Category: ইন্টারনেট টেক

ভিটমেট অ্যাপস ডাউনলোড

ভিটমেট সফটওয়্যার: অরিজিনাল ভিটমেট সফটওয়্যার ডাউনলোড

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা ভালো আছেন। আপনাদের চাওয়া অনুসারেই নিয়ে এলাম আজকের এই আর্টিকেলটি। অনেকেই ভিটমেট সফটওয়্যার ডাউনলোড করা নিয়ে প্রশ্ন করে থাকেন। ভিটমেট অ্যাপস কিভাবে ডাউনলোড করব ? , ভিটমেট সফটওয়্যার টা চাই !! কিংবা ভিটমেট সফটওয়্যার দাও!!! উপরোক্ত বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে আর্টিকেলটি আমি তৈরি করেছি। তবে বলে দেই এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ে কেবল আপনি আসল ভিটমেট সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারবেন। তো চলুন শুরু করা যাক।

ভিটমেট সফটওয়্যার

আমরা প্রতিনিয়তই ইউটিউব ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘোরাফেরা করি। সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘোরাফেরা করা মানেই সেখানে প্রতিনিয়ত আমরা নতুন নতুন ভিডিও সাথে পরিচিত হই। আর আমাদের অনেকেই সেই সব ভিডিও ডাউনলোড করতে পারিনা।

তবে আমরা যারা ডাউনলোডার এর সাথে পরিচিত হয়েছি তারা কমবেশি ডাউনলোড করে ফেলি। আবার অনেকেই এই সব ডাউনলোডার ডাউনলোড করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় পতিত হয়।

Vidmate Software হচ্ছে সেই রকমই একটি ডাউনলোডার সফটওয়্যার, যার সাহায্যে অডিও ভিডিও সহ সকল ধরনের ফাইল ডাউনলোড করা যায়। মজার ব্যাপার হলো এই ভিটমেট ডাউনলোডার সফটওয়্যার টি একই সাথে ব্রাউজার হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ আপনি যদি কোন ওয়েবসাইটের ভিডিও সহ ডাউনলোড করতে চান। তাহলে আপনি সেই ওয়েবসাইটে ভিটমেট অ্যাপস এর মাধ্যমে প্রবেশ করে আপনার পছন্দের ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

Vidmate apps হচ্ছে এরকম একটি জনপ্রিয় ডাউনলোডার সফটওয়্যার। এছাড়া ভিটমেট এর নতুন প্রযুক্তির দ্বারা আপনার ডাউনলোডকৃত প্রতিটি ফাইল কম্প্রেস করে ছোট করে আনবে। আপনি হয়তো অন্যান্য ডাউনলোডার দিয়ে কোন ভিডিও 20mb তে ডাউনলোড করতে পারবেন। কিন্তু সেই একই ভিডিও আপনি যদি ভিডমেট অ্যাপস দিয়ে ডাউনলোড করেন তাহলে আপনি কম্প্রেস প্রযুক্তির মাধ্যমে তা 15mb ডাউনলোড করতে পারবেন।

তবে সমস্যা হলো vidmate software download করতে হলে আপনাকে গুগল প্লে স্টোরের সাহায্য নেওয়া যাবে না। এজন্য আপনি পড়তে পারেন আমাদের এই আর্টিকেলটি।

অরিজিনাল ভিটমেট সফটওয়্যার

আপনারা হয়তো অনেকেই মনে করছেন অরিজিনাল ভিটমেট অ্যাপস ডাউনলোড করা বোধহয় খুবই কঠিন। তবে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করে বলছি ভিডমেট অ্যাপস টি ডাউনলোড করা খুবই সহজ। তবে এর অরিজিনাল ভার্শন গুগলে সার্চ করে আপনি পাবেন না।

ভিটমেট সফটওয়্যার অরজিনাল যদি ডাউনলোড করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই বিশেষ কয়েকটি পন্থা অবলম্বন করতে হবে। আপনি গুগল প্লে স্টোরে Vidmate Software Download for Andorid লিখে সার্চ করলে যেসব ভিটমেট অ্যাপস পাবেন তা কোনোটি ভিটমেট অফিশিয়াল অ্যাপস না ।

প্রথমত, আপনাকে গুগল প্লে স্টোরে সার্চ করা বন্ধ করতে হবে। গুগল প্লে স্টোর এর প্রত্যেকটি ভিটমেট অ্যাপসই fake apps . তাই আপনাকে এর থেকে সাবধান থাকতে হবে।

দ্বিতীয়তঃ আপনি গুগলে এক বিশেষ নিয়মে সার্চ করে পেতে পারেন। অভিনব পদ্ধতি এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি আপনাদের শিখিয়ে দেবো।

ভালো ভিটমেট সফটওয়্যার

ভিটমেট সফটওয়্যার
Vidmate software logo

উপরের যে লোগোটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি ভিটমেট এর অফিশিয়াল লোগো। ঠিক একই রকম লোগো আপনি গুগল প্লে স্টোরে Vidmate apps Download লিখে সার্চ করলে পাবেন। তবে সেগুলো কোনোটিই আসল ভিটমেট অ্যাপস না।

আসল ভিটমেট অ্যাপস পেতে হলে আপনাকে ভিটমেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে। এবং সেখানে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিতে হবে। তবে ভিটমেট এর একাধিক অ্যাপস নেই।

আপনি যদি ভিডিও ডাউনলোডার হিসেবে ভিটমেট কে রাখতে চান তাহলে কেবল এর লেটেস্ট ভার্সন ব্যবহার করতে হবে।

আরো পড়ুন,

download ভিটমেট সফটওয়্যার

ভিটমেট অ্যাপস টি ডাউনলোড করার জন্য আমরা নিম্নোক্ত কয়েকটি পদ্ধতি আপনাদের শিখিয়ে দেব। নিচে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ভিটমেট ডাউনলোড, ভিডমেট ডাউনলোড পিসি, জিও ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ভিটমেট ডাউনলোড লিংক দেওয়া হল।

উল্লেখ্য এই ভিটমেট অ্যাপস টি ডাউনলোড করার আগে পদ্ধতিটি ভাল করে পড়ুন।

 

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ভিটমেট সফটওয়্যার ডাউনলোড

Vidmate software download for Android: আমাদের অধিকাংশ অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে থাকে, তাই তাদের জন্য প্রথমে ভিটমেট অ্যাপস টি ডাউনলোড করার লিংক দিয়ে দিচ্ছি। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য ভিটমেট সফটওয়্যার ডাউনলোড করার জন্য নিম্নোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করুন।

ধাপ 1: ভিটমেট অ্যাপস ডাউনলোড করার জন্য প্রথমে আপনাদের vidmateapp.com এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

আপনারা আপনাদের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস দিয়ে যেকোনো ব্রাউজার এর সাহায্যে এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।

ধাপ 2: এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর আপনি নিচের স্ক্রীন এর মত একটি ” Download ” অপশন দেখতে পাবেন।

ভিটমেট অ্যাপস ডাউনলোড
Download vidmate apps

এই Download অপশন এ ক্লিক করে আপনি ভিটমেট অ্যাপস টি ডাউনলোড করে নিন। আপনার নেটওয়ার্ক ভাল থাকলে খুব কম সময় ডাউনলোড হয়ে যাবে।

ধাপ 3: ডাউনলোড হয়ে গেলে আপনাকে ইন্সটল দেওয়ার জন্য জানিয়ে দেওয়া হবে। এরপর আপনি ইনস্টল বাটনে প্রেস করে ইন্সটল করে নিবেন।

তবে যেহেতু এটি ” unknown source” থেকে ডাউনলোড করেছেন আপনি। তাই আপনাকে ” allow unknown source” করে নিতে বলবে। এজন্য আপনি সেখান থেকে সেটিংসে গিয়ে সরাসরি ” allow unknown source ” নামক এই অপশনটি চালু করে নেবেন।

এরপর ইনস্টল বাটনে ক্লিক করলে অটোমেটিক ইন্সটল হয়ে যাবে। এখন আপনি সেই অ্যাপস এ প্রবেশ করে আপনার ইচ্ছামতো যেকোনো ধরনের ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

আর যারা উপরিউক্ত পদ্ধতিটি ব্যবহার করে ভিডমেট অ্যাপস ডাউনলোড করা দুষ্কর মনে করেন, তারা নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে সরাসরি অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিন।

Download Android vidmate software

পিসি ব্যবহারকারীদের জন্য ভিটমেট অ্যাপস ডাউনলোড

vidmate download for pc: আপনারা যারা পিসি ব্যবহার করেন, দূর্ভাগ্যবশত তাদের জন্য আলাদা কোনো ভিডমেট সফটওয়্যার নেই। তাদের বিশেষ নিয়ম আনবলম্বন করে মিডমেট দিয়ে ভিডিও ডাউনলোড করতে হবে।

আর সেই পদ্ধতিটি হচ্ছে emulator. নিচে আমি দেখিয়ে দিচ্ছি কিভাবে আপনি emulator ব্যবহার করে ভিটমেট অ্যাপস চালাবেন।

Emulator ব্যবহার করে পিসিতে ভিটমেট ব্যবহারের নিয়ম?

ধাপ 1: সেরা একটি emulator সফটওয়্যার হচ্ছে bluestacks । শুরুতেই আপনাকে bluestacks অ্যাপস টি তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট bluestacks.com থেকে ডাউনলোড করে নিতে হবে।

মনে রাখবেন এটি এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন যার সাহায্যে আপনি যেকোনো ধরনের এন্ড্রয়েড গেমস চালু করতে পারবেন। যেহেতু vidmate.app সবচেয়ে একটি এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন তাই আপনি bluestacks ব্যবহার করে ভিটমেট অ্যাপস টি চালাতে পারবেন।

ধাপ 2: ডাউনলোড হয়ে গেলে আপনি এই অ্যাপসটি (bluestacks) ইন্সটল করে নিবেন আপনার পিসিতে।

তারপর আপনি অ্যাপটি ওপেন করলে নিচের মত একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন

ভিটমেট সফটওয়্যার পিসি ডাউনলোড

এরপর এপস টি থেকে বের হয়ে যে কোন ব্রাউজার ব্যবহার করে আপনাকে vidmateapp.com এই ওয়েবসাইট থেকে ভিডমেট অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস টি ডাউনলোড করে নিতে হবে।

ধাপ 3: এরপর উইন্ডোতে লাল রঙে দেখানো আইকনটিতে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর আপনি নিচের মত একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন।

Vidmate apps download for PC

এখানে আপনাকে সর্বশেষ ডাউনলোড করা ভিটমেট অ্যাপস টি সিলেক্ট করতে হবে। আপনি যদি অন্য কোন ফোল্ডারে ডাউনলোড করে থাকেন তাহলে সেই ফোল্ডারে গিয়ে ভিডমেট অ্যাপস টি সিলেক্ট করে নিবেন। এবং তারপর নিচের open লেখাটিতে ক্লিক করে ইন্সটল করে নিবেন।

ধাপ 4: ইনস্টল সম্পন্ন হলে আপনি bluestacks অ্যাপসটির উইন্ডোতে ভিটমেট সফটওয়্যারটির থামনেল দেখতে পাবেন। অর্থাৎ অ্যাপসটি ইন্সটল হয়ে গেছে।

ভিটমেট অ্যাপস

এবার vidmate.app থাম্বনেইল এ ক্লিক করে প্রবেশ করুন এবং সেখানে আপনার ইচ্ছামতো যেকোনো ভিডিও কিংবা অডিও বিভিন্ন পিক্সএল এ ডাউনলোড করুন।

জিও ফোনের জন্য ভিটমেট অ্যাপস ডাউনলোড

জিও ফোন ভাগ্যবশত সরাসরি কোন এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন সাপোর্ট না করলেও একটি পদ্ধতি ব্যবহার করে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন চালা যায়।

এজন্য জিও ফোনে নতুন করে আর একটি অ্যাপ্লিকেশন যার নাম OnmiSD , ইনস্টল করে নিতে হয়।

জিও ফোনের মাধ্যমে ভিটমেট চালানো ধাপগুলো:

  • প্রথমে আপনার ফোনের যেকোন ব্রাউজার থেকে গুগল সার্চ করে ডাউনলোড করে নিন ‌OmniSD application টি। এবং আপনার ফোনে ইন্সটল করে নিন।
  • এরপর আবার আপনার ফোনের ব্রাউজার ব্যবহার করে Vidmateapp.com এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ভিটমেট অ্যাপস টি ডাউনলোড করে নিন।
  • এরপর আপনার ফাইল ম্যানেজার এ যে ফাইলে ভিডমেট অ্যাপস ডাউনলোড করা আছে সেখানে ভিডমেট অ্যাপস টি সিলেক্ট করে OmniSD application এর মাধ্যমে ওপেন করুন।

এই পদ্ধতিটির মাধ্যমেই কেবল আপনি জিও ফোন দিয়ে ভিডমেট অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবেন।

আরো পড়ুন,

 

পুরাতন ভিটমেট সফটওয়্যার

আগের ভিটমেট সফটওয়্যার : আপনারা অনেকেই প্রশ্ন করেন, আগের ভিটমেট সপটার ডাউনলোড করব কিভাবে? তাদের জন্য নিয়ে এলাম এই উত্তরটি।

আমি নিচে একটি লিংক দিয়ে দিচ্ছি যার সাহায্যে আপনি 2018 সালের ভিটমেট অ্যাপস ডাউনলোড করতে পারবেন। পুরাতন ভিটমেট আসলে যারা অ্যান্ড্রয়েড টেন এর নিচে ব্যবহার করে তাদের লাগে।

সত্যি কথা বলতে এই পুরাতন ভিটমেট অ্যাপস অ্যান্ড্রয়েড 4 এর নিচে সাপোর্ট করবে না। তাই আপনাকে অবশ্যই এন্ড্রয়েড ৪ ওপরে ব্যবহার করতে হবে।

আপনি যদি আগের ভিটমেট অ্যাপস টি ডাউনলোড করতে চান তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করুন

Download older version of vidmate apps for Android

অরিজিনাল ভিটমেট সফটওয়্যার ডাউনলোড

আপনারা যারা অরিজিনাল ভিটমেট অ্যাপস ডাউনলোড করতে চান, তাদের আর কোন চিন্তা নেই।

অরিজিনাল ভিটমেট অ্যাপস কখনো গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যায় না। গুগল প্লে স্টোরে প্রত্যেকটি ভিটমেট অ্যাপস ভুয়া। এজন্য আপনি অরিজিনাল ভিটমেট ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

Download original vidmate software for free

কেন ভিটমেট এত জনপ্রিয়‌ ?

ভিডমেট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে অনেক মানুষের মনে। তবে তাদের জনপ্রিয়তা অনেক কারণ রয়েছে।

প্রথমত, ভিটমেট অ্যাপস ব্যবহার করে মানুষজন খুব দ্রুত গতির ডাউনলোড করতে পারছে।

দ্বিতীয়ত, অনেক কম মেগাবাইট খরচ করে কম্প্রেস প্রযুক্তির সাহায্যে ভিডিও ডাউনলোড করা সম্ভব হচ্ছে।

এছাড়াও ভিটমেট ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট ফেসবুক ইউটিউব কিংবা অন্য কোনো সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও ডাউনলোড করা যায়। এটি একই সাথে ডাউনলোডার এবং ব্রাউজার হিসেবে কাজ করে।

তাছাড়া অন্যান্য ডাউনলোডার এর চেয়ে এ ডাউনলোড আর্টি আপনার ফোনের কম স্পেস দখল করবে। আপনারা যারা 1 জিবি র্যাম এর নিচে কিংবা 1 জিবি র্যামের ফোন ব্যবহার করেন, তারা এই অ্যাপসটি ব্যবহার করলে সুবিধাজনক ফল পাবে বলে আশা করি।

 

পরিশেষে,

আশা করি আপনারা অরিজিনাল ভিটমেট সফটওয়্যার ডাউনলোড কিভাবে করবেন? এ সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝে গেছেন। পিসি কিংবা জিও ফোন অ্যান্ড্রয়েড প্রায় সব ধরনের ডিভাইসেই আপনি ভিডমেট অ্যাপস ব্যবহার করে ডাউনলোড করতে পারবেন।

আশাকরি আমার এই কনটেন্টে আপনাদের ভাল লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাদের বন্ধুর সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। এই আর্টিকেল সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।

 

সর্বশেষ লেখনি,

 

 

জন্ম নিবন্ধন যাচাই: অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার নিয়ম।

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই: আসসালামু আলাইকুম। বর্তমান যুগে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য জন্ম নিবন্ধন একটি অপরিহার্য সনদ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী এবং নতুন ভোটারদের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।


শুরু করার আগে বলি আমাদের এই কন্টেন্টের অধিকাংশ তথ্য Jonmo Nibondhon নামক ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পেতে আপনারা এই ওয়েব সাইটে ভিজিট করতে পারেন।


 

জন্ম নিবন্ধন এর ব্যবহার সম্পর্কিত বহুল আলোচিত বিষয় গুলো হচ্ছে: শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড বানানোর জন্য জন্ম নিবন্ধন এর ব্যবহার , ১৬ বছরের ঊর্ধ্বে সকলের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র‌ তৈরির জন্য জন্ম নিবন্ধন এর ব্যবহার , সকল ধরনের পাসপোর্ট , ভিসা , সরকারি কাজকর্ম শিক্ষা , প্রতিষ্ঠানে যোগদান , সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যোগদান ইত্যাদি কাজে জন্ম নিবন্ধন সনদের বহুল ব্যবহার রয়েছে।

তবে জন্ম নিবন্ধন সনদের বহুল ব্যবহার থাকলেও কেবলমাত্র যাদের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ আছে তারাই এ সকল ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করতে পারবে।

বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ নাগরিকের জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইন নয় । তবে এটা শুধুমাত্র একটা পরিসংখ্যান। দিন দিন অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের সংখ্যা বাড়ছে এবং হাতে লেখা জন্ম সনদের সংখ্যা কমে আসছে।

আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাদের বলব কিভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে হয় ? জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার পদ্ধতি সম্পর্কিত কথাবার্তা ছাড়াও এই কন্টেন্টে যা যা থাকছে:

আরো পড়ুন,

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই

আপনার জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার জন্য আপনাকে বাংলাদেশ সরকারের জন্ম নিবন্ধন বিষয়ক সরকারি ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এজন্য আপনার ইন্টারনেট সংযোগসহ যেকোনো একটি স্মার্ট ডিভাইস হলে চলবে। নিচে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার নিয়ম তুলে ধরা হলো:

Step-1:

প্রথমে আপনার মোবাইল ফোন ট্যাব কিংবা কম্পিউটারের যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করুন। তারপর ব্রাউজারের সার্চ বাড়ে এই লিংক টাইপ করুন https://everify.bdris.gov.bd/ । এটি একটি সরকারি ওয়েবসাইট যেখানে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার কাজ সম্পন্ন করা হয়।

উপরের লিংকে ঢোকা ছাড়াও আপনি আপনার ব্রাউজারে ” জন্ম নিবন্ধন যাচাই ” লিখে সার্চ করলেই প্রথমে এই ওয়েবসাইটটি পেয়ে যাবেন। ওয়েবসাইটের ঠিকানা https://everify.bdris.gov.bd/

উপরের দেওয়া লিঙ্ক এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে আপনি নিচের মতো ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই

উপরের স্ক্রিনশট এর মত একটি স্ক্রিন শুধুমাত্র মোবাইল ব্যবহারকারীরা দেখতে পাবেন। আপনি যদি কম্পিউটার ইউজ করে থাকেন তাহলে নিচের মত ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।

কম্পিউটার দিয়ে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই

Step-2: আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমি উপরের স্ক্রিনশটগুলোতে লাল চিহ্ন সম্বলিত ১ এবং ২ লিখে ফোকাস করেছি। উপরের স্ক্রিনশটগুলোর এক চিহ্নিত বক্সে আপনার ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নাম্বার প্রবেশ করান। আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদটি যদি একেবারে অনলাইন না হয় তাহলে আপনার জন্ম নিবন্ধন নম্বর ১৬ ডিজিট কিংবা তার কম হবে।

বিশেষ করে হাতে লেখা জন্ম নিবন্ধন সনদ গুলোর জন্ম নিবন্ধন নম্বর ১৬ ডিজিট বা তার কম হয়। তবে সেমি অনলাইন এবং অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ গুলোর জন্ম নিবন্ধন নাম্বার ১৭ ডিজিটের হয়।

১ চিহ্নিত প্রথম ঘরটিতে আপনার ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নাম্বার অবশ্যই নির্ভুলভাবে প্রবেশ করাবেন।

এরপর দুই চিহ্নিত স্থানে আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদে দেওয়া জন্ম সাল ভালোভাবে প্রবেশ করাবেন। অর্থাৎ তিন মাস তারিখ সব ঠিক রেখে নির্ভুলভাবে দ্বিতীয় চেক বক্সে এগুলো প্রবেশ করাবেন। মনে রাখবেন এই দুটি চেকবক্সে কোন রকম ভুল করলে আপনি পুরোপুরি আপনার জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে পারবেন না।

এরপর নিচে একটি ক্যাপচা দেখতে পারবেন।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই

এখানে ক্যাপচাতে যোগ বিয়োগ কিংবা গুন ভাগ এর গাণিতিক সমস্যা থাকে। এগুলো নির্ভুলভাবে পূরণ করে নেবেন।

এরপর” Search ” লেখায় ক্লিক করলে আপনি নিচের মত একটি স্ক্রিন দেখতে পাবেন। তবে এই স্ক্রিন টি তখনই দেখতে পারবেন যখন পূর্বের তথ্যগুলো সঠিকভাবে পূরণ করবেন।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই

তবে যাদের জন্ম নিবন্ধন সনদ সেমি অনলাইন অর্থাৎ অর্ধেক অনলাইন তাদের ক্ষেত্রে এরকম নাও আসতে পারে। তাই তাদের কাছে পরামর্শ থাকবে তারা যেন তাদের জন্ম নিবন্ধন সনদটি অনলাইন করে নেয়।

এক্ষেত্রে চিন্তার কোন কারণ নেই। একটু কষ্ট করে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম জেনে নিন।

 

Read more,

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই সম্পর্কিত প্রশ্ন?

 

অনলাইনে জন্ম সনদ যাচাই করার ওয়েবসাইট কোনটি?

অনলাইনে জন্ম সনদ যাচাই করার জন্য আপনাকে এই ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে https://everify.bdris.gov.bd/ । এটি মূলত বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত একটি ওয়েবসাইট যেখানে মানুষের জন্ম তথ্য গুলো হালনাগাদ করা হয়।

 

জন্ম নিবন্ধন সনদ যাচাই করার জন্য ক্যাপচা কিভাবে পূরণ করব?

আপনারা হয়তো লক্ষ্য করবেন যে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার সময় একটি ক্যাপচা পূরণ করতে হচ্ছে। অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে ক্যাপচা আসলে কি? সে বিষয়ে আলোচনা পরে একদিন করা যাবে।

তবে আপাতত এখন এটুকুই জেনে নিন যে যোগ বিয়োগ কিংবা গুণ ভাগ আকারে যে গাণিতিক সমস্যাটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি একটি ক্যাপচা। এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করতে পারলেই আপনি অনলাইনের জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে পারবেন।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার জন্য আপনাকে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করতে হবে। এরপর সেই কাগজপত্র গুলোর তথ্য ব্যবহার করে নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করেই আপনি আপনার জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে পারবেন । এ বিষয়ে বিস্তারিত এই কন্টেন্টে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তাই দয়া করে কনটেন্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন ।

জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইন কপি ডাউনলোড

জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট এর অনলাইন কপি ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে আগে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করে নিতে হবে। যাচাই করার পর আপনি কম্পিউটার ব্যবহার করে প্রিন্টারে আপনার জন্ম নিবন্ধনটি প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। কনটেন্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন

 

আমাদের শেষ কথা,

আশা করি আপনাদের অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার ও প্রিয়া বিষদ ভাবে বর্ণনা করতে সক্ষম হয়েছি। এরকম নিয়মিত আপডেট পেতে যুক্ত থাকুন আমাদের এই ওয়েবসাইটের সাথে। এই আর্টিকেল সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকলে নিজে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। সবাইকে ধন্যবাদ শেষ পর্যন্ত থাকার জন্য।

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব | নতুন আইডি কার্ড যাচাই ও ডাউনলোড করার পদ্ধতি

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব: আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের জানাতে এলাম আরেকটি আর্টিকেল। আর্টিকেল এর বিষয়বস্তু হচ্ছে “নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব” এ সম্পর্কে। নতুন আইডি কার্ড যাচাই করার নিয়ম সম্পর্কে অনেকেই অবগত নন। এই আর্টিকেলের আমি আপনাদের সম্পর্কে বিস্তারিত বলে দেব।

যদি আপনি যাচাই করার পর আপনার নতুন আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে চান তাহলে এই আর্টিকেল টি শেষ পর্যন্ত পড়ুন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হয় নতুন ভোটাররা।

আমাদের দেশের নতুন ভোটাররা বিশেষ করে যারা গ্রামে থাকে তারা টোকেন পাওয়ার পর অপেক্ষা করে নতুন আইডি কার্ডের জন্য। যতদিন তাদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আইডি কার্ড বিতরণ করে না, ততদিন তারা অভুক্ত অবস্থায় থাকে। কিন্তু তারা যদি তাদের টোকেন টি ব্যবহার করত তাহলে এতদিন অপেক্ষা করতে হত না।

অবাক করা বিষয় হলো আপনি আপনার টোকন টি ব্যবহার করে মাত্র কয়েক মিনিটেই আপনার নতুন আইডি কার্ড দেখতে পারবেন এবং ডাউনলোড করে ইচ্ছামত প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।

আমাদের এই আর্টিকেলে যা যা থাকছেঃ

  • নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব
  • নতুন আইডি কার্ড দেখার নিয়ম
  • জাতীয় পরিচয় পত্র অনুসন্ধান
  • নতুন আইডি কার্ড দেখার পদ্ধতি
  • নতুন আইডি কার্ড ডাউনলোড এবং প্রিন্ট
  • আইডি কার্ড অনুসন্ধান সম্পর্কিত সমস্যাবলি
  • আইডি কার্ড ডাউনলোড সম্পর্কিত প্রশ্ন

জাতীয় পরিচয় পত্র বা এনআইডি কার্ড (NID card) কি ?

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব: জাতীয় পরিচয় পত্র কে সংক্ষেপে এনআইডি কার্ড আইডি কার্ড বলা হয়। প্রথম দুটি শব্দ থেকে কি বোঝা যাচ্ছে যে এটি একটি পরিচয় সনদ ‌। এটি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি পরিচয় পত্র।

16 বছরের উর্ধ্বে সকল নাগরিকের জন্য এই আইডি কার্ডটি বাধ্যতামূলক সনদ। আপনার ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সরকারি বেসরকারি সকল কর্মকাণ্ডে আপনার পরিচয় হিসেবে এই আইডি কার্ডটি ব্যবহৃত হতে পারে।

আইডি কার্ড যে শুধু সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিচয় সনদ হিসেবে লাগে তা নয়। এটি পার্সোনাল ভেরিফিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। আপনি যখন অনলাইনে কোন গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্ট খুলবেন তখন এই আইডি কার্ড আপনার ভেরিফিকেশন হিসেবে কাজ করবে।

ধরেন আপনি একটি বিকাশ কিংবা নগদ একাউন্ট খুলতে চান। আপনি চাইলেও আপনার আইডি কার্ড ছাড়া এটি খুলতে পারবেন না। কেননা এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের নিরাপত্তা এবং আপনার সামগ্রিক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আপনার আইডি কার্ড ব্যবহার করে প্রথমে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। তার পরই কেবল আপনি আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবেন।

 আইডি কার্ডে যেসব তথ্য থাকে:

  •  নিজের নাম।
  •  বাবার নাম।
  •  মায়ের নাম।
  •  স্বামীর নাম:(মেয়ে হলে)
  •  স্ত্রীর নাম: (ছেলে হলে)
  •  গ্রাম , মৌজা, পোস্ট অফিস, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা।
  •  জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর।
  •  জন্ম তারিখ ইত্যাদি।

আইডি কার্ড তৈরি করার পূর্ব শর্ত সমূহ

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব:   বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আপনার আইডি কার্ড তৈরি করা একান্ত কর্তব্য এবং বাধ্যতামূলক। তবে আইডি কার্ড তৈরি করার জন্য কিছু শর্ত মানতে হয়। যেমন আপনার বয়স 16 বছর হতে হবে। আপনার দেওয়া তথ্যগুলো নির্ভুল হতে হবে।

আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার বিভিন্ন সনদ গুলো আইডি কার্ড তৈরি করতে ব্যবহার করতে হবে। যেমন জেএসসি সনদ, এসএসসি সনদ, এইচএসসি সনদ ইত্যাদি।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কাগজগুলো হচ্ছে আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ, বাসার হোল্ডিং নম্বর, বিদ্যুৎ বিলের কাগজ, আপনার পিতা-মাতার জন্ম সনদ, পিতা-মাতার আইডি কার্ড ইত্যাদি।

একজন নতুন ভোটার যখন উপরিক্ত কাগজগুলো এবং প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দিয়ে তার ভোটার ফরম পূরণ করে এবং ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করার জন্য তার জমা দেয় তখন তাকে কয়েক মাস পর একটি টোকেন দেওয়া হয়।

এই টোকেন দিয়ে মূলত নতুন আইডি কার্ড বের করা যায়। আমি যদি নিজ থেকে এই টোকেন ব্যবহার করে আইডি কার্ড নাও তুলেন তবুও সমস্যা নেই। আপনাকে টোকেন দেওয়ার পর বলে দিবে কোনদিন আপনাকে প্রিন্ট করা আইডি কার্ড দেওয়া হবে।


পড়তেই থাকুন, নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব

আরো পড়ুন,


নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব:  আপনি যদি নতুন ভোটার হন অর্থাৎ খুব সম্প্রতি আপনি নতুন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তাহলে আপনি নির্বাচন কমিশন থেকে একটি টোকেন পেয়েছেন।

কিংবা আপনি যদি আইডি কার্ড পেয়ে থাকেন এবং সেটি অনলাইনে আছে কিনা সেটা অনুসন্ধান করতে চান তাহলে এক্ষেত্রে আপনার আইডি কার্ডে দেওয়া আইডি নাম্বার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন আইডি কার্ড দেখা কিংবা যাচাই করার তিনটি পদ্ধতি রয়েছে:

  • নির্বাচন কমিশন, পৌরসভা কিংবা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে আইডি কার্ড যাচাই কিংবা দেখা।
  • টোকেনে দেওয়া ফরম নাম্বার ব্যবহার করে আইডি কার্ড দেখা।
  • জাতীয় পরিচয় পত্র দেওয়া আইডি নম্বর ব্যবহার করে আইডি কার্ড দেখা।

আপনি যদি নির্বাচন কমিশন, পৌরসভা কিংবা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে জান, তাহলে তারা সেখানে আপনাকে পূর্ণাঙ্গ সহায়তা করবে।

তা আপনাকে কিছু তথ্য দিতে বলবে। সে তথ্যগুলো আপনি দিলে তারা আপনাকে খুব সহজেই আপনার আইডি কার্ড দেখাতে পারবে।

আর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পদ্ধতিটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। আজকের এই আর্টিকেলটি দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পদ্ধতির উপর লিখা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আপনি ফরম নাম্বার এবং জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র আইডি কার্ড দেখতে পারবেন এবং ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইট হচ্ছে services.nidw.gov.bd

নতুন আইডি কার্ড দেখার পদ্ধতি

step-1: নির্বাচন কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে নিবন্ধন।

প্রথমে আপনি আপনার মোবাইল , কম্পিউটার বা ল্যাপটপের যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করুন। ব্রাউজার ওপেন করে নির্বাচন কমিশনের সরকারী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।

আপনি সরাসরি services.nidw.gov.bd এই লিংক থেকে যেতে পারেন। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর আপনি নিচের মত একটি স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব

স্পিডের শুরুতেই দুটি অপশন দেখতে পাচ্ছেন। প্রথম দিতে বলা হচ্ছে রেজিস্টার করুন এবং অন্যটিতে বলা হচ্ছে আবেদন করুন।

উল্লেখ্য যে আপনি একজন ভোটার অর্থাৎ আপনি আবেদন ইতোপূর্বে করেছেন ।

আপনাকে নতুন করে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার জন্য “রেজিস্ট্রার করুন” বাটন এ ক্লিক করুন।

রেজিস্ট্রার করুন বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মত একটি স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখবো

এখানে প্রথমে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর অথবা ফর্ম নম্বর প্রবেশ করাবেন। যেহেতু আপনি এখনো জাতীয় পরিচয়পত্র পান  নিয তাই এখানে আপনি ফর্ম নম্বরটি ব্যবহার করুন।

আপনার কাছে যে টোকেনটি আছে সেটিতে ফর্ম নাম্বার উল্লেখ করা আছে।‌ এনআইডি কার্ডের জন্য ছবি তোলার পরে আপনাকে যে টোকেনটি দেওয়া হয়েছিল সেটিতেই ফর্ম নাম্বার আপনি পাবেন।

ফোন নাম্বার প্রবেশ করানোর পর নিজে আপনার জন্ম তারিখ নির্ভুলভাবে প্রবেশ করাবেন। জন্ম তারিখ প্রবেশ করার পর নিচে একটি ক্যাপচা দেখতে পাবেন। ক্যাপচাতে যা লেখা আছে ক্যাপচার নিচের ঘরে তা হুবহু প্রবেশ করাবেন। এরপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করবেন।

সাবমিট বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মত একটি স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখবো

এই ধাপে আপনাকে আপনার স্থায়ী ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানা ব্যবহার করতে হবে। আপনার ঠিকানা যাচাই করার জন্য এই ধাপে নির্ভুলভাবে সবগুলো তথ্য ইনপুট করুন।

স্থায়ী ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানা যদি একই হয় তাহলে সেভাবে প্রবেশ করান। অর্থাৎ আপনারা নতুন এনআইডি কার্ড করার সময় যে ঠিকানা গুলো প্রদান করেছিলেন সেই ঠিকানা এখানে প্রবেশ করান।

ঠিকানা প্রবেশ করার পর পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

পরবর্তী বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মতো আরও পে স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখবো

এই ধাপে আপনাকে একটি মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে যেটিতে একটি এসএমএস আসবে। এই এসএমএস এর মধ্যে একটি কোড থাকবে যা দিয়ে পরবর্তীতে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ এটি টু স্টেপ ভেরিফিকেশন এর মত একটি সিস্টেম।

মোবাইল নম্বরটি দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

পরবর্তী বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মতো আরও ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখবো

এখানে একটি কোড ইনপুট অর্থাৎ প্রবেশ করানোর কথা বলা হচ্ছে। আপনি এর আগে যে নাম্বারটি দিয়েছিলেন সে মোবাইল নাম্বারটিতে একটি এসএমএস যাবে। এসএমএসে প্রাপ্ত কোড এই ধাপে ইনপুট করে বহাল বাটনে ক্লিক করুন।

বহাল বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মত একটি স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখবো

ধাপ 2: এনআইডি ওয়ালেট অ্যাপস এর মাধ্যমে ফেস ভেরিফিকেশন

এখানে আপনাকে ফেস ভেরিফিকেশন এর কথা বলা হচ্ছে। অর্থাৎ আপনি যে এনআইডি কার্ড এর ফরম নাম্বার দিয়ে একাউন্টটি তৈরি করছেন সেই nid কার্ড আপনার কিনা তা যাচাই করার জন্য এই ধাপে আপনাকে ফেস ভেরিফিকেশন করতে হবে।

এখন আপনি আপনার ব্রাউজারটি এই অবস্থায় রেখে বের হয়ে আসেন ।

ফেস ভেরিফিকেশন করার জন্য আপনাকে প্রথমে গুগল প্লে স্টোর থেকে NID Wallet সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিতে হবে।

ইনস্টল করার পর আবার ব্রাউজার ওপেন করে একই পেজটিতে আসেন। পেজের নিচের দিকে লাল রংয়ের গোলাকার বড় একটি বাটন দেখতে পাবেন যেখানে লেখা আছে tap to open NID wallet . এ বাটনে ক্লিক করবেন। তারপর এনআইডি ওয়ালেট অ্যাপস টি সি সিলেক্ট করে নিবেন।

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখবো

এর পরে এনআইডি ওয়ালেট অ্যাপসটিতে ঢুকার নিচের স্ক্রিনে নির্দেশিত বাটনে ক্লিক করবেন।

nid card download

এরপর আপনার ফেস ভেরিফিকেশন করার জন্য তিন ধরনের সেলফি তুলতে হবে। প্রথমে আপনার ফেস এর সামনের অংশ। তারপর ডালের অংশ এবং তারপর বামের অংশ এভাবে তিনটি সেলফি তুলে নিবেন।

এভাবে সেলফি নেওয়ার পর ওকে বাটন আসবে আপনি সেখানে প্রেস করবেন।

এরপর অটোমেটিক নিচের মত একটি ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। যদি দেখতে না পান তাহলে ব্রাউজার এ গিয়ে আবার সেই পেজটি অপেক্ষা করুন।

এখানে আপনি আপনার ছবি দেখতে পাচ্ছেন।

এরপর এখানে আপনাকে পাসওয়ার্ড সেট করতে বলছে। অর্থাৎ পরবর্তীতে যদি আপনি আবার যাচাই কিংবা ডাউনলোড করতে চান তাহলে পাসওয়ার্ড এবং ইউজারনেম ব্যবহার করেই আপনি এ কাজটি করতে পারবেন।

পরবর্তীতে এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য আর ফেস ভেরিফিকেশন করতে হবে না।

এজন্য সেট পাসওয়ার্ড বাটনে ক্লিক করুন।

সেট পাসওয়ার্ড বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মত একটি স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

Nid card and set password

এখানে একটি ইউনিক ইউজারনেম ব্যবহার করুন এবং একই ধরনের পাসওয়ার্ড দুইবার ব্যবহার করে আপডেট বাটনে ক্লিক করুন। আপডেট বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মতো একটি স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

Nid card download and jachai

ধাপ-৩: এন আইডি কার্ড ডাউনলোড

এখানে আপনার সকল ধরনের তথ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। এই স্ক্রিনের শেষ পর্যায়ে ডাউনলোড নামক একটি বাটন আছে। ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলেই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র টি বা এন আই ডি কার্ড টি ডাউনলোড হবে পিডিএফ আকারে।

এই pdf ফাইলটি প্রিন্ট করে নিয়ে বাঁধাই করলেই সেটি হয়ে যাবে আপনার এন আইডি কার্ড।

পরবর্তীতে আপনার এনআইডি কার্ড টি যদি হারিয়ে যায় তাহলে আবার এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আপনার আইডি কার্ড ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।

আপনি যেহেতু ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড সেট করে রেখেছেন তাই পরবর্তী সময়ে এই ওয়েবসাইটে ঢোকার পর পাসওয়ার্ড এবং ইউজারনেম প্রদান করে আপনি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।


পড়তেই থাকুন, নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখবো


এনআইডি কার্ড দেখব, যাচাই ও ডাউনলোড সংক্রান্ত প্রশ্নাবলী ।

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখবো এবং যাচাই করবো ?

এর আইডি কার্ড যাচাই করার জন্য প্রথমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে এনআইডি কার্ড ব্যবহার করে একটি একাউন্ট খুলে চেক করে নিতে হবে। চেক করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করেন।

আইডি কার্ড যাচাই করার পর কিভাবে ডাউনলোড করব?

যাচাই করে ডাউনলোড করার জন্য আপনি একটি ডাউনলোড বাটন পাবেন। ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড হয়ে যাবে।

প্রতিবন্ধী আইডি কার্ড যাচাই কি অন্যভাবে হয়?

প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা ভাবে কোন আইডি কার্ড যাচাই পদ্ধতি নেই। যদি প্রতিবন্ধী কেউ এন আইডি কার্ডের আবেদন করে থাকে কিন্তু এন আইডি কার্ড যদি না পায় তাহলে সে টোকেনে প্রাপ্ত ফরম নাম্বার ব্যবহার করে তার এন আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবে এবং প্রিন্ট করে নিতে পারবে।

ভোটার আইডি কার্ড যাচাই কোন ওয়েবসাইটে করতে হয়?

ভোটার আইডি কার্ড যাচাই করার জন্য আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে। সরকারি ওয়েবসাইটের লিংক হচ্ছে এটি services.nidw.gov.bd

ডিজিটাল আইডি কার্ড যাচাই কিভাবে করব ?

ডিজিটাল আইডি কার্ড যাচাই করার জন্য প্রথমে আপনি নির্বাচন কমিশনার সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন এবং সেখানে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে আপনার আইডি কার্ড ডাউনলোড এবং যাচাই করে নিতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করার জন্য সর্বনিম্ন কত বছর বয়স হওয়া লাগে ?

আপনার বয়স যদি ১৬ বছর হয় কিংবা এর উপরে হয় তাহলে আপনি নিশ্চয়ই জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করতে পারবেন। তবে যতদিন আপনার বয়স ১৮ হবে না ততদিন আপনি ভোট দেওয়ার জন্য উপযোগী হবেন না।

জাতীয় পরিচয় পত্র যাচাই করার জন্য কি কি কাগজপত্র লাগে?

জাতীয় পরিচয় পত্র বা এনআইডি কার্ড যাচাই করার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর কিংবা সব নম্বর এবং জন্মতারিখ লাগে। এছাড়া আর অন্য কোন কাগজ কিংবা তথ্য দরকার হয় না। তবে যাচাই করণ পদ্ধতির শেষের দিকে ফেস ভেরিফিকেশন করতে হয়

জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করতে কি কি কাগজপত্র লাগে ?

ছেলে এবং মেয়ে হলে: নিজের অনলাইন অর্থাৎ ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি, পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, নিজের শিক্ষাগত কোন সার্টিফিকেটের ফটোকপি কিংবা ইংরেজি নাম সম্বলিত প্রবেশপত্র বা রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি এবং সর্বশেষ বাড়ির বিদ্যুৎ বিলের একটি কাগজ।

বাড়ির বউ হলে: উপরিউক্ত সকল ধরনের কাগজ সহ বিয়ের কাবিননামা অথবা কাবিননামা না থাকলে স্থানীয় মেম্বার অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য দ্বারা স্বাক্ষরকৃত একটি প্রত্যয়ন পত্রের ফটোকপি। এ প্রত্যয়ন পদ্ধতি হচ্ছে আবেদনকারী নির্দিষ্ট বাড়িতে বউ হিসেবে আছে কিনা সেটি যাচাই সম্বন্ধে।

একজন লোক কি দুটি আইডি কার্ড তৈরি করতে পারবে ?

একজন লোক কখনোই দুটি আইডি কার্ড তৈরি করতে পারবে না।আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করার পর ছবি তোলার সময় তারা আমাদের চোখ-মুখ সহ নানা প্রত্যঙ্গের ছবি তুলে স্ক্যান করে নেয় ।

যদি কোন লোক দ্বিতীয়বারে স্ক্যান করতে যায় তাহলে সে ধরা পড়বে। অর্থাৎ এটি অবৈধ বলে গণ্য হবে।

আমাদের শেষ কথা,

আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন আমাদের এই টপিক ” নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব | নতুন আইডি কার্ড যাচাই ও ডাউনলোড করার পদ্ধতি ” সম্পর্কে। আমাদের এ টপিক সম্পর্কে যদি কোন মন্তব্য থাকে তাহলে নিচের কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন। আর দয়া করে জানাবেন আমাদের এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো ?

প্লে স্টোরে ইনস্টল করবেন কিভাবে? প্লে স্টোর কি?

প্লে স্টোরে ইনস্টল করার পদ্ধতি এবং প্লে স্টোরের ইতিহাস সম্পর্কে খুটিনাটি তথ্য এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনার জানাতে যাচ্ছেন। যারা এন্ড্রোয়েড মোবাইল ব্যাবহার করেন তারা প্লে স্টোর সম্পর্কে প্রায় সবায় যানেন।

প্লে স্টোর এর মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন বা এপস ডাউনলোড করতে পারি।প্লে স্টোর যে আমাদের শুধু প্রয়োজনীয় জিনিস প্রদান করে থাকে তা নয়। প্লে স্টোর আমাদের অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস ও প্রদান করে থাকে। 

প্লে স্টোর কি?

প্লে স্টোর হচ্ছে গুগল কতৃক একটি প্লাটফর্ম এর নাম। এর বর্তমান নাম হচ্ছে গুগল প্লে স্টোর।গুগল তার এন্ড্রোয়েড ব্যাবহারকারীদের সুবিদার্থে ২০০৮ সালে এটি বাজারে ছাড়ে।এই প্লাটফর্ম তৈরির মূল উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে এপ্লিকেশন দিয়ে গুগলের নিজস্ব একটি ভান্ডার তৈরি করা।

যেহেতু এখানে এপ শেয়ার করাহট এবং শধুমাত্র এন্ড্রোয়েড ব্যাবহারকারীরা এটা পেত, তাই এর পূর্ব নাম ছিল এন্ড্রোয়েড স্টোর। কিন্তু বর্তমানে এটির নাম পরিবর্তন করে গুগল প্লে স্টোর করা হয়েছে। 

গুগল প্লে স্টোরে কি পাওয়া যায়?

২০২০ সালের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, গুগলে প্লে স্টোরে ২.৮ মিলিয়ন এপ্লিকেশন আছে। গুগল প্লে স্টোরে যে শুধুমাত্র এপ্লিকেশন পাওয়া যায় তা ঠিক না।এখানে মুভি, গান, বই,টিভি ইত্যাদি পাওয়া যায়।

তবে গুগল এটিকে এপ্লিকেশন এর জন্য বেশী গুরুত্ব দেয়।আপনি বলতে পারেন? গান কথায় পাবো? আপনি আপনার ফোনের প্লে স্টোর ওপেন করেন। তার থ্রি ডট অথবা নিজের ইমেইল এর উপর ক্লিক করেন।

এরপর লাইব্রাবিরে যান। এবং দেখেন এখানে গান কিংবা টিভি এর জন্য অপসন আছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক ভাবে আমাদের দেশে এসব সুবিধা পাওয়া যায় না।পেমেন্ট এর ভেজাল এবং সরকারী জটিলতার কারনে আমরা এই ফিচার দেখতে পাই না।

২০১৮ সালের আগ পর্যন্ত এটিতে ফ্রি মিউজিক সহ দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু ইউটিউব আসার পর এই ফ্রি মিউজিক গুলোকে ইউটিউবে স্থানান্তর করা হয়। এবং পরবর্তীতে ইউটিউবকে ফ্রি করা হয়।

আরোও পড়ুন

প্লে স্টোর এপ ডাউনলোড করবো কিভাবে?

প্লে স্টোর হচ্ছে গুগল কতৃক এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যাবহারকারীদের জন্য এপ্লিকেশন স্টোর। আমারা জানি এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মালিক গুগল নিজেই।

এবং এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। সাধারণত প্রায় প্রত্যেক এন্ড্রোয়েড ফোনে প্লে স্টোর এপ থাকে। কিন্তু এটি ওপেন সোর্স হয়ার কারণে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এটির ডেভেলপ করেছে।

তাই প্রায় সব ফোনে পাওয়া গেলেও কিছু কিছু ফোনে পাওয়া যায় না। যেমন, huwei, nokia ইত্যাদি।

এসব কোম্পানী নিজেরা একটি এপ স্টোর তৈরি করে এপ সেবা দিয়ে থাকে। তাই তারা তাদের ফোনে গুগল প্লে স্টোর রাখে না।

আমি মেনুয়ালী প্লে স্টোর ইন্সটল করার পদ্ধতি বলছি। প্লে স্টোর যেহেতু একটি এপ তাই আপনাকে এটা ডাউনলোড করতে হবে। নিচে ডাউনলোড লিংক দেয়া হলো।

download play store

ডাউনলোড করে আপনি ইনস্টল করে নিন। 

কোনো এপ্লিকেশন গুগল প্লে স্টোরে ইনস্টল দেয়ার নিয়ম।

আমার দেয়া লিংক এর এপটি কিংবা আপনার ফোনের গুগল প্লে স্টোর এপটি চালু করুন। সর্বশেষ ভারসন অনুযায়ী নিচে স্ক্রিনসট এর মতো ওপেন হবে, যদি আপনার মেইল দিয়ে সাইন ইন করা থাকে। প্লে স্টোরে ইনস্টল

 

আর যদি সাইন ইন করা না থাকে তাহলে সাইন ইন করতে হবে।

গুগল প্লে স্টোরে সাইন ইন করার নিয়ম 

আপনি যখন গুগল প্লে স্টোরে প্রথমবার প্রবেশ করবেন তখন সাইন ইন নামক এক অপসন মাঝ স্কিনে দেখা যাবে। সেখানে ক্লিক করুন এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।

এখানে একটু সময় নিতে পারে, যার নেট স্পিড যেমন তার তেমন সময় লাগবে এই অপসন পাস করার জন্য।

এর পর আপনার মেইল একাউন সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করলেই কাজ প্রায় শেষ। আর আপনার ফোনে যদি মেইল একাউন্ট করা না থাকে তাহলে ওখান থেকে লগ ইন করতে হবে কিংবা নতুন মেইল একাউন্ট তৈরি করতে হবে।

সেখানে প্রথমে মেইল এড্রেস দিতে হবে এবং এরপর পাসওয়ার্ড দিতে হবে। তার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেই আপনার প্লে স্টোর এর ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।

গুগল প্লে স্টোরে কিভাবে সার্চ করবো?

গুগল প্লে স্টরে সার্চ করা খুব সহজ।আপনি প্রায় যেকোনো বিষয় নিয়ে সার্চ করে সেই সম্পর্কিত এপ খুজে পেতে পারেন। নিচের স্ক্রিনশট টি দেখুন।

 

সার্চ বারে ক্লিক করলেই আপনার কিবোর্ড ওপেন হবে। এছাড়াও এখানে আরো ভিন্ন অনেক অপশন আছে যেখানে কেটাগরি ভিত্তিক এপ পেতে পারেন। আপনি চাইল শুধুমাত্র গেমস এপ্লিকেশন গুলো দেখতে পাবেন। চাইলেই আপনি developers choice এর এপ্লিকেশন গুলো দেখতে পাবেন। এটি সম্পূর্ণ একটি ফ্রি প্লাটফর্ম। নিচে স্ক্রিনশট গুলো দেখুন।

 

এপ ইনস্টল দেয়ার নিয়ম? কিভাবে এপ ইন্সটল দিবো?

মনে করেন গুগল প্লে স্টোর ওপেন করার পর আপনি যেকোনো কিছু সার্চ দিলেন। আমি নিজস্ব একটি পদ্ধতি দেখাচ্ছি। ধরেন আমি “adobe scan” লিখে সার্চ দিলাম।তারপর আপনি নিচে স্ক্রিনশট এর মতো দেখতে পাবেন।প্লে স্টোরে ইনস্টল দেয়ার নিয়ম

 

এবং এখান থেকে আপনাকে ইনস্টল বা “install” লেখায় ক্লিক করতে হবে। এরপর গুগল এপটিকে দেখবে যে এপটি ইনস্টল করার জন্য আপনার ফোন যথাযোগ্য কিনা।

দেখা শেষ হয়ে গেলেই ডাউনলোড হওয়া শুরু করবে। ডাউনলোড হয়ে গেলে অটোমেটিক ইনস্টল হয়ে যাবে। এই হলো প্লে স্টোরে ইনস্টল দেয়ার নিয়ম। আপনি চাইলে যেকোনো কিছু সার্চ দিয়ে প্লে স্টোরে ইনস্টল করতে পারেন।

প্লে স্টোরে এপ আপডেট দেয়ার নিয়ম? কিভাবে প্লে স্টোরে এপ আপডেট করবো?

প্লে স্টোরের পুরাতন ভারসন অনুযায়ী একটি থ্রি ডট অপসন থাকে। কিন্তু সর্বশেষ ভারসন অনুযায়ী থ্রি ডট এর পরিবর্তে মেইল এর প্রোফাইল পিকচার শো করে। নিচে মতো করে।

আপনি এখানে ক্লিক করে “my apps and games” এ যান। সেখানে আপনার পুরো এপ্লিকেশন এর চার্ট শো করবে।

সেখানে কোন এপ্লিকেশন গুলো আপডেট প্রয়োজন আর কোনটার প্রয়োজন নেই সেটাও আপনি দেখতে পাবেন। আপনি যদি সবগুলো এপ্লিকেশন একবারেই আপডেট করতে চান তাহলে “upadate all” এ ক্লিক করুন। তাহলেই হয়ে যাবে।

Read more,

 

গুগল প্লে স্টোরের কিছু সাধারণ সমস্যা

আপনার প্রশ্ন হতে পারে উপরের সব কথায় আমি ফলো করেছি কিন্তু এখনো ডাউনলোড হচ্ছে না। তাহলে এর কি কোনো সমাধান আছে। অবশ্যই আছে। আপনি আপনার গুগল প্লে স্টর এপের সেটিং চেক করুন এবং সেখানে setting>network preference এ যান। এখানে আপনার একটু সমস্যা হতে।

আপনার হয়তো “over data only” , কিংবা, “over wifi only” দেয়া আছে। তাই হচ্ছে না। নিচের স্ক্রিনশট এর মত করে আপনার ফোনেও করে নিন।প্লে স্টোরে ইনস্টল

 

এরপর যদি না হয় তাহলে আপনার প্লে স্টোর এপের ক্যাশে মেমোরি ক্লিয়ার করুন। এরপরো যদি না হয় তাহলে আপনি প্লে স্টোরে ইনস্টল দেয়ার এপে অর্থাৎ প্লে স্টোর এপ্লিকেশনের পুরো স্পেস ডিলিট করে পুনোরায় প্লে স্টোর মেইল দিয়ে খুলুন। অবশ্যই অবশ্যই হবে।

প্লে স্টোর সম্পর্কে ভিন্ন কিছু কথা

প্লে স্টোর “প্লে প্রোটেক্ট” নামে একটি সেবা দেয়া হয় ফ্রিতে। যেটা আপনার ফোনের সকল এপ্লিকেশন কে ঝুকিমুক্ত করে। এক কথায় আপনি যে এপটিকে প্লে স্টোরে ইনস্টল দিবেন সেটাকে যাচাই করে তারপর আপনার ফোনের জন্য প্রস্তুত করবে।

আরোও বিশদ ভাবে বলতে গেলে বুঝায় “প্লে প্রোটেক্ট” এমন এক টুল যেটা দিয়ে কোনো এপকে চেক করা যায় যে এটাতে মালওয়ার কিংবা ক্ষতিকারক কোনো কোডিং আছে কিনা।

যদি থাকে তাহলে গুগল এটিকে আপনার ফোনে ইনস্টল হতে দিবে না। এটা অনেক বড় ধরনের সেবা, যেটা গুগল ফ্রিতে দিয়ে থাকে। এছাড়াও আপনি যখন বাইরের ইন্টারনেট থেকে কোনো কিছু ডাউনলোড করবেন, সেখানে কোনো কিছু নিরাপত্তা থাকে না।

আপনি মালওয়ার কিংবা ভাইরাস দিয়ে আক্রান্ত হলেও হতে পারেন।তাই আমি গুগল ব্যবহার করে কোনো এপ প্লে স্টোরে ইনস্টল করার পরামরর্শ দেই। এছাডাও গুগল প্লে স্টোর এর এপটিতে আছে ডার্ক মোড নামক এক অপশন।

আমাদের শেষকথা,

আমাদের এই পোষ্টে প্লে স্টোরে ইনস্টল দেয়ার নিয়মের পুরো ব্যাখ্যা কেমন লাগলো। এরপরও প্লে স্টোরে ডাউনলোড আপ্প ইনস্টল দিতে যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে আমাদের অবশ্যই জানাবেন। প্লে স্টোরে ইনস্টল download দেয়ার জন্য আমাদের পুরো সাহায্য আপনাদের জন্য থাকবে। ইনস্টল প্লে স্টোরে দেয়া খুব সহজ। পোষ্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন।

 

 

পাকিস্তানি গান ডাউনলোড করতে চাই | পাকিস্তানি গান

আপনি যদি পাকিস্তানি গান ডাউনলোড করতে চান তাহলে এই পোষ্টটি একটু কষ্ট করে দেখুন। খুব বেশি সময় লাগবে না। আজকাল প্রায় অনেক মানুষ গুগলে সার্ভ করে পাকিস্তানিদের গান ডাউনলোড করার জন্য।

তাদের কথা চিন্তা করে আজকের এই পোষ্ট। এছাড়াও যারা পাকিস্তানি ভিডিও গান দেখতে চান তাদের জনে এই পোষ্ট। আমি এখানে কিছু গান আপলোড দিবো আপনারা চাইলে দেখতে কিংবা ডাউনলোডও করতে পারেন।

এছাড়াও আমি কিছু ওয়েবসাইটের লিংক দিবো এবং কিছু Apps শেয়ার করবো যাতে আপনারা সেখান থেকে exciting  কিছু পাকিস্তানী গান গুলো পেতে পারেন এবং পাকিস্তানী গান ডাউনলোড করতে পারেন।

সেরা ৫ টি পাকিস্তানী গান ডাউনলোড করুন

এটি একটি পাকিস্তানি ডাবিং সিরিজের একটি গান।তুরস্কের দিসিলিস আর্তুগুল সিরিজ যখন পাকিস্তান সরকার কতৃক ডাবিং হয় ঠিক তখনে সেই ডাবিং সিরিজের জন্য একটা থিম সং এর প্রয়োজন হয়। তখন এই গানটি তৈরি করা হয়। এয় গানের নাম Bigri Banaye wale এবং এই গানটির গায়িকা হিসেবে  ছিলেন Gulaab। যিনি দেখতে অনেকটাই  সুদর্শন।নিচে গানটি দেয়া হলোঃ

ডাউনলোড করুন, Bigri Banane Wale

ডাউনলোড করতে এখানে চাপুন


আমাদের দেয়া পরের গানটি হবে সবার পরিচিত।মূলত এই গানের গায়িকা এক ছোট্ট বাচ্চা মেয়ে।আমরা হয়ত কেউ কেউ তার নাম জানি আবার কেউ কেউ নাও জানতে পারি।

ছোট্ট এই গায়িকার নাম khirad Jahra Shigri 

তার পাকিস্তানী গান আমাদের কাছে খুবই প্রিয়।তার একালে গাওয়া সবচেয়ে ট্রেন্ডিং গানটি হচ্ছে Hasbi Rabbi Jalallah । এই গানটি বিশেষ করে ছোটোদের নজর কেড়ে নিয়েছে। নিচে গানটি দেয়া হলোঃ

ডাউনলোড করুন, Hasbi Rabbi Jalallah

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের তালিকায় তৃতীয় গানটি হচ্ছে একজন ইসলামিক গায়ক। তার পরিচিতি পুরো বিশ্ব জুড়ে।

যদিও আমাদের দেশে তার নাম খুব একটা পরিচিত না। তার নাম হচ্ছে Junaid Jamshed।  তার এই গানটির নাম হচ্ছে Mera Dil Badal De।তার এই গানটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। নিচে গাওনটি দেয়া হলোঃ

ডাউনলোড করুন, Mera dil Badal de

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের তালিকার চতুর্থ গানটি Atif Aslam এর কন্ঠে গাওয়া। তিনি একালের হিন্দি এবং উর্দু ভাষার শেরা গায়কদের একজন।তার গাওয়া অনেক হিন্দি গান এখনো পপুলার রয়ে গেছে।

তার এ গানটির টাইটেলঃ Tajdar -e-Haram

নিচে তার এই গানটির ভিডিও দেয়া হলোঃ

ডাউনলোড করুন, Tajder-e-Haram

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন


শেষ গানটি দেয়া হলো একদম একটি চমকপ্রদ গান। এই পাকিস্তানি গান শুনে নাই এমন লোক এর সংখ্যা নাই বললে চলে।

এই গানের নাম Allahu Allah।  আপনারা ইউটিউবে সার্চ করলে এই গানটির অফিসিয়াল গান নাও পেতে পারেন। কিন্তু আমরা সংগ্রহ করে দিয়েছি।

এই বিখ্যাত পাকিস্তানিদের গানের গায়িকা হলেন Aima Baig নামের একজন মহিলা। নিচে গানটি দেয়া হলোঃ

ডাউনলোড করুন, Allahu Allah

এই পাকিস্তানী গান ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন


পাকিস্তানী গান ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট

এ পর্যায়ে আমরা পাকিস্তানিদের গান ডাউনলোড করার কিছু ওয়েবসাইট শেয়ার করব। যেখন থেকে আপনারা,  আপনাদের পছন্দের গানটি খুব সহজে ডাউনলোড করতে পাবেন।

এসব ওয়েবসাইটে আপনি শুধু অডিও গান পাবেনই না সাথে থাকছে বিভিন্ন পিক্সেলে ভিডিও।এবং তাদের ভিডিও কোয়ালিটি অনেক ভালো মানের।

এসব পাকিস্তানিদের গান ডাউনলোডর ওয়েবসাইট শুধু নিজেদের ভিডিও উপস্থাপন করে না,  তারা টুলের মাধ্যমে ইউটিউব, ভিমো, ইনস্ট্রাগ্রাম, ফেসবুক, এমনকি বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ভিডিও ডাউনলোড করার সুবিধা সহ প্রদান করে। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাকঃ

Soundclod.com

Sound cloud হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক প্লাটফর্ম। এখান থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন গান শুনে। যেহেতু এটি আন্তর্জাতিক প্লাটফর্ম তাই এখানে পাকিস্তানি গান সবসময়  available থাকে।

এখান থেকে আপনি শুধু গান শুনতে পারবেন।এটার চমকপ্রদ বিষয় হচ্ছে এখান থেকে খুব কম ইন্টারনেট স্পিডে গান শুনা যায়।

এখান থেকে গান শুনার জন্য যা যা করতে হবেঃ

এখান থেকে গান শুনতে হলে অবশ্যই আপনাকে রেজিষ্টার করতে হবে। কেননা সাউন্ড ক্লাউড কতৃপক্ষ রেজিষ্টার করা ছাড়া গান শুনতে দেয় না।

রেজিষ্টার করার জন্য সাইন-আপ বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপর ইমেইল চাইবে সেখান থেকে ইমেইল সেলেক্ট করে নিতে হবে তারপর পাসওয়ার্ড তৈরি করে নাম দিতে হবে। এখন আপনার একাউন্ট ওপেন হয়ে গেলো কিন্তু যদি ইমেইল ভেরিফাই না করেন তাহলে আপনার একাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই যথাসম্ভব দ্রুত ভেরিফাই করে নিবেন।

অবশ্যই পড়ুন,

  1. কম দামে ভালো ফোন এর কিছু তালিকা
  2. প্লে স্টোরে ইনস্টল দেয়ার নিয়ম
  3. পদার্থ কাকে বলে? পদার্থ কি? পদার্থ কত প্রকার?

Ganna.com

এটি ভারতীয় একটি সাইট যেখানে হিন্দি এবং উর্দু গানের স্টক বিশাল পরিমাণে আছে। হাইকোয়ালিটি মিউজিক,  প্রিমিয়াম ভার্সন,  এড ফ্রি ভার্সন, বিভিন্ন পিক্সেলের ভিডিও দেখার সুবিধা ইত্যাদি।

পাকিস্তানি গান ডাউনলোড
ganna.com

দূর্ভাগ্যবশত আমাদের লিস্টের এই সাইটেও গান ডাউনলোড করা যায় না।আর নিজের মেধা খাটিয়ে এখান থেকে ডাউনলোড করা যায় তবে সেটা সময় সাপেক্ষ। তাই বলছি না।

এখান থেকে খুব সহজে গান শুনা যায় কারণ এখানে পাকিস্তানী গান শুনার জন্য রেজিষ্টার করা লাগে না।যেমনটা আমরা আগের সাইটে করেছিলাম।

Youtube.com

আমাদের পাকিস্তানিদের গান ডাউনলোডার ওয়েবসাইটের তালিকায় ইউটিউবকেও রাখতে হচ্ছে। ইউটিউব যদিও শুধুমাত্র গান ডাউনলোড করার সুবিধা দেয় না,  এটি একটি ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট। আমরা যদি ইউটিউবে পাকিস্তানী গান লিখে সার্চ করি তাহলে নিশ্চয়ই আমরা পাকিস্তানী গান গুলো শুনতে পাবো।

ইউটিউবের অফিসিয়াল এন্ড্রোয়েড এপ এ আমরা ডাউনলোড করার সুবিধা খুব একটা পাই না। তাছাড়া ধীর গতির ইন্টারনেটে এটি সুবিধাজনক ডাউনলোড স্পিড দিতে পারে না। তাই আপনাকে ইউটিউব মুড এপ ডাউনলোড করতে হবে।

ইউটিউব এমন এক খোলা প্লাটফর্ম যেখানে প্রায় সব ধরণের গান ফ্রিতে পাওয়া যায়।কোনো গান সর্বপ্রথম রিলিজ হয়ার আগে সেই কম্পানী গানটি ইউটিউবে শেয়ার করে।এভাবে ইউটিউবে গানের ভান্ডার দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে। আপনি যেকোনো ধরনের পাকিস্তানী  গান ইউটিউবে পাবেন।

তবে কিছু কিছু গান আপনি ইউটিউবে নাও পেতে পারেন কেননা এগুলো কিছুদিনের জন্য প্রিমিয়াম করা হয়,  অর্থাৎ তারা কেবল টাকা নিয়ে গান শেয়ার করে। কোনো সমস্যা নেই,  আপনি আমাদের দেয়া প্রথমের সাইটটিতে যাবেন।  সেখানে অনেক প্রিমিয়াম পাকিস্তানিদের গান ফ্রিতে পাওয়া যায়।

Mp3download.to

পাকিস্তানি গান ডাউনলোডর ওয়েবসাইট
Mp3download.com

এটি ব্যাক্তিগতভাবে আমার পছন্দের একটি ওয়েবসাইট। এখান থেকে যেকোনো ধরনের গান যেকোনো পিক্সেলে ডাউনলোড করা যায়।সাধারণত কোনো গান ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে কোনো ওয়েবসাইট কিংবা ডাউনলোডএ এর এর প্রয়োজন হয়। এয় প্রয়োজন পূরণ করতে আসছে mp3download.to

কিন্তু এই ওয়েবসাইটে সাধারণের তুলনায় একটু বেশি এড দেখায়। একটু বিলে রাখি আমি যে,  আপনি যখন গান ডাউনলোড করবেন তখন যদি কোনো এড আসে তাহলে আপনাকে ব্যাক বাটনে চাপ দিয়ে পেছনে ফিরে আসতে হবে।আবার আপনি বুঝতেও পাবেন না যে আপনাকে এড দেখানো হচ্ছে।যখন আপনি দেখবেন যে,  আপনাকে mp3download.to  থেকে অন্য ওয়েবসাইটে নিয়ে ঢুকিয়েছে বুঝবেন যে আপনাকে এড দেখানো হচ্ছে। সাথে সাথে ব্যাক করতে হবে।

পাকিস্তানী গান ডাউনলোড করার এপ

পাকিস্তানিদের গান ডাউনলোড করার জন্য আলাদা কোনো এপ আমি খুজে পাই নি। খুজে পেলে আমি এখানে শেয়ার করে দিবো।তবে যারা পাকিস্তানী গানের ভক্ত তারা যদি একটু কষ্ট করে তাহলে তারা সফল হয়ে পারবে।

আমি দুইটা সেরা এপ আপনাদের কাছে শেয়ার করবো যেগুলো ব্যাবহার করে আপনারা কোনো সমস্যা ছাড়া দিন রাত পাকিস্তানী গান শুনতে পাবেন। তবে সেগুলো প্লে  স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে হবে।

SpotifY Music

বর্তমান কালের সেরা মিউজিক সফটওয়্যার এটি,  এখান থেকে দিন রাত মানুষ গান শুনে। তবে এর ফ্রি ভার্সন খুব একটা ভালো না। কিন্তু আপনি যেহেতু পাকিস্তানি গান খুজছেন তাই এখান থেকে অবশ্যই পাবেন।

পাকিস্তানী গান গুলো খুব একটা প্রিমিয়ামহ হয় না। তাই এই প্লাটফর্ম থেকে আপনি খুব সহজে আপনার লক্ষ্যে পৌছাতে পারেন। প্লে স্টোরে ইনস্টল করার লিংক নিচে দেয়ে হলো।

Download Spotify

Snaptube Downloader

Snaptube হলো এমন এক এপ যার সাহায্যে আপনি যেকোনো,  বলতে যে লিংক গুলো ব্লক সেগুলোর ভিডিও সহ আপনি ডাউনলোড করতে পাবেন। আমি নিজেই এই ডাউনলোডার ব্যাবহার করি।

snaptube downloader ব্যবহারের সুবিধা অনেক বলতে অনেক। অনেকে হয়তো ভিডিও কিংবা গান ডাউনলোড করার জন্য আলাদা কোনো ডাউনলোডার যেমন vidmate ইউজ করে।  কিন্তু আমি বলি vidmate এর চেয়ে snaptube হাজার গুণে ভালো।

vidmate apps এ ঘন ঘন এড দেখায় কিন্ত স্নাপটিউব এপটিতে কোনো এড দেখায় না। এছাড়াও এই এপে আপনি খুব ভালো মানে স্পিডে পাকিস্তানি গান ডাউনলোড করতে পাবেন। এর যে ভিডিও কোয়ালিটি পুরাই অস্থির মানের। অনেক কম ইন্টারনেট খরচ করে স্নাপটিউব থেকে ভিডিও অডিও ডাউনলোড করা যায়।

snaptube appsআপ্পস ডাউনলোড করতে গুগলে গিয়ে snaptube apps download লিখে সার্চ দিতে হবে। প্রথম সাইটাই তাদের অফিসিয়াল। সেখানে গেলেই আপনি ডাউনলোড লিংক পাবেন। আর যদি এত কষ্ট করতে না চান তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন।

Download Snaptube Official appapp

আজকে এখানেই শেষ। এটা ছিলো আমাদের একটা awesome একটা আর্টিকেল। ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।

Related Posts,

keywords,

  • পাকিস্তানী গান ঝাকানাকা
  • পাকিস্তানি ডিজে গান
  • পাকিস্তানি আইটেম গান
  • পাকিস্তানি হিন্দি গান
  • পাকিস্তানি বাংলা গান
  • পাকিস্তানি আইটেম গান ভিডিও
  • পাকিস্তানী গান দাও
  • ভিডিও পাকিস্তানি গান
  • পাকিস্তানি হট গান
  • পাকিস্তানি হিট গান
  • পাকিস্তানি ভিডিও গান mp3
  • পাকিস্তানি গান চাই
  • পাকিস্তানের ডিজে গান
  • পাকিস্তানি ডিজে গান 2020
  • পাকিস্তানি ডিজে গান ডাউনলোড
  • পাকিস্তানি ভিডিও গান চাই

 

গুগল ট্রান্সলেট: গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ করব কিভাবে?

গুগল ট্রান্সলেট কি : গুগল ট্রান্সলেট হচ্ছে গুগলের একটি পরিষেবা। এই পরিষেবা কে,  কেউ কেউ গুগল ট্রান্সলেটর বা ইংরেজিতে সংক্ষেপে “google tre” বলে থাকে। সাধারণভাবেই এটি অন্য সব ট্রান্সলেটর টুলের মত অনুবাদ করে থাকে। তবে যদি এটি শুধু সাধারণ অনুবাদ যন্ত্রের মত অনুবাদ ই করত তাহলে এর জনপ্রিয়তা এত শীর্ষে উঠত না!!! আমাদের পুরো আর্টিকেল জুড়ে থাকছে গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ সহ এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। সংক্ষেপে বলি, এই আর্টিকেলের যা যা থাকছে:

  • গুগল ট্রান্সলেট কি?
  • গুগল ট্রান্সলেট ইংলিশ টু বাংলা।
  • গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ
  • গুগল ট্রান্সলেট অডিও।
  • গুগল ট্রান্সলেটর এর সম্পূর্ণ সেটিং।

আপনাদের যাদের বিদেশী বন্ধু কিংবা ভিনদেশীয় আত্মীয়-স্বজন আছে, তাদের ভাষা বুঝতে আপনাদের জন্য গুগল ট্রান্সলেট একটি নিত্য প্রয়োজনীয় টুল হতে পারে। এই টুল ব্যবহার করে বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ ভাষাতেই অনুবাদ করা যায়। অনুবাদক যন্ত্র হিসেবে গুগল ট্রান্সলেটর বিশ্বের আনাচে-কানাচে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

শুধু কি যোগাযোগের জন্য গুগল ট্রান্সলেটর মানুষজন ব্যবহার করে? আপনি হয়তো কোন ইংরেজি ব্লগে ইংরেজি লেখা পড়ছেন, কিন্তু যদি সে ইংরেজি লেখা আপনি বুঝতে না পারেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই গুগল ট্রান্সলেটরর এর সাহায্য নিতে হবে।

মনে করেন আপনি আমার এই আর্টিকেলটিকে কোন আরবিও ব্যক্তিকে উপহার দিতে চান । তাহলে আপনি গুগল ট্রান্সলেটর এর সাহায্য নিয়ে এই লেখাগুলোকে আরবি তে রূপান্তরিত করে তাকে উপহার দিতে পারবেন।

গুগল ট্রান্সলেট কি?

গুগল ট্রান্সলেটর: আমি আগেই বলেছি এটি গুগোল কর্তৃক একটি পরিষেবা , যার মাধ্যমে বিশ্বের 500 মিলিয়ন এর অধিক মানুষকে ফ্রিতে ট্রানসলেশন সুবিধা দেওয়া হয়। পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষই অনুবাদ করতে সমস্যার সম্মুখীন হন। আর যাদের অনুবাদ করার প্রয়োজন পড়ে তারা ভালভাবেই জানেন গুগল ট্রান্সলেটর কি? গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে কি কাজ করা হয়?

গুগল ট্রান্সলেটর হচ্ছে একটি মেশিন ট্রানসলেশন সিস্টেম । অর্থাৎ মেশিন ব্যবহার করে গুগল ট্রান্সলেটর ট্রান্সলেট করে থাকে। বাংলায় বলতে গেলে, গুগোল একটি যন্ত্র ব্যবহার করে কোন ভাষা কে সেই বাসা থেকে অন্য ভাষা তে রূপান্তরিত করে অর্থাৎ অনুবাদ করে।

বিখ্যাত টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানট গুগোল, “গুগল ট্রান্সলেটর” নামক এই প্রযুক্তিকে 2006 সালে লাঞ্চ করেন। অর্থাৎ গুগল ট্রান্সলেটর এর আত্মপ্রকাশ ঘটে 2006 সালে। তবে যখন এই প্রজেক্টটি টি লাঞ্চ করা হয়েছিল তখন কেবল মেশিন এর মধ্যেই অনুবাদ প্রক্রিয়া সীমাবদ্ধ ছিল। তার মানে, শুরুর দিকে গুগল নিজস্ব কাজের জন্য এই গুগল ট্রান্সলেটর মেশিন ব্যবহার করে অনুবাদ করতো।

এরপর 2010 সালে গুগল তাদের এই প্রজেক্টটি কে বিস্তৃতি করে। এ বছরেই গুগল সর্বপ্রথম গুগল ট্রান্সলেটর প্রোজেক্টের জন্য একটি এন্ড্রয়েড সফটওয়্যার তৈরি করে এবং একটি সার্ভারে ট্রান্সলেটর মেশিন স্থাপন করে।

এরপর আস্তে আস্তে গুগোল তার কার্যক্রমকে প্রসার করতে থাকে এবং বিভিন্ন সংযোজন ও বিয়োজন করতে থাকে।

এরপর 2014 সালে গুগল ট্রান্সলেটর আরো উন্নত হয়। এ সময় গুগল ট্রান্সলেটরে এমন কিছু বিষয় সংযোজিত হয় , যার ফলে কোন ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে ছবি কিংবা টেক্সট স্ক্যান করা সম্ভব হয়। অর্থাৎ এ বছর থেকেই সর্বপ্রথম গুগলে স্ক্যান করে ছবি কিংবা টেক্সট অনুবাদ করা সম্ভবপর হয়ে ওঠে।

এবং সর্বশেষ 2016 সালে গুগল ট্রান্সলেটর এ বড়োসড়ো পরিবর্তন আনা হয়েছিল। যার ফলে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে খুব সহজেই ভয়েস ব্যবহার করে অনুবাদ করা সম্ভব হয়ে ওঠে। এগুলো ছিল গুগল ট্রান্সলেটরের উল্লেখযোগ্য ইতিহাস। তবে গুগল তাদের এই পণ্যটি কে নিয়মিত আপডেট করে থাকে।

সর্বশেষ 2016 সালের তথ্য অনুযায়ী , বিশ্বের প্রায় 500 মিলিয়ন এর অধিক মানুষ এই ট্রান্সলেশন টুলটি ব্যবহার করছে। এরপর 2021 সালের এপ্রিল মাসে গুগল ট্রান্সলেটর টুলে বিশ্বের প্রায় 109 টি গুরুত্বপূর্ণ ভাষা অনুবাদ করার জন্য সংযোজন করা হয়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এই টুলটি জনপ্রিয়তা কতদূর।

গুগল ট্রান্সলেটর কিভাবে কাজ করে?

গুগল ট্রান্সলেটর একটি মেশিন যা অনলাইনে কাজ সার্ভার সংযোগে কাজ করে। তবে এই টুলটি অনুবাদ করার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। শুরুর দিকে গুগল ট্রান্সলেটর অনুবাদ করার জন্য অন্য কোন ভাষাকে সর্বপ্রথম ইংরেজি ভাষা তে রুপান্তর করে। তারপর সেই ইংরেজি ভাষাকে আপনার কাঙ্খিত ভাষা তে রুপান্তর করে।

কিন্তু সময়ের বিবর্তনে গুগল তার এই‌ টুলটিকে সময়োপযোগী করে তুলেছে। যার ফলে বর্তমানে আমরা খুব সহজেই এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় সরাসরি অনুবাদ করতে পারতেছি। অর্থাৎ আগেকার দিনের মতো প্রথমে অন্য ভাষা কে ইংরেজিতে অনুবাদ করার প্রয়োজন হয় না। গুগলের সার্ভার সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য, খুব সহজেই এক ভাষা থেকে অন্য ভাষা তে সরাসরি অনুবাদ করা যায়। এই আর্টিকেলে আমরা বলবো কিভাবে আপনারা গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ সঠিক পদ্ধতিতে করবেন।

গুগল ট্রান্সলেটর কিভাবে ব্যবহার করব? ( How to use “google translate” )

গুগল ট্রান্সলেটর ব্যবহারের নিয়ম: গুগল ট্রান্সলেটর ব্যবহার করে অনুবাদ করার জন্য আপনি তিনটি পদ্ধতি মেনে অনুবাদ করতে পারেন। তবে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই একই ধরনের অনুবাদ আসবে। যেমন ধরেন আপনি যদি বাংলায় লিখেন, “আমি বাংলার মানুষকে ভালোবাসি” তাহলে এর ইংরেজি অনুবাদ হবে ” I love the people of Bengal ”

আমাদের বোদা উপরিউক্ত তিনটি পদ্ধতি হচ্ছে : ১। গুগল ট্রান্সলেট ওয়েবসাইট ব্যবহার করে অনুবাদ ২। গুগল সার্চ ব্যবহার করে অনুবাদ ৩। সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনুবাদ

উপরের তিনটি পদ্ধতিই ব্যবহার করে অনুবাদ করা খুব সোজা। প্রত্যেকটি পদ্ধতির বর্ণনা নিচে দেওয়া হল:

অনলাইন গুগল অনুবাদ ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ট্রান্সলেট

গুগল ট্রান্সলেট ওয়েবসাইট: যেহেতু অনুবাদক টুলটি অনলাইনে কাজ করে, তাই আমার মতে ওয়েবসাইট ব্যবহার করে অনুবাদ করা সবচেয়ে সহজ। এর জন্য আপনাকে অতিরিক্ত কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হচ্ছে না।

স্টেপ ১:

সর্বপ্রথম আপনাকে, আপনার ল্যাপটপ কিংবা মোবাইল থেকে একটি ব্রাউজার এ যেতে হবে। সেখান থেকে আপনাকে গুগল ট্রান্সলেটর এর ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে প্রবেশ করে আপনি নিচের মত একটি স্ক্রীন দেখতে পাবেন।

গুগল ট্রান্সলেট
Online google translate

উপরের স্ক্রিনে যে দুটো দেখতে পাচ্ছেন , সেখানে বাম পাশের বক্সে যা লিখবেন বামপাশের বক্সে তা অনুবাদ হয়ে যাবে। তবে এখানে সমস্যা হল কোন ভাষা থেকে কোন ভাষায় অনুবাদ হবে? বাংলাদেশিরা ডিফল্টভাবে যে কোন ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করতে পারবে। তবে অধিকতর সুন্দর অনুবাদ এর জন্য আপনাকে ভাষা সিলেক্ট করে নিতে হবে।

উপরের স্ক্রিনশটের বাঁদিকে উপরে একটি (” ^ “) – ICON দেখা যাচ্ছে, এখানে ক্লিক করে আপনি ভাষা পরিবর্তন করে নিবেন। আপনি যদি বাংলা ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করতে চান অর্থাৎ গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ করতে চান  তাহলে এখানে বাংলা ভাষা সিলেক্ট করতে হবে।

 

স্টেপ-২:

এরপর বাম দিকের ঘরের উপরে আরো একটি (” ^ “) – Icon দেখা যাচ্ছে, এখানে ক্লিক করে আপনি ভাষা পরিবর্তন করে নিন, যে ভাষায় আপনি অনুবাদ করতে চান। অর্থাৎ আপনি বাংলা ভাষা কে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করতে চাইলে এখানে ইংরেজি ভাষা সিলেক্ট করুন।

এরপর আপনার ইচ্ছামত বাম পাশের বক্সে বাংলা ভাষা যে কোন কিছু লিখুন। দেখবেন অটোমেটিক ডান পাশের ঘরে ইংরেজি অক্ষরে লেখা গুলো অনুবাদ হয়ে যাচ্ছে। এটিই মূলত গুগল ট্রান্সলেটর ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ট্রান্সলেট করার পদ্ধতি।

অবশ্যই পড়ুন, 

গুগল সার্চ করে অনুবাদ

স্টেপ-১: গুগল সার্চ ব্যবহার করে কোন ভাষা অনুবাদ করার জন্য আপনাকে যে কোন ডিভাইস থেকে ব্রাউজার ওপেন করতে হবে। এবং আপনাকে ব্রাউজার এর সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে সার্চ করতে হবে “Google Translate” । এরপর আপনার ডিভাইসে নিচের মত একটি স্ক্রীন ওপেন হবে।

গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংরেজি

এখানে ডান পাশে একটি বক্স এবং বাম পাশে একটি বক্স দেখতে পাচ্ছেন। বাম পাশের বক্সে লেখা আছে “enter text” এবং ডান পাশের বক্সে লেখা আছে ” Translation”। তার মানে আপনি এখানে বাম পাশে যা লিখবেন ডান পাশে তা অনুবাদ হয়ে যাবে।

স্টেপ-২: সার্চ দিয়ে ট্রান্সলেশন করতে আপনাকে সঠিকভাবে ভাষার গরমিল ঠিক করতে হবে। অর্থাৎ আপনি কোন ভাষা থেকে কোন ভাষায় অনুবাদ করবেন তা আগে থেকে ঠিক করে নিতে হবে। এজন্য আপনি নিচের স্ক্রিনশটটি দেখতে পারেন।

গুগল ট্রান্সলেট ইংরেজি টু বাংলা
গুগল অনুবাদ

1 চিহ্নিত স্থানে আপনি যে ভাষাটিকে অনুবাদ করতে যাচ্ছেন সে ভাষা টি সিলেক্ট করবেন। এবং দুই চিহ্নিত স্থানে আরেকটি ভাষা সিলেক্ট করবেন , যে ভাষাতে আপনি অনুবাদ করতে যাচ্ছেন।

উদাহরণস্বরূপ , আপনি যদি ইংরেজী থেকে বাংলাতে অনুবাদ করতে চান । তাহলে 1 চিহ্নিত স্থানে ইংলিশ ভাষা সিলেক্ট করুন এবং 2 চিহ্নিত স্থানে “বাংলা” ভাষা সিলেক্ট করুন।

এরপর আপনি ইচ্ছামত বামপাশের ঘরটিতে ইংরেজি ভাষা টাইপ করতে থাকুন। দেখবেন ডানপাশের ঘরটিতে অটোমেটিক ইংরেজি অক্ষরে আপনার লেখাগুলো অনুবাদ হয়ে যাচ্ছে।

পড়তে থাকুন,  গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ

সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনুবাদ

গুগল ট্রান্সলেটর অ্যাপস: আপনারা যারা উপরিউক্ত দুইটি ট্রিক্স ব্যবহার করে অনুবাদ করা ঝামেলা মনে করেন তাহলে আপনি সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারেন। সফটওয়্যার ডাউনলোড করে অনুবাদ করা খুবই সহজ। এজন্য আপনাকে কোন ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে না কিংবা কোথাও লিখে সার্চ দিতে হবে না। অনুবাদ করার জন্য গুগোল ট্রান্সলেটর অ্যাপস একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি।

স্টেপ-১:

সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনুবাদ করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম Google translator সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করতে হবে। ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন >>> download Google translator

ডাউনলোড করে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিন। ইনস্টল করার পর আপনি আপনার ডিভাইসে নিজের মত একটি স্ক্রীন দেখতে পাবেন।

গুগল অনুবাদ কি?
গুগল অনুবাদ কি?

স্টেপ-২:

এখানে আপনি উপরে একটি ফাঁকা জায়গা দেখতে পাচ্ছেন। এবং নিচে বাম ও ডান পাশে দুটি ভাষা দেখতে পাচ্ছেন। এখানে বামপাশে যে ভাষা থাকবে সে ভাষা থেকে অনুবাদ হবে এবং ডান পাশে যে ভাষা থাকবে আপনার লেখার সেই ভাষায় অনুবাদ হবে।

অর্থাৎ আপনি যদি হিন্দি থেকে ইংরেজি অনুবাদ করতে চান। তাহলে বামপাশের ঘরটিতে “Hindi” সিলেক্ট করতে হবে এবং ডান পাশের ঘরটিতে “English” সিলেক্ট করতে হবে।

এরপর আপনি উপরের ফাঁকা ঘরে হিন্দি লেখা শুরু করলে অটোমেটিক নিচে ইংরেজিতে অনুবাদ হওয়া শুরু করবে। তবে আপনি যদি হিন্দিতেৎশুধুমাত্র একটি শব্দ লিখেন তাহলে তা ইংরেজিতে অনুবাদ হওয়ার সাথে সাথে অতিরিক্ত হিসেবে অনেকগুলো সমজাতীয় শব্দার্থ বের হবে।

 

গুগল ট্রান্সলেট ইংলিশ টু বাংলা

গুগল ট্রান্সলেটর বাংলা: গুগল ট্রান্সলেটর ব্যবহার করে ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করার পদ্ধতি খুবই সহজ। এজন্য আপনাকে উপরের তিনটি পদ্ধতির যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে। আমি উদাহরণস্বরূপ প্রথম পদ্ধতিটিকে বেছে নিলাম।গুগল ট্রান্সলেট english to bangla

Step-1:

আপনার ডিভাইসের যেকোনো ব্রাউজার ব্যবহার করে translate.google.com এই ওয়েবসাইটে গিয়ে ঢুকবেন। ঢোকার পর আপনি নিচের মত একটি স্ক্রীন দেখতে পাবেন।

গুগল ট্রান্সলেট
Online google translate

এখানে শুধু ভাষাগুলো চেঞ্জ করে নিলেই আপনি খুব সহজেই ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করতে পারবেন।

স্টেপ-২:

এই ধাপে আপনি শুধু ভাষাগুলো পরিবর্তন করে নেবেন। উপরের বাম পাশের 1 লেখা জায়গাটিতে ক্লিক করে ইংরেজি ভাষায় পরিবর্তন করে নেবেন। এবং ডান পাশে উপরে 2 নিহিত জায়গায় ক্লিক করে বাংলা ভাষায় পরিবর্তন করে নেবেন।

এরপর আপনিই বামপাশের ঘরটিতে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ইংরেজি টাইপ করুন দেখবেন আপনার আপনি ডান পাশের ঘরটা অনুবাদ করে বাংলা হয়ে যাবে। এছাড়াও আপনি বাকি দুইটি পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। তবে প্রত্যেক ক্ষেত্রে একই ধরনের অনুবাদ আসবে।

গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ

বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ: আমাদের দেশের অধিকাংশ লোক বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করতে বিপাকে পড়েন। বিশেষ করে তারা যখন কোন বিদেশী বন্ধুকে মেসেজ পাঠান তখন আপনার কথাবার্তা বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করে তাকে পাঠাতে হয়। বাংলা থেকে ইংরেজিতে ট্রান্সলেট করার একটি পদ্ধতি নিম্নরূপ।গুগল ট্রান্সলেট বেঙ্গলি টু ইংলিশ ।

প্রথমে আপনি আপনার ডিভাইস এর যেকোনো একটি ব্রাউজার এ গিয়ে ঢুকবেন। তারপর ব্রাউজারের সার্চ বারে টাইপ করবেন “google translator” । এরপর আপনি নিচের মত একটি স্ক্রীন দেখতে পাবেন।

গুগল ট্রান্সলেট ইংরেজি টু বাংলা
গুগল অনুবাদ

এখানে আপনাকে প্রয়োজন অনুসারে ভাষাগুলো চেঞ্জ করে নিতে হবে। যেহেতু আপনি বাংলা থেকে ইংলিশ অনুবাদ করতে যাচ্ছেন তাই ডিফল্ট ভাবে সেখানে ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করার পদ্ধতি থাকবে।

যদি কারো কারো ফোনে না থাকে তবে ভাষাগুলো প্রয়োজন অনুসারে চেঞ্জ করে নেবেন। এজন্য আপনাকে বাম পাশে “detect language” এ ক্লিক করে অনুবাদক ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষাকে সিলেক্ট করবেন। এবং বাম পাশে ইংরেজি ভাষা সিলেক্ট করবেন। এবার আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী বাম পাশের ঘরটিতে বাংলা লিখুন দেখবেন অটোমেটিক ইংরেজিতে অনুবাদ হয়ে যাচ্ছে।

পড়তে থাকুন, গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ

গুগল ট্রান্সলেট ইংলিশ টু হিন্দি

ইংরেজি থেকে হিন্দিতে অনুবাদ: হিন্দিতে অনুবাদ করার প্রয়োজন পড়ে কেবলমাত্র ভারত বর্ষে অবস্থানকারীদের ক্ষেত্রে। তবে বাঙ্গালীদের যদি ভারতে কোন বন্ধু থেকে থাকে তাহলে তাকে মেসেজ পাঠাতে হিন্দি অনুবাদ করার প্রয়োজন পড়ে। আমার মতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমস্ত বাঙালি হিন্দি ভাষা বোঝে এবং বলতে পারে। তবে লিখার ক্ষেত্রে যখন বিপাকে পড়ে তখন গুগল ট্রান্সলেটর সহায়তা নিতে হয়।তো আমি নিচে একটি পদ্ধতির কথা উল্লেখ করছি যা দিয়ে আপনি খুব সহজেই ইংরেজি থেকে হিন্দিতে ট্রান্সলেট করতে পারবেন,

ধাপ 1: প্রথমে আপনি আপনার ডিভাইসের গুগল ট্রান্সলেটর অ্যাপ টি ওপেন করুন। তারপর আপনি নিচের মত একটি স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

গুগল অনুবাদ কি?
গুগল অনুবাদ কি?

এখানে আমার ফোনের ডিফল্ট ভাবে বাংলা থেকে ইংরেজিতে ট্রানসলেশন করার পদ্ধতিটি আছে। তবে কারো কারো ফোনে নাও থাকতে পারে। এজন্য আপনাকে বাম পাশের “Bengali” লেখাটিতে ক্লিক করে ইংরেজি ভাষা সিলেক্ট করে নিবেন। এবং বাম পাশের “English” লেখাটিতে ক্লিক করে হিন্দি ভাষা সিলেক্ট করে নেবেন।

ধাপ 2: এখন আপনি উপরের ফাঁকা ঘরটিতে আপনার ইচ্ছামত ইংরেজিতে লিখতে থাকুন। ইংরেজিতে লেখার সাথে সাথে নিচে দেখবেন অটোমেটিক আপনার ইংরেজি লেখা গুলো হিন্দি ভাষাতে অনুবাদ হয়ে যাচ্ছে।

আপনি সফটওয়্যার ব্যবহার না করেও ইংরেজি থেকে হিন্দিতে অনুবাদ করতে পারবেন। আমাদের আর্টিকেল এর প্রথম অংশে তিনটি পদ্ধতির কথা উল্লেখ আছে সেখান থেকে যে কোন একটি পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই ইংরেজি থেকে হিন্দিতে অনুবাদ করতে পারবেন।

Read more.

গুগল ট্রান্সলেট Extension

গুগল ট্রান্সলেট এক্সটেনশন: অনেকেই হয়তো এক্সটেনশন কথাটি শুনে চমকে গেলেন। আসলে এক্সটেনশন একটি সুবিধা যা গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে থাকে। যারা গুগল ট্রান্সলেট কি বুঝতে পেরেছেন তারা এটাও বুঝতে পারবেন আশা করি। এর মাধ্যমে আপনি কোন ব্রাউজারের সমস্ত টেক্সট অনুবাদ করতে পারবেন। আসলে এখানে ব্রাউজারের টেক্সট বলতে যা বোঝানো হয়েছে: আপনি যখন ব্রাউজ করবেন , বিভিন্ন ব্লগে বিভিন্ন ভাষায় আর্টিকেল দেখতে পাবেন। তখন সেই আর্টিকেলগুলো পৃথিবীর যে ভাষাতেই হোক না কেন আপনি খুব সহজেই সে ভাষা থেকে আপনার মাতৃভাষা তে অনুবাদ করতে পারবেন।

এই গুগল ট্রান্সলেটর এক্সটেনশন যেকোন ব্রাউজারে ইনস্টল করা যায়। ইনস্টল করে আপনি সম্পূর্ণ একটি পেজের অনুবাদ মুহূর্তের মধ্যেই দেখতে পাবেন। কোন ব্লগ পোস্ট এর সম্পূর্ণ আর্টিকেল অনুবাদ করার জন্য আপনাকে কপি-পেস্ট করতে হবে না কিংবা গুগল ট্রান্সলেটর ওয়েবসাইটে গিয়ে ট্রান্সলেট করতে হবে না। আপনি শুধু মাত্র একটি ক্লিকের মাধ্যমে সম্পন্ন ব্লগ পোষ্ট টি অনুবাদ করে পড়তে পারবেন। আপনি গুগল ক্রোমে কিভাবে গুগল ট্রান্সলেটর এক্সটেনশন ব্যবহার করবেন তা একটি পদ্ধতির মাধ্যমে দেখিয়ে দিচ্ছি:

ধাপ 1: প্রথমে আপি আপনার ডিভাইস থেকে গুগল ক্রোম ব্রাউজার এ প্রবেশ করুন। তারপর ডানপাশের সবার উপরে একটা চিহ্ন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করুন

Google translate extension
Google translate extension

ফ্রি ডাটা অপশন এ ক্লিক করার পর আপনি”more tools” অপশনটি দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করে আবার ” extensions” নামক অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।

ধাপ 2: “Extensions” এ ক্লিক করার পর আপনি যে ইন্টারফেসটি দেখতে পাবেন তা স্ক্রল করে নিচে যাবেন, এবং নিচের মত একটি স্ক্রীন দেখতে পাবেন।

উপরের স্ক্রিনে আপনি সবার নিচে এবং বাম দিকে “”get more extensions” অপশনটিতে ক্লিক করুন। আপনি রিলেটেড এক্সটেনশনস হিসেবে গুগল ট্রান্সলেটর কে পাবেন না তাই এখানে ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর আপনার ডিভাইস এর স্ক্রিনের উপরের বামদিকে নিচের মত একটি স্ক্রীন ভেসে উঠবে।

 

গুগল ট্রান্সলেট চাই
google tre

এখান থেকে আপনাকে “google translate” লিখে সার্চ দিতে হবে এবং এরপর নিচের মতো আরো একটি স্ক্রীন ভেসে উঠবে।

গুগল ট্রান্সলেট কি?

এখান থেকে আপনাকে “Add to chrome” এ ক্লিক করতে হবে এবং এরপর আবার “Add extensions” এ ক্লিক করতে হবে।

ধাপ 3: এরপর আপনি আপনার ব্রাউজার স্ক্রিনের ডান দিকে উপরে গুগল ট্রান্সলেটরের থাম্বনেইল দেখতে পাবেন।

আপনি যদি কোন ব্লগ পোস্টকে সম্পূর্ণটাই অনুবাদ করতে চান তাহলে সেই ব্লগ পোস্টে ঢুকে এই গুগল ট্রান্সলেটর থামনেল টি তে ক্লিক করুন। থামনেল টিতে ক্লিক করার পর নিচের স্ক্রীনশটএর মত ” translate this page” এ ক্লিক করুন।

এরপর আপনি আপনার সুবিধামতো ভাষা গুলো পরিবর্তন করে নিন। দেখবেন অটোমেটিক আপনার প্রয়োজন মত পুরো পোস্টটি অনুবাদ হয়ে গেছে। আমি শুধু গুগল ক্রোমে কিভাবে এক্সটেনশন ইন্সটল করবেন তা বলে দিলাম। ঠিক একই ভাবে আপনি ফায়ারফক্স এ গুগল ট্রান্সলেট এক্সটেনশন ইনস্টল দিতে পারবেন।কম সময়ে গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ করতে এই পদ্ধতি খুবই কার্যকরী।

 

গুগল ভয়েস ট্রান্সলেট

গুগোল ভয়েস ট্রান্সলেট আরো একটি জনপ্রিয় ফিচার। গুগল ট্রান্সলেটর এর সর্বশেষ ফিচারগুলোর একটি হচ্ছে এটি। এর মাধ্যমে আপনি বাংলা ভাষায় কথা বলে ইংরেজিতে অনুবাদ করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে অতিরিক্ত বাংলা ভাষায় টেক্সট টাইপিং করে অনুবাদ করতে হবে না। আপনি শুধুমাত্র মুখে বাংলায় বলবেন অটোমেটিক ইংরেজিতে অনুবাদ হয়ে যাবে। কিভাবে গুগল ভয়েস ট্রান্সলেট ব্যবহার করবেন তা নিচের পদ্ধতিতে দেখিয়ে দিচ্ছি।

ধাপ- 1: প্রথমে আপনি আপনার ডিভাইসের গুগোল ট্রান্সলেটর সফটওয়্যারটিতে প্রবেশ করুন। প্রবেশ করে আপনি কোন ভাষা থেকে কোন ভাষায় অনুবাদ করবেন তা ঠিক করে নিন। আপনি যদি বাংলা বলে ইংরেজিতে অনুবাদ করতে চান তাহলে বাম পাশে বাংলা ভাষা সিলেক্ট করুন এবং ডান পাশে ইংরেজি ভাষা সিলেক্ট করুন।

ধাপ- 2:এরপর নিচের স্পিকার চিহ্নিত স্থানটিতে ক্লিক করুন।

এরপর আপনি যা বলবেন তা অনুবাদ হয়ে যাবে। তবে এখানে কোন ভাষা থেকে কোন ভাষায় অনুবাদ হবে তা আপনাকে আগে থেকে ঠিক করে নিতে হবে। এ পদ্ধতিটি ব্যবহার করে খুব সহজেই অনুবাদ করা যায়।

তবে আপনি চাইলে গুগল কিবোর্ড এ এ পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে পারেন। যদি জিবোর্ড কিবোর্ড এ এই পদ্ধতিটি ব্যবহার সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

 

গুগল ট্রান্সলেট ক্যামেরা

ক্যামেরা ব্যবহার করে অনুবাদ: এটি গুগোল আরেকটি ফিচার জেটি ব্যবহার করে আমরা ক্যামেরা দিয়ে অনুবাদ করতে পারি। মনে করেন আপনার সামনে একগাদা ডকুমেন্ট সেগুলো আপনাকে টেক্সট এ রূপান্তর করে অন্যকে পাঠাতে হবে। এখন আপনি কি করবেন?

এজন্য আমি আপনাকে গুগল ট্রান্সলেটর ব্যবহার করার পরামর্শ দেই। কিভাবে ক্যামেরা দিয়ে গুগল ট্রান্সলেটর এর মাধ্যমে অনুবাদ করবেন তা নিম্নরূপ:

ধাপ 1: প্রথমে আপনি আপনার ডিভাইস থেকে গুগল ট্রান্সলেটর সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। তারপর আপনাকে ভাষা পরিবর্তন করে নিতে হবে। আপনার পিকচার কিংবা ডকুমেন্ট যে ভাষার হবে সেই ভাষা বামপাশে সিলেক্ট করবেন। এবং ডান পাশে আরেকটি ভাষা সিলেক্ট করবেন যেই ভাষাতে আপনি আপনার ডকুমেন্ট কিংবা পিকচার টিকে অনুবাদ করতে চান।

ধাপ 2: এরপর আপনি “camera” নামক অপশনটিতে ক্লিক করবেন।

এখানে ক্লিক করার পর আপনার সামনে তিনটি অপশন আসবে। অপশন তিনটি যথাক্রমে, “Instant” , ” scan” , ” import ” ।

এখানে প্রথম দুইটি অপশন ব্যবহার করে আপনি সরাসরি অনুবাদ করতে পারবেন। তবে একটু ভিন্নতা রয়েছে। আপনাদের যদি ইন্টারনেট স্পিড ভালো থেকে থাকে তাহলে প্রথম দুইটি অপশন ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি ইন্টারনেট স্পিড খারাপ মনে হয় তাহলে কোন ডকুমেন্ট এর ছবি তুলে “import” এ ক্লিক করবেন। এবং আপনার ডকুমেন্টের পিকচারটা আপলোড দিয়ে গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ  ট্রান্সলেশন করে নিবেন।ঠিক এভাবে আপনি, গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ করতেও পাবেন।

 

গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপ ডাউনলোড

গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপ: অনেকেই অ্যাপসটি ডাউনলোড করতে সমস্যার সম্মুখীন হয়। তাদের জন্য আমি গুগল প্লে স্টোরের একটি লিঙ্ক দিচ্ছি। যেখান থেকে আপনি খুব সহজেই গুগল ট্রান্সলেটর সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে পারবেন। Download Google translator

এছাড়াও কিছু লোক গুগল ট্রান্সলেটর ডাউনলোড করে নিজের ফোন মেমোরিতে রাখতে চান। যাতে গুগল ট্রান্সলেটর ডিলিট করে দিয়ে ও পরে ইচ্ছামত আবার ফোন মেমোরি থেকে ইন্সটল করা যায়। তারা এই লিংক থেকে Google translate download করে নিন।

 

গুগল ট্রান্সলেট সম্পর্কিত সর্বশেষ কথা।

ট্রান্সলেট গুগল: বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুবাদক সফটওয়্যার হচ্ছে গুগল ট্রান্সলেট সফটওয়্যার। এর জনপ্রিয়তা বলতে গেলে আকাশচুম্বী। গুগল ট্রান্সলেট বাঙ্গালী দের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সফটওয়্যার। আশা করি আমি গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ, গুগল ট্রান্সলেট কি,  গুগল ট্রান্সলেট কিভাবে কাজ করে ইত্যাদি সম্পর্কে এ টু জেড তথ্য দিতে পেরেছি। আমার তথ্যের যদি কোন প্রকার ঘাটতি থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। এবং আমার এই আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে নিবেন যাতে তারা উপকৃত হয়।

নাম রিংটোন ডাউনলোড|নিজেই নাম রিংটন ডাউনলোড করুন খুব সহজেই।

আপনি হয়ত নাম রিংটোন ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন।যদি তাই হয় তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটি একটু ভালো করে পড়ুন দয়া করে। আমরা এখানে বিস্তারিত লিখেছি। যদি ভালো ভাবে পড়েন তাহলেই কেবল বুঝতে পাবেন কিভাবে নিজের নামে রিংটোন ডাউনলোড করতে হয়।

তো আমাদের আর্টিকেলে যা যা থাকছে,

  • নাম রিংটোন ডাউনলোড করার সফটওয়্যার।
  • নাম রিংটন ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট।
  • সহজেই কিভাবে নাম রিংটন ডাউনলোড করবো?
  • নাম রিংটন ডাউনলোড করার এপ্স।

এসব বিষয় নিয়েই মূলত আজকে আমাদের আলোচনা।

নিজের নামে রিংটন কেন লাগে?

আমাদের দেশের অনেক মানুষ আছেন হাস্যরস্য যার কিনা তাদের প্রিয়জনদের কে হঠাৎ চমকে দিতে চায়।অধিকাংশ তারাই এ নিজের নামে রিংটন ডাউনলোড করে। আপনি এদের একজন কিনা তা জানি না। তবে শুধু যে এই কারণে এই সব রিংটন ব্যবহার করা হয় তা কিন্তু নয়।প্রিয়জন কে সুন্দর এক অনুভূতি উপহার দিতেও এই রিংটন ব্যবহার করা হয়।

এছাড়াও কেউ কেউ মোবাইলের এসব ভারী রিংটন সহ্য করতে পারে না। তারাও মূলত এই রিংটন ব্যবহার করেন। সত্যি কথা বলতে যখন কেউ ফোনের ডিফল্ট রিংটোন ব্যবহার করে তখন সেটা অনেকাংশে গানের মত শুনা যায়। যার ফলে মানুষরা ভুলে যায় যে কেউ একজন তাকে ফোন দিয়েছে। সে ফোন ধরা বাদ দিয়ে ঘুমের ঘোরে গান শুনে।সুন্দর রিংটোন ডাউনলোড করতে হয় এ জন্য।

তাছাড়া মোবাইলের যে সব ডিফল্ট গানের রিংটোন আছে সেগুলো পরিবেশবান্ধব নয়। যেকোনো সময় গান বেজে উঠে আশেপাশের পরিবেশ নষ্ট করে দিতে পারে। তবে চিন্তা করবেন না, আমি যেসব ওয়েবসাইট এবং সফটওয়্যার এর নাম বলবো সেখান থেকে আপনি যে রিংটোন ডাউনলোড করবেন তা সম্পূর্ণ মিউজিক লাগা থাকবে।এই নাম রিংটোন এর বিশেষত্ব হলো আপনি চাইলে ভারী বা হালকা মিউজিক লাগাতে পারবেন কিংবা মিউজিক বিহীণ নাম রিংটোন তৈরি করতে পাবেন।

বাংলায় নিজের নামে রিংটোন তৈরি করুন খুব সহজেই। এক কথায় আমরা বলতে পারি নিজের নামে রিংটোন তৈরি করুন ৩০ সেকেন্ডে মাত্র।

ওয়েবসাইট দিয়ে নাম রিংটোন ডাউনলোড।

নাম রিংটন ডাউনলোড করার জন্য সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। কেন নাম রিংটন ডাউনলোড এর জন্য ওয়েবসাইটকে বেশি সুবিধাজনক বললাম তারও কারোণ আছে। মনে করেন আপনার নাম রিংটন ডাউনলোড করার ইচ্ছা জাগল, সাথে সাথে আপনি একটি ওয়েবসাইটে ঢুকলেন ,আপনার নাম দিলেন এবং সাথে সাথে রিংটন ডাউনলোড করে সেট করে নিলেন। এজন্য কে খুব সহজে বলা হয়।

এটিকে ওয়েবসাইট দিয়ে রিংটোন ডাউনলোড করার জন্য কোন কিছু ইন্সটল দিতে হয় না যা সফটওয়্যার এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সফটওয়্যার দিয়ে রিংটোন ডাউনলোড করতে গেলে আগে সফটওয়্যার ইনস্টল করা প্রয়োজন তারপর ডাউনলোড করতে হয়। কিন্তু আপনি যখন ওয়েবসাইট থেকে রিংটোন ডাউনলোড করবেন তখন কোন কিছু ইন্সটল দিতে হয় না।

তবে সফটওয়্যার দিয়ে রিংটোন ডাউনলোড করার অসুবিধা আছে। যারা সর্বজনীন এবং সব সময় নতুন নতুন রিংটোন খুঁজে থাকেন তাদের জন্য সফটওয়্যার ডাউনলোড করা শ্রেয়। কারণ সফটওয়্যারে নিয়মিত নতুন নতুন রিংটোন এর আপডেট করা হয়। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে প্রথমে তিনটি ওয়েবসাইট এর সম্পর্কে জেনে নিন যেগুলো দিয়ে আমাদের নাম ব্যবহার করে রিংটোন ডাউনলোড করতে পারব।

FDMR

সংক্ষেপে FDMR একটি রিংটোন ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট। FDMR বাংলা রিংটোন প্রায় অনেক মানুষের কাছেই প্রিয় ওয়েবসাইট এবং বেশ পরিচিত।fdmr এর পূর্ণরূপ হচ্ছে free download mobile ringtones। আপনি গুগলে fdmr লিখে সার্চ দিলে কিংবা freemobileringtones.com এ ঢুকলে এই ওয়েবসাইটটি কে পাবেন। দেখে মনে হচ্ছে এটি শুধু মোবাইল রিংটোন ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট। কিন্তু না এখান থেকেই আপনি নাম রিংটন ডাউনলোড করতে পারবেন। নাম রিংটোন হচ্ছে এ ওয়েবসাইটের একটি ক্যাটাগরি। যা ব্যবহার করে বহু মানুষ তাদের প্রিয় নাম রিংটন ডাউনলোড করে।

FDMR ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে নাম রিংটোন ডাউনলোড করবেন?

প্রথমে আমাদের দেওয়া এই লিঙ্কে ঢুকুন। তারপর নিচের মত একটি ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।

নাম রিংটোন ডাউনলোড

এখানে যে সার্চবক্স টি দেখতে পাচ্ছেন সেখানে আপনার নাম টাইপ করুন। তবে নাম টাইপ করার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন আপনার নাম কখনোই বাংলায় কিংবা হিন্দিতে টাইপ করবেন না। আপনি যদি সত্যিকার অর্থে রিংটোন পেতে চান তাহলে নাম ইংরেজিতে টাইপ করবেন।

নাম টাইপ করার পর ডানপাশের সবুজ রঙের সার্চ বাটন টি দেখতে পাচ্ছেন সেখানে ক্লিক করুন। এবং এরপর আপনাকে নিচের মত একটি পেজ এ নিয়ে যাবে।

নাম রিংটোন ডাউনলোড

এখানে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের রিংটোন দেখাচ্ছে। যেগুলো আপনার নামের সাথে মিল রয়েছে। এক্ষেত্রে ভারতীয়রা বেশি সুবিধা পেয়ে থাকে। আমাদের পশ্চিমবাংলার ভাইদের জন্য এখানে হিন্দিতে নামের রিংটোন সহ থাকে। রিংটোন টি তে কিভাবে কথা বলা হবে তা এখানে বলে দেওয়া আছে। আপনি আপনার সুবিধামতো পরে যেকোনো একটি বেছে নিবেন এবং সেই লেখার উপর ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর আরো একটি পেজ ওপেন হবে। সেখান থেকে আপনাকে নিচের মত ডাউনলোড অপশনটি বেছে নিতে হবে।

নাম রিংটোন ডাউনলোড

এই ডাউনলোড লেখায় ক্লিক করলেই আপনাকে অডিওটি দেওয়া হবে এবং অটোমেটিক অডিও টি চালু হয়ে যাবে। অডিও প্লেয়ার এর ডানপাশে থ্রিডি চিহ্ণের একটি অপশন আছে। সেখানে ক্লিক করা মাত্রই ডাউনলোড অপশন দেখতে পাবেন। আমি নিচে কিছু স্ক্রিনশট দিয়েছি যেখানে ডাউনলোড অপশন দেখাচ্ছে।

নাম রিংটোন ডাউনলোড

এই ডাউনলোড অপশন পেয়ে গেলেই আপনি সেখানে ক্লিক করবেন এবং ডাউনলোড করে নিবেন ।

 

FDMG ব্যবহারের সুবিধা?

এটি মূলত একটি ভারতীয় ওয়েবসাইট। যেখানে হিন্দি এবং ইংরেজিতে নামে রিংটোন তৈরি হয়ে থাকে। তাই এখানে মূলত ভারতীয়রা বেশি সুবিধা পেয়ে থাকে। তবে বাংলাদেশে যারা হিন্দি রিংটোন ভালবাসেন তাদের জন্য এই ওয়েব সাইটটি অনেক ভাল মনে হবে আশা করি।

এছাড়াও যারা ইংরেজি রিংটোন ভালোবাসেন তাদের জন্য ভালো মানের রিংটোন এই ওয়েবসাইটে আছে। তাছাড়া আপনি কোন ওয়েবসাইট পাবেন না যেখানে বাংলা ভাষায় নামের রিংটোন তৈরি করা হয়।

আরো পড়ুন,

Ringtonezip.xyz

এই ওয়েবসাইটটি মূলত ডিজাইন করা হয়েছে নাম রিংটোন বানানোর জন্য। এ ওয়েবসাইটের ডিজাইন অত্যন্ত সাধারণ মানের। যে কেউ খুব সহজে এখান থেকে নিজের নাম দিয়ে রিংটোন ডাউনলোড করতে পারবে।

এই ওয়েবসাইটটি দিয়ে সার্চ দিতে হলে আগে যা জানতে হবে?

  • নামের প্রথম অংশ কিংবা ডাকনাম ব্যবহার করবেন। তবে একটি শব্দ।
  • নামের শুরুতে কখনোই mr. বা Mrs.ব্যবহার করবেন না।
  • কোন ধরনের রিংটোন mp3 বা mp4 এর নাম ব্যবহার করবেন না। তাহলে আপনার নামের রিংটোন খুঁজে পাবেন না।
  • নাম টাইপ করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন যাতে নামের অক্ষর ভুল না হয়।

এই ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে ডাউনলোড করবেন তা জেনে নিন?

১। প্রথমে আপনার যে কোন একটি ব্রাউজার এ গিয়ে সার্চ বারে টাইপ করুন Ringtonezip.xyz । এরপর সার্চ দিয়ে সেই ওয়েব সাইটে ঢুকুন। ঢোকার পর নিচের মত একটি ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।

নাম রিংটোন ডাউনলোড

এখানকার সাদা সার্চ বক্সে আপনার নাম লিখুন ইংরেজিতে। তারপর সার্চ বক্স এর ডানপাশে সার্চ বারে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর আপনার সামনে একটি নতুন পেজ ওপেন হবে। সেখানে আপনাকে দেখানো হবে বিভিন্ন ধরনের রিংটোন যা আপনার নামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যেমন ধরেন আপনার নাম যদি রিয়াদ হয় তাহলে আপনাকে এইসব রিংটোন দেখাবে, আসসালামু আলাইকুম রিয়াদ, রিয়াদ সাহেব ফোনটা ধরেন ইত্যাদি ইত্যাদি।

নাম রিংটোন ডাউনলোড করার জন্য

এখান থেকে আপনাকে মন মত একটি রিংটোন বেছে নিতে হবে এবং রিংটোন এর নিচে ডান পাশে ভিজিট লেখাটিতে ক্লিক করতে হবে। এরপর আপনাকে অন্য একটি ওয়েবসাইটে নিয়ে যাবে। সেখানেই আপনি কাঙ্খিত ডাউনলোড অপশনটি খুজে পাবেন। আসলে এই ওয়েবসাইটটি নিজে নিজে রিংটোন তৈরি করতে পারে না। বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে রিংটোন কালেক্ট করে আপনার সামনে উপস্থাপন করে। তবে এরপর আপনার সামনে যে পেজটি ওপেন হবে আপনি অবশ্যই সেখানে ডাউনলোড অপশনটি খুজে পাবেন।

Prokerala

এটি বর্তমানে নাম দিয়ে রিংটোন ডাউনলোড করার সবচাইতে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। তবে এই ওয়েবসাইটটি কে নিচে রাখার কারণ আমাদের অনেক আছে। তবে সেগুলো বললাম না।

এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করে কিভাবে নাম রিংটন ডাউনলোড করবেন?

রিংটোন ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে প্রথমে prokerala এই সাইটে যেতে হবে। এই সাইটে গিয়ে একটি ইন্টারফেস পাবেন এবং সেখানে নিচের মত একটি অংশ দেখতে পাবেন।

Nam ringtone download

উপরে পিকচার দেখা যাচ্ছে সেখানে নাম দেওয়ার জন্য ঘর রয়েছে। আপনি নাম দেওয়ার ঘরের নাম লিখবেন ইংরেজিতে এবং সেখানে আপনার পছন্দের বাক্য সিলেক্ট করবেন। বাক্য সিলেক্ট করার পর নিচে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এর অপশন আছে, আপনি সেখানে আপনার পছন্দের যে কোন একটি ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সেট করতে পারবেন। উল্লেখ্য এখানকার 6 টি ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হচ্ছে, Phone bell, Messege Tone , Romantic, Theme Music, Alarm, iphone Ringtone । একাজগুলো সবকিছু ঠিকঠাক করার পর make ringtone এ ক্লিক করবেন। তারপর নিচের মত একটি স্ক্রীন আপনার ফোনে ভেসে উঠবে ‌

Nam ringtone download

এখানে আপনার ভলমাতে তৈরি করা মিউজিক শোনা যাবে। আপনি চাইলে সেগুলো সেখানে ডাউনলোড করতে পারবেন।Download Mp3 তে চাপ দিলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে।

এই ছিল আমাদের হাতে তিনটি সেরা ওয়েবসাইট যেগুলো 2 আপনি নাম রিংটোন ডাউনলোড করতে পারবেন।

সফটওয়্যার দিয়ে নাম রিংটন ডাউনলোড।

আসলে সফটওয়্যার দিয়ে নামের রিংটোন বানার সহজ হলেও সফটওয়্যার এর সংখ্যা খুবই কম। আমরা আপনাদেরকে মাত্র একটি সফটওয়ারের নাম বলছি যেটি দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার নামের রিংটোন তৈরি করতে পারবেন। আর সেই সফটওয়্যারটির নাম হচ্ছে my name ringtone maker.

My Name Ringtone Maker

আমার মতে রিংটোন তৈরি করার জন্য যে সফটওয়্যারগুলো রয়েছে তার মধ্যে এটি সবচেয়ে ভালো। এটাতে ভালো তা যাচাই করার জন্য আপনি গুগল প্লে স্টোরে যেতে পারেন এবং সেখানে এই সফটওয়্যার রিভিউ গুলো দেখতে পারেন। অধিকাংশ মানুষ এই সফটওয়্যার টি সম্পর্কে ভালো কথা বলেছে।

আপনি যদি সফটওয়্যার দিয়ে নাম রিংটোন বানাতে চান তাহলে এই সফটওয়্যারটি প্লেস্টোর থেকে ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন। প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড এর লিঙ্ক Download it

আরো পড়ুন,

পরিশেষে,

আশা করি আমি আপনাদের বুঝাতে পেরেছি কিভাবে নাম রিংটোন ডাউনলোড করতে হয়। যদিও বাংলা নাম রিংটোন ডাউনলোড করার জন্য আলাদা কোন ওয়েবসাইট নাই, আমি আপনাদের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি ভালো কোন ওয়েবসাইট দেওয়ার জন্য।

আশাকরি আমাদের এই আর্টিকেলটি ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন। আজকে এ পর্যন্তই ।ভালো থাকবেন।

সেরা ৫ টি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল (5 Best Keyword research tool)

আসসালামু আলাইকুম। আপনারা যারা ব্লগিং করেন তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল প্রয়োজন হয়। এই আর্টিকেলে আমি সেরা ৫ টি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুল এর বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরবো।

আগে বলি,

কি-ওয়ার্ড রিসার্চ কি?

কি-ওয়ার্ড বলতে বোঝায় যেকোনো ধরনের শব্দ কিংবা বাক্যকে। যেমন ধরুন পাকিস্তানি গান ভারতীয় গান খেলা ইত্যাদি। আর রিসার্চ বলতে বুঝায় গবেষণাকে । সুতরাং কিওয়ার্ড রিসার্চ এর শাব্দিক অর্থ দাঁড়াচ্ছে শব্দ কিংবা বাক্য নিয়ে গবেষণা তবে সেটা সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সার্চ ইঞ্জিনে কোন কিওয়ার্ড নিয়ে কতবার সার্চ করা হয় সেটা নিয়ে গবেষণা কে কিভাবে সার্চ বলে।

কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল কি?

যে অনলাইন টুল গুলোর মাধ্যমে কোন সার্চ ইঞ্জিনে কোন কিওয়ার্ড নিয়ে কতবার সার্চ হচ্ছে তা বের করা যায় সেগুলোকেই মূলত কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল বলে। এখানে সার্চ ইঞ্জিন বলতে গুগোল বিন ইয়ান্ডেক্স ইকো শিয়া ইত্যাদি কে বোঝাচ্ছে।

এসব কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল এর মাধ্যমে যে শুধু 700 ভলিউম বের করা সম্ভব নয় এর মাধ্যমে আমরা কিওয়ার্ড ডিফিকাল্টি তথা কোন কিওয়ার্ড নিয়ে আর্টিকেল লিখলে গুগোল এর রং করতে কত কঠিন হবে তার সম্পর্কে জানা যায়। এছাড়াও কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলের মাধ্যমে আমরা রিলেটেড কিওয়ার্ড, অ্যাড ইম্প্রেশন ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারি। চলুন কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনার দিকে যাই।

সেরা পাঁচটি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল

 Google keyword planner

কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল

গুগোল কিওয়ার্ড প্লানার হচ্ছে একটি ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল।কোন প্রকার সন্দেহ ছাড়া এক বাক্যে বলা যায়  Keyword Planner হচ্ছে বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট মার্কেটের সবচাইতে জনপ্রিয় ফ্রি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল ।

এই টুলটি ব্যবহার করে এক জন ওয়েবমাষ্টার খুব সহজে অত্যন্ত নিখুতভাবে যে কোন কীওয়ার্ড সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা নিতে পারেন । এতে করে যে কোন ব্লগার বা অন – লাইন মার্কেটার সহজে বুঝতে পারেন , তার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে কিংবা তার ব্যবসার যে পন্য রয়েছে সেগুলি কি ধরনের কীওয়ার্ড ব্যবহার করে সার্চ ইঞ্জিনে সবাই সার্চ করছে ।

সে প্রেক্ষিতে একজন ব্লগার বা অন – লাইন মার্কেটার সহজে কীওয়ার্ড নির্বাচন করে তার ব্লগের আর্টিকেল সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে সবার কাছে পৌছে দিয়ে তার ব্লগের বা ব্যবসার সাফল্য বয়ে নিয়ে আসতে সক্ষম হন ।

Google keyword planner এর ফিচারগুলো:

  • Multiple country select
  • Multiple language select
  • Average monthly search
  • 3 months changes
  • Ad impression share
  • Competition
  • Related keywords

 

Ahrefs keyword Generator

কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল

Ahrefs keyword generator হচ্ছে একটি ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল। তবে এর পেইড ভার্সন আছে। স্বভাবতই পেইড ভার্সন অনেক উন্নত হয়। তবে এর যে ফ্রি ভার্সন আছে তার গুণগত মানের বিচারে অনেক ভালো। এর সুবিধা হলো এখানে কোন সাবস্ক্রাইব কিংবা একাউন্ট খুলতে হয় না। খুব কম নেটওয়ার্কে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। এবং এর দেওয়া তথ্যগুলো অনেক নিখুঁত মানের হয়।

Ahrefs keyword generator এর কিছু ফিচার নিচে তুলে ধরা হলো:

  • Keyword difficulty (KD)
  • Related keywords
  • Country select
  • Keyword updated টাইম্স

আরো পড়ুন,

Moz keyword Explorer

কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল

আপনারা হয়তো মজার নাম সবাই শুনে থাকবেন। Moz নামক প্রতিষ্ঠানটি দমাইন অথরিটি নামক এক অদ্ভুত প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে যা পরবর্তীতে গুগলের রেংকিং ফ্যাক্টর হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। MOZ keyword explorer হচ্ছে moz কর্তৃক দেওয়া একটি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল সেবা। এটি অত্যন্ত নিখুত মজার তথ্য প্রদর্শন করে।

এই কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল টি ব্যবহার করতে হলে আপনাকে অবশ্যই গুগোল একাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করতে হবে। তবে এর একটা সমস্যা হলো এখানে আপনি মাসিক দশটি কিওয়ার্ড রিচার্জ করতে পারবেন। অর্থাৎ এর ফ্রি ভার্সন মাত্র 10 টি ওয়ার্ড রিসার্চ করতে দেবে আপনাকে। এর পেইড ভার্সন শুধু আনলিমিটেড কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে দেয়।

নিচে moz keyword Explorer এর কিছু ফিচার তুলে ধরা হলো:

  • Individual country select
  • Monthly volume
  • Average CTR
  • Keyword difficulty
  • Average priority
  • Total related keywords
  • SERP analysis(keyword’s ranked top ten website , Domain authority, page authority and many more )

 

Ubbersuggest Keyword

কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল

উবার সাজেস্ট একটি ফ্রী কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল  টুল যা neil patel তৈরি করেছেন। এই কী-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলকে ফ্রী বললে ভুল হবে কারণ এটি প্রতিদিন মাত্র তিনটি কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সুবিধা দেয় মাত্র। তবুও এর আকর্ষণীয় ফিচার আপনাকে অনেক সুবিধা এনে দিবে।

এর কিছু ফিচার নিচে তুলে ধরা হলো,

  • Individual country select
  • Search volume
  • SEO difficulty
  • Paid difficulty
  • Cost per click (CpC)
  • Related keywords
  • Top 10 ranked website

 

KyFinder

কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল

KyFinder একটি সম্পূর্ণ ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল। এখান থেকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই সাইন আপ করতে হবে। এটি মঙ্গলস নামের এক প্রতিষ্ঠান দেওয়া ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ সেবা।

নিচে এর কিছু ফিজার তুলে ধরা হলো:

  • Individual country select.
  • Search volume
  • Keyword difficulty
  • Analyse SERP and many more

 

কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল কেন ব্যবহার করবেন?

বর্তমানে যেহেতু দিনদিন ইন্টারনেটে ব্লগারের সংখ্যা বাড়ছে সেহেতু ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ব্লগারের দেওয়া কনটেন্টের সংখ্যাও বাড়ছে। তিন দিন কনটেন্ট বাড়ার কারণে কোন বিষয়ে কনটেন্ট লেখার পর তা দেন করা খুব কঠিন বিষয়।

কিওয়ার্ড রিসার্চ করে নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আপনি করতে পারবেন। এবং এভাবে কি ওয়ার্ড ব্যবহার করে কনটেন্ট লিখলে আপনার পোষ্ট থেকে অর্গানিক ট্রাফিক আসার সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে।

আর পোষ্টের কিওয়ার্ডগুলো এমন এক ধরনের শব্দাংশ যা আপনার মূল পোস্টের সাথে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় প্রথমে গুগোল আপনার কিওয়ার্ডটি রিড করে ।তারপর সেই কিবোর্ড এর উপর আপনাকে বিভিন্ন পেজের রেঙ্ক প্রদান করে।

এছাড়াও কিওয়ার্ড রিসার্চ করে কনটেন্ট লিখা এর সবচেয়ে বেশি সুবিধা হল, অর্গানিক ট্রাফিক। অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন থেকে সার্চ করে আশা ট্রাফিক। ধরেন আপনি কি ওয়ার্ড রিসার্চ করে “তথ্য-ও-যোগাযোগ-প্রযুক্তি” নামে একটি কিওয়ার্ড খুঁজে পেলেন। তারপর সেই কিওয়ার্ড আপনার কন্ঠে ব্যবহার করলেন বিভিন্ন জায়গায়। এবার আপনারাই কনটেন্ট যখন গুগোল ইন্ডেক্স করবে তখন গুগল কিওয়ার্ড কি তা জেনে আপনাকে বিভিন্ন পেজের লিংক প্রদান করবে।

Read more,

কনটেন্ট এর মধ্যে কিওয়ার্ড এর ব্যবহার।

আমার উপরের দেওয়া উদাহরণের কিওয়ার্ড “তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি” সম্পর্কে আপনি যদি কোন কোন কন্টেন্ট লিখেন। তাহলে আপনাকে এই মেইন কি ওয়ার্ড “তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি” কনটেন্ট এর ভিতর ব্যবহার করতে হবে। এখন আপনি বলতে পারেন যে আমি আমার পোষ্টের 20 থেকে 30 শতাংশ অংশে তথ্য-ও-যোগাযোগ-প্রযুক্তি লেখা টি রাখবো তাহলে ভুল ভাবছেন। কিবোর্ড ব্যবহার করে পোস্ট লিখার কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। নিচের নিয়ম গুলো দেওয়া হল।

 

  • কনটেন্টের প্রথম প্যারায় আপনার কিবোর্ড এর ব্যবহার থাকতে হবে।
  • এরপর কনটেন্টের মাঝের অংশে একবার এবং শেষের অংশ একবার ব্যবহার করতে পারেন।
  • নির্ধারিত কিওয়ার্ড ন্যূনতম তিনবার আপনার কন্ঠে ব্যবহার করতে হবে। তবে আপনি ছয় কিংবা সাত বার পর্যন্ত সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারেন যদি সেই কীবোর্ড সম্পর্কিত কন্টেন গুলোর প্রতিযোগিতায় বেশি থাকে।
  • মনে রাখবেন পোস্টে বেশিবার কিওয়ার্ড ব্যবহার করলে সার্চ ইঞ্জিন কর্তৃক পেনাল্টি খেতে পারেন।
  • পোষ্টের শেষে অংশে সে রিলেটেড কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন।
  • যেকোনো একটি হেডার ট্যাগ এর ভেতরে আপনার কি ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।

আমাদের শেষ কথা,

আমাদের এই পোস্টটি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল এর মাধ্যমে আমি আপনাকে কিবোর্ড সম্পর্কিত সকল ধরনের তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এছাড়াও আরও অনেক বিস্তারিত তথ্য রয়েছে কিওয়ার্ড সম্পর্কে। আপনার জানার আগ্রহী হলে অবশ্যই লিখব।

আজকে এ পর্যন্তই ।ভালো থাকবেন ।কোথাও কোন বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।