকার কারণে। যদিও এটি বেশি অ্যাড দেখায় তবুও কেন জানি বাঙ্গালীদের কাছে এই সফটওয়্যারটি অধিক জনপ্রিয়। ডাউনলোড করার জন্য এই সফটওয়্যার বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

ভিটমেট দিয়ে কিভাবে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করব?

স্নাপটিউব এর মত এটি ও কাজ করে। এই ডাউনলোড দিয়ে ডাউনলোড করার জন্য অবশ্যই আপনাকে এটি ইন্সটল করতে হবে। এটি যদি ইনস্টল না থাকে তাহলে আপনাকে ইনস্টল করে নিতে হবে। তবে এই অ্যাপসের যে অরিজিনাল ভার্সন রয়েছে তা আপনি প্লে স্টোরে খুঁজে পাবেন না। তাই আপনাকে ভিটমেট অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ডাউনলোড করতে হবে। আপনারা যারা ডেক্সটপ ব্যবহার করেন তারাও এই সফটওয়্যারটি ভিটমেট অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ডাউনলোড করতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে আমি ভিটমেট অ্যাপস ডাউনলোড করার লিংক দিয়ে দিচ্ছি।Download vidmate apps 

ডাউনলোড করার জন্য যে পদ্ধতিতে আমি স্নাপটিউব এর বেলায় বলেছি ঠিক একই পদ্ধতি এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ভিটমেট অ্যাপস ইন্সটল করে ওপেন করতে হবে এবং ইউটিউব আইকন এ ক্লিক করতে হবে। তারপর ইউটিউবে ঢুকে আপনার পছন্দের ভিডিও সার্চ করে ডাউনলোড করে নিতে হবে। তবে আপনি যদি এভাবে না করে ইউটিউব থেকে লিংক কপি করে সার্চ বারে পেস্ট করেন তাও হবে। মূলত এই ভিটমেট এর আসল কার্যকারিতা হচ্ছে এটি খুব ভালোভাবে কনভার্ট করতে পারে।

YouTube go

এটি ইউটিউব এর অফিসিয়ালি দেওয়া একটি সফটওয়্যার যার মাধ্যমে বিশেষ কিছু অফিশিয়াল ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করা সম্ভব হয়। কিছু পরিমাণ অফিশিয়াল ভিডিও ডাউনলোড করা গেলেও অধিকাংশ অফিশিয়াল ভিডিও ডাউনলোড করা যায় না। তবে আপনারা যারা উপরিউক্ত ওয়েবসাইট এবং ডাউনলোডার গুলোকে ট্রাস্ট বা বিশ্বাস করতে পারছেন না তারা এই ইউটিউব এর অফিশিয়াল ডাউনলোডার সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে নিতে পারেন।

ইনস্টল করার জন্য আপনাকে প্লে স্টোরে যেতে হবে এবং ইউটিউব গো লিখে সার্চ দিলে কাঙ্খিত সফটওয়্যারটি পাবেন। অথবা আমাদের দেওয়া এই লিংকে ক্লিক করুন

আমাদের শেষ কথা,

আজকের এই পোস্টে আমি যথাসম্ভব চেষ্টা করেছি ইউটুবে ভিডিও ডাউনলোড করার পদ্ধতি সম্পর্কে জানাতে। এই পদ্ধতির অংশ হিসেবে আমি আপনাদের বলে দিয়েছি কিভাবে ওয়েবসাইট দিয়ে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করব? কিভাবে সফটওয়্যার দিয়ে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করব? ইত্যাদি । আশা করি আমাদের পুরো পোস্টটি তথ্যবহুল ছিল ।যদি কেউ মন দিয়ে এই পোষ্টটি পড়ে থাকে তাহলে সে নিশ্চয়ই ইউটিউব ভিডিও খুব সহজেই ডাউনলোড করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

আজকের মত এ পর্যন্তই। আমাদের এই পোস্টটি অবশ্যই শেয়ার করবেন। এবং ভালো থাকবেন।

১০+ ভালো ভালো গেমস | ডাউনলোড করুন একদম ফ্রিতে

আসসালামু আলাইকুম। ভালো ভালো গেমস ফ্রী তে ডাউনলোড করতে চান তাহলে আমাদের লেখা এই গেমস রিভিউ টি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এছাড়াও এই পোস্টটিতে আমরা দশটিরও অধিক ভালো ভালো গাড়ির গেম নিয়ে আলোচনা করব।

আপনারা অনেকেই বলেন যে ভালো ভালো গেম দাও অথবা আবার কেউ বলে ভালো ভালো গেম দেখাও তাদের জন্য আমি এই পোস্টটি লিখেছি। এখানে আমি গেম রিভিউ এর নিচে গেমটি ডাউনলোড করার লিংক দেব ।আপনারা সেখান থেকে গেম ডাউনলোড করতে পারবেন।

ভালো ভালো গাড়ির গেম

বর্তমানকালে এই যুগে যেহেতু ভার্চুয়ালি গেম খেলার প্রবণতা যেহেতু দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। তাই মানুষজন ভিন্ন ধরনের গেম এবং সেগুলো খেলতে শুরু করেছে। বর্তমান ট্রেন্ডিং গেম বলতে গেলে বলা যায় ফ্রী ফায়ার পাবজি কিংবা মর্ডান ওয়ারফেয়ার জাতীয় গেমগুলোকে বলা যায়।

কিন্তু জনপ্রিয় গেম শুধু এগুলোই হয়না আরো অনেক ধরনের গেম হয় যেমন রেসিং গেম, ফাইটিং গেম, মর্ডান কার্ড গেম, বিভিন্ন ধরনের ভেহিকেল গেমস ইত্যাদি। এজাতীয় অনেক গেম আছে যেগুলো লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছে তবে সেগুলো যদি সাধারন মানুষ খেলে তাহলে তারা অনেক মজা পাবে।

আজকে আমি সেই সব ভালো ভালো গেম ডাউনলোড করার লিংক দিব ।যেখান থেকে আপনার ডাউনলোড করতে পারবেন। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

Road warrior : nitro car battle

ভালো ভালো গেমস

আমাদের তালিকায় এদিকে প্রথম স্থানে রাখলাম। এর কারণ হচ্ছে এর এক্সট্রাঅরডিনারি ফিচার। অনেক ব্যয়বহুল গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে এই গেমে। বড় ধরনের গ্রাফিক্স ব্যবহার করা সত্ত্বেও এই গেমটি কে লাইট ওয়েট করা হয়েছে। মাত্র ১০৭ mb এই গেমটি, যা গ্রাফিক্স এর তুলনায় অনেক কম । এবং তুলনামূলক কম স্পেস খরচ করবে আপনার।

আপনারা গুগল প্লে স্টোরে road warrior nitro car battle লিখে সার্চ করলে প্রথমে যে গেমটি পাবেন সেটি হচ্ছে আপনার এই কাংখিত গেম। গুগল প্লে স্টোরে এই গেমটির রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে ৪.৮ , যা রেসিং গেম গুলোর মধ্যে এককভাবে সেরা বলা যায়।

এছাড়া সেখানে অনেক মানুষ গেমটির রিভিউ দিয়েছে সেগুলো দেখলে আপনারা বুঝতে পারবেন ,যে গেমটি সেরা গেম গুলোর মধ্যে একটি কিনা।

এটি মূলত মরুভূমির পরিবেশে তৈরি করা একটি গেম ।এই গেমটি রিলিজ করা হয়েছে 22 শে ফেব্রুয়ারি 2021 সালে। এবং এই গেমটি 10 লক্ষ বার ডাউনলোড হয়েছে।

জেনে নিন এই গেমটির সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে 1.4.3।

 

ডাউনলোড করুন।

Idle racing go: Clicker Tycoon & Tap race manager

ভালো ভালো গেমস ডাউনলোড

আমাদের তালিকায় এই গেমটি কে দ্বিতীয় স্থানে রাখলাম। এর রেটিং পয়েন্ট যদিও অন্যান্য গেমস গুলোর চেয়েও কম তবে এর দেওয়া রিভিউগুলো আপনাকে খেলার অনুপ্রেরণা যোগাবে। এ রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে ৪.১ । এই গেমটি একদম স্মুথ স্পিডের এবং লাইট ওয়েট। যাদের ফোনের স্পেস কম কিংবা রেম রম কম তাদের জন্য এই গেমটি একদম পারফেক্ট।

এই গেমটি আপনার ফোনের 98 এমবি এসপেস দখল করবে। এই গেমটি রিলিজ করা হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ এবং সর্বশেষ আপডেট করা হয় ৫ ই আগস্ট ২০২০ সালে। এবং সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে ১.২৭.২ । নিচে একটি রিভিউ এর স্ক্রিনশট দেওয়া হল।

গেমটি ডাউনলোড করুন গুগল প্লে স্টোরে সার্চ দিন, idle racing go

Top speed 2: Drag Rivals and Nitro Racing

আমাদের তালিকায় এই গেমসটি কে তৃতীয় স্থানে রাখলাম। ভালো ভালো গেমস এর তালিকায় এই গেমসটিও আছে। এ গেমসটির ফিচারর্ড় অত্যন্ত উন্নত মানের। তবে দুর্ভাগ্যবশত এই গেমসটি স্বাভাবিকের তুলনায় একটু বেশি অ্যাড শো করে থাকে।

গুগল প্লে স্টোরে এই গেমসটির রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে ৪.৩।

এই গেমসটি ২০১৯ সালের ১১ জুন এবং সর্বশেষ আপডেট করা হয় ১৪;জুলাই ২০২১ সালে। এই গেমসটির সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে ১.০২.০। নিচে এই গেমসটি কিছু রিভিউ এর স্ক্রিনশট দেওয়া হল।

Top speed 2: Drag Rivals & Nitro Racing ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

Asphalt 8 : Car Racing Game

আমরা তালিকায় এদিকে চতুর্থ স্থানে রাখলাম। এটি asphalt সিরিজের একটি অন্যতম জনপ্রিয় গেমস। আপনারা যারা গাড়ির গেম ভালো ভালো খুঁজেন তারা হয়তো জেনে থাকবেন asphalt হচ্ছে এমন একটা জনপ্রিয় সিরিজ যা ফ্রী ফায়ার কিংবা পাবজি কে টেক্কা দেওয়ার মতো গেমস।

যদি আমাদের দেওয়া এই গেমসটি অফ্লাইন গেমস এর ফিচার দিয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই গেমটির ফাইল হচ্ছে 121 এমবি । বুঝতেই পারছেন অধিক বিচার সম্পন্ন এবং লাইট ওয়েট হওয়ার জন্য আমরা এই গেমটি কে চতুর্থ স্থানে রেখেছি। আপনারা চাইলে গেমটি ইন্সটল করে খেলতে পারেন। আপনারা গুগল প্লে স্টোরে সার্চ করলেই এই গেমটি পেয়ে যাবেন।

এই গেমসটি রিলিজ করা হয়েছে 20 আগস্ট 2013 সালে এবং সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে 17 ই ডিসেম্বর 2008 সালে। এই গেমসটি সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে ৬.১.০g । মিছে এই গেমসটি রিভিউ গুলোর একটি স্ক্রিনশট দেওয়া হল।

 

গেমসটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

অবশ্যই পড়ুন,

 

Turbo racing 3D

আমার তালিকায় সর্বশেষ গেমসটি হচ্ছে এটি। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই গেমসটি অনেকদিন ধরে খেলেছি যদি গেমসটি অফলাইন এ খেলা যায়। এই গেমসটির গ্রাফিক্স অত্যন্ত উন্নত মানের। গুগল প্লে স্টোরে এই গেমসটি রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে 4.3।

এই গেমসটি 12 ই নভেম্বর 2014 সালে রিলিজ করা হয় এবং সর্বশেষ আপডেট করা হয় 30 আগস্ট 2021 সালে। এ পর্যন্ত এই গেমসটি 50 মিলিয়ান বারেরও বেশি ডাউনলোড হয়েছে।

আমার দেখা অফ্লাইন গেমস গুলোর মধ্যে এই গেমসটি এতবার ডাউনলোড হয়েছে তা কল্পনার বাহিরে। যদিও এই গেমসটির ফাইল স্পেস খুব কম মাত্র 18 এমবি। আপনার চাইলে এই গেমটির রিভিউ গুলো দেখতে পারেন ।নিচে একটি স্ক্রিনশট দেয়া হল।

 

গেমসটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

ভালো ভালো গেমস কিভাবে খুজবো?

সত্যিকার অর্থে কোন গেম কতটা সুন্দর সেটা লেখনীর মাধ্যমে বোঝানো খুব কঠিন বিষয় আপনারা যদি সত্যিকার অর্থে ভালো ভালো গেমস খুঁজে পেতে চান। তাহলে অবশ্যই গুগল প্লে স্টোর এর রেটিং পয়েন্ট দেখবেন। তারপর সেখানে দেওয়া গেমসের স্ক্রীনশট গুলো দেখবেন এবং গেমসটি কত বার ডাউনলোড করা হয়েছে সেটা দেখবেন।

আরেকটি বিষয় আপনাকে অবশ্যই খেয়াল করতে হবে গুগল প্লে স্টোরে নিচে দেওয়া রিভিউগুলো আপনার মান সম্মত কিনা সেটাকে যাচাই করে গেমস ডাউনলোড করবেন।

আসলে আমার দেওয়া এই ভালো ভালো গাড়ির গেম গুলো অনেক রিসার্চ করে আপনাদের দেওয়া হয়েছে।

এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য ভালো ভালো দৌড়ানোর গেমস

আপনার সাধারণত দৌড়ানোর গেম বলতে টেম্পল রান কে বুঝিয়ে থাকেন।কিন্তু আরো হাজারো টেম্পল রান এর মত গেম রয়েছে , যেগুলোতে থ্রিডি গ্রাফিক্স ব্যবহার করে দৌড়ানোর গেম খেলা যায়।এখন আমি সেরকম কয়েকটি গেম আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব। তো চলুন শুরু করা যাক।

Temple Run 2

দৌড়ানোর গেম টি কে প্রথম স্থানে রাখা হলো। এই গেমটি অত্যন্ত উচ্চ মানের গ্রাফিক্স দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে। গেমটি অফলাইনে খেলা যায় তা সত্ত্বেও সেখানে এত উঁচুমানের গ্রাফিক্স ব্যবহার করেছেন গেমস কর্তৃপক্ষ। এই গেমসটি যে পরিবেশে তৈরি করা হয়েছে সেটি একদম ভুতুড়ে টাইপের। এই গেমসটি আপনি খেললেই বুঝতে পারবেন যে গেমের চারপাশের পরিবেশ কতটা জাঁকজমকপূর্ণ।

আজকাল মানুষ এই গেমটি কে দৌড়ানোর গেম হিসেবে সেরা হিসেবে বিবেচনা করে নিয়েছে। কেন এই গেম সেরা যারা খেলেছেন তারাই ভালো জানেন। এই গেমটি খেলার জন্য অনেক ভালমানের মস্তিষ্কের দরকার। অর্থাৎ আপনি যত তাড়াতাড়ি রেসপন্স করতে পারবেন মানে আপনার মস্তিষ্ক যত তাড়াতাড়ি রেসপন্স করতে পারবে আপনার জন্য গেমসটি খেলা তত সহজ হবে। যদি তা করতে না পারে তাহলে গেমটি আপনার জন্য অসহ্যের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

এই গেমটি রিলিজ করা হয়েছে জানুয়ারি মাসের ২৩ তারিখ ২০১৩ সালে। এবং সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে ৫ এ জানুয়ারি ২০২২ সালে। এই গেমস এর ফাইল গুলো সর্বমোট ১৪০ এমবি স্পেস দখল করবে আপনার মেমোরি। এই গেমসটি ৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে এবং এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে ১.৮৪.০। নিচে গেমসে কিছু ফিচার দেওয়া হল।

  • সুন্দর নতুন গ্রাফিক্স
  • চমৎকার নতুন জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশ
  • নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ।
  • নতুন নতুন আরো অর্জন এর সুবিধা
  • প্রতিটি চরিত্রের জন্য বিশেষ ক্ষমতা

 

গুগল প্লে স্টোরে এই গেমসটি রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে 4.1। সেখানে প্রতিটি রিভিউ এ প্রায় সবাই ভালো কিছু লিখেছে গেমসটি সম্পর্কে। নিচে রিভিউ এর একটি স্ক্রিনশট।

Subway Princess Runner

আমাদের তালিকায় এই গেমসটিকে তৃতীয় স্থানে রাখলাম। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এই গেমসটি দৌড়াদৌড়ির গেম হিসেবে খেলেছি। অনেক আগেই দেখেছি গেমসটা কতটা চমৎকার।

যদি ভালো ভালো গেমস এর কথা বলা হয় তাহলে এই গেমসটিকে শীর্ষে রাখা যায়, এর আউটস্টানডিং পারফরমেন্স দেখে। এই গেমসটিতে আপনি দৌড়ানোর সাথে সাথে উড়তেও পারবেন। কয়েন সংগ্রহ করার জন্য আপনি ইউ আকৃতির একটি নল পাবেন, উড়ার জন্য রকেট পাবেন, এক্সট্রা স্পিড এর জন্যে আলাদা ফিচার থাকবে ইত্যাদি ইত্যাদি।

গুগল প্লে স্টোরে এই গেমসটির রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে ৪.০। এর দেয়া রিভিউ গুলো দেখতে পারেন আপনি, সাবাই প্রায় ভালো লিখছে। এই গেমসটি রিলিজ করা হয়েছে ২ জুন ২০১৭ সালে এবং আপডেট করা হয়েছে সর্বশেষ ৯ ডিসেম্বর ২০২১ সালে। এই গেমসটি ১০০ মিলিয়ন এর বারেরও বেশী ডাউনলোড করা হয়েছে। বুঝতেই পারছেন এটা কত পপুলার।

Gummy Bear Run: Endless Run

এটি দৌড়াদৌড়ির এক অসাধারণ গেমস।এই গেমসটি একটু চ্যালেঞ্জ বটে। এখানে আপনি দৌড়াদৌড়ির ক্ষেত্রে ঝাপতে পারবেন, ডানে বামে যেতে পারবেন, বিভিন্ন বাস ট্রাক এর উপর কিংবা নিচ দিয়ে যাওয়া যায় এই গেমসে। এখানাকার গ্রাফিক্স বেশ ভালোই।যদিও এই গেমসটি মাত্র ৪৫ এমবি জায়গা দখু করবে আপনার মেমরির। অর্থাৎ অন্যান্য গেমসের তুলনায় এটি অনেক কম স্পেসের ফাইল বহপ্ন করর।

আপনি গুগল প্লে স্টোরে Gurmy bear run লিখে সার্চ দিলে এই গেমসটি পাবেন।সেখানে একটু ঘুরাঘুরি করলেই বুঝতে পারবেন যে গেমস্টি কতো ভালো। গুগল প্লে স্টোরে এই গেমসটির রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে ৪.৪। এটি রিলিজ করা হয়েছে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে এবং সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ সালে। এ পর্যন্ত গেমসটি ৫ মিলিয়ন এর বেশী বার ডাউনলোড হয়েছে।

Minion rush : Running game

এই গেমসটি ও আমার মতে অনেক সুন্দর দৌড়োদৌড়ির গেম হিসেবে। এটি বিখ্যাত কোম্পানির গেম লফট এর তৈরি করা একটি গেমস। এ গেমস টি তে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ। যেমন, আপনি ফ্লাইওভার দিয়ে আকাশে উঠতে পারবেন ,আবার সুরঙ্গ দিয়ে মাটির নিচে দৌড়োতে পারবেন ।কিংবা এমনিতে আকাশে উঠতে পারবেন। সব মিলিয়ে এটি একটি অনন্য গ্রাফিক্স প্রদর্শন করে।

এ গেমস রিলিজ করা হয়েছে 13 ই জুন 2013 সালে এবং সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে 16 ডিসেম্বর 2021 সালে। এই গেমসটির ফলগুলো আপনার মেমোরি 92 এমবি স্পেস দখল করবে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এই গেমসটি 100 মিলিয়ন বারেরও বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে।

Street Chaser

এই গেমসটি কে আমি দৌড়াদৌড়ি গেম হিসেবে সর্বশেষ স্থানে রাখলাম। এই গেমসটি আমি খেলেছি। গেমস এর নিয়ম অনুযায়ী কেউ একজন আপনার ব্যাগ হাত থেকে নিয়ে ছুটে পালাবে। এবং আপনাকে সে চোরকে ধরতে হবে। চোরকে ধরার জন্য আপনার সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকবে সেগুলো পার করি আপনাকে চোরকে ধরতে হবে। চোরকে ধরতে পারলে আপনার মিশন শেষ।

গেমসটি এর পরিবেশ হিসেবে রেসিডেন্সি এলাকা ব্যবহার করা হয়েছে অনেক ভালোই। মাঝে মাঝে আমরা কি ফাঁকা রোড এ নিয়ে যাবে তবে বেশিরভাগ সময় আপনাকে রেসিডেনশিয়াল এলাকা দেখাবে।

এ গেমসটির গুগল প্লে স্টোরে রেটিং হচ্ছে 4.1। এই গেমসটি রিলিজ করা হয়েছে 10 ই অক্টোবর 2017 সালে এবং সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে 17 এপ্রিল 2001 সালে। গেমসটি 100 মিলিয়ন বারেরও বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে।

লেটেস্ট কনটেন্ট,

এন্ড্রোয়েড ফোনের জন্য ভালো ভালো গেমস

আমার দেওয়া উপরের সবগুলোই এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য প্রযোজ্য। সবগুলো গেমই টপ এবং ট্রেন্ডিং। তবে উপরের গেম গুলো সবগুলো দৌড়ানো গেম গাড়ির গেম

।নিচে আমি আরও কিছু ভালো ভালো গেমস আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি।

 

Airline Commander: Flight Game

এই এম স্টিল গ্রাফিক্স অত্যন্ত উন্নত মানের। গেমস আপনি অনলাইনে খেলতে পারবেন। আসলে এই গেমসটি হচ্ছে একটি ফ্লাইং গেম। যার মাধ্যমে আপনি যুদ্ধবিমান এবং বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে বিভিন্ন মিশন পরিচালনা করতে পারবেন। এই গেমস খেলার মাধ্যমে আপনি সত্যি কারের যুদ্ধের স্বাদ নিতে পারবেন , কথাটা হাস্যকর হলেও এর গ্রাফিক্স ততটা উন্নত মানের।

নিচে কিছু ফিচার তুলে ধরা হলো

 

  • ডজন ডজন এয়ারলাইনার: টারবাইন, একক ডেক বা ডাবল ডেক।
  •   বিশ্বের সমস্ত প্রধান বিমানবন্দরের দিকে হাজার হাজার রুট খোলার জন্য ট্যাক্সিওয়ে সহ কয়েক ডজন প্রধান হাব।
  •    শত শত বাস্তবসম্মত বিমানবন্দর এবং রানওয়ে। প্রতিটি অঞ্চল এবং বিমানবন্দরের জন্য HD স্যাটেলাইট ছবি, মানচিত্র এবং বিশ্বব্যাপী নেভিগেশন।
  •  হাজার হাজার বিভিন্ন পরিস্থিতি হ্যান্ডেল করতে হবে।
  •   রিয়েল-টাইম এয়ারক্রাফ্ট ট্র্যাফিক, বাস্তব এয়ারলাইন্স সহ, মাটিতে এবং ফ্লাইটে।
  •     উন্নত ব্যবহারকারীদের জন্য নেভিগেশন সহায়তা বা ফ্লাইট সিমুলেশন সহ সরলীকৃত ফ্লাইট সিস্টেম।
  •       বাস্তবসম্মত SID/STAR টেকঅফ এবং পুশব্যাক সিস্টেম, ট্যাক্সি চালানো এবং ডক করার সম্ভাবনা সহ ল্যান্ডিং পদ্ধতি।
  •        আপনি সেরা পাইলট প্রমাণ করার জন্য প্রতিযোগিতার মোড।
  •         সূর্য, চাঁদ, তারা এবং রিয়েল-টাইম আবহাওয়ার সাথে দিনের বিভিন্ন সময় বাস্তবসম্মত।
  •           কাস্টমাইজযোগ্য এয়ারলাইন লিভারি।

 

ইত্যাদি ইত্যাদি,,,,,,

 

Aces® Spades

আমার দেওয়া এই গেমসটি কার্ড গেমস। আপনার যারা কার্ড খেলতে ভালোবাসেন তাদের জন্য এই গেমটি সেরা। এই গেমসটি তো চারজন কার খেতে পারবে। সেটা হোক অনলাইন কিংবা অফলাইনে। আপনি চাইলে কম্পিউটারের সাথে ও কার্ড খেলতে পারবেন। যেহেতু এটা কার্ড গেমস তাই এর গ্রাফিক্স আপনার নাও ভালো লাগতে পারে। নিচে এই গেমসে কিছু ফিচার দেখিয়ে নিন।

 

  • 11টি অ্যানিমেটেড ভিক্টোরিয়ান যুগের চরিত্র
  •  5 টি কঠিন সেটিং সেটিংস
  •   19 আনলকযোগ্য অপসন।
  •  কাস্টমাইজযোগ্য বিডিং অপসন।
  •  কিভাবে খেলতে হয় তার গাইড ।

এই গেমসটি সাইজ 40 এমবি। গুগল প্লে স্টোরে এই গেমসটি রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে 4.2। এই গেমসটি রিলিজ করা হয়েছে 3 এপ্রিল 2012 সালে এবং সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে 11 ই নভেম্বর 2019 সালে। এই কার্ড গেমস টি সর্বমোট 5 মিলিয়ন বারের ও বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে।

আমাদের শেষ কথা,

এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের অনেক ভালো ভালো গেমস এর সন্ধান দিয়েছি। আর ভালো ভালো গেম ডাউনলোড করবেন কিভাবে তার লিংক দিয়ে দিয়েছি। আশা করি অনেক ভাল লেগেছে।

এছাড়াও আমি গাড়ির গেম ভালো ভালো কিছু আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। উপরে দেওয়া সবগুলো গেম ওই প্রায় ট্রেন্ডিং। জ্বালা বলেন ভালো ভালো গেম দাও কিংবা ভালো ভালো গেম দেখাও তাদের জন্য এই কনটেন্টটি যথেষ্ট যদি তাড়া ভালো করে পড়ে।

আজকে এ পর্যন্তই ।ভালো থাকবেন ।আসসালামু আলাইকুম।